
প্রতিবেদক, বিডিজেন

২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) মনোনীত পরিচালক হিসেবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি হয়েছিলেন ফারুক আহমেদ। তিনি যেভাবে পরিচালক হয়েছিলেন, ঠিক সেভাবেই তিনি পরিচালকের পদ হারিয়েছেন। তাঁর পরিচালক পদ বাতিল ঘোষণা করেছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ।
বৃহস্পতিবার (২৯ মে) রাতে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সচিব (যুগ্ম সচিব) মো. আমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে ফারুক আহমেদের পরিচালক পদ বাতিল করা হয়।
এর আগে ক্রীড়া পরিষদ ফারুক আহমেদকে বিসিবির পরিচালক মনোনীত করেছিল। তিনি পরিচালক পদ হারানোয় বিসিবি সভাপতির পদে থাকার নায্যতা হারালেন।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদের প্রতি অনাস্থা জ্ঞাপন করেছেন বিসিবির ৮ (সংখ্যাগরিষ্ট) পরিচালক। তাদের অনাস্থা আমলে নিয়ে ও বিপিএল সংক্রান্ত গঠিত সত্যানুসন্ধান কমিটির প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিসিবির কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে ফারুক আহমেদের মনোনয়ন বাতিল করা হলো।

২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) মনোনীত পরিচালক হিসেবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি হয়েছিলেন ফারুক আহমেদ। তিনি যেভাবে পরিচালক হয়েছিলেন, ঠিক সেভাবেই তিনি পরিচালকের পদ হারিয়েছেন। তাঁর পরিচালক পদ বাতিল ঘোষণা করেছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ।
বৃহস্পতিবার (২৯ মে) রাতে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সচিব (যুগ্ম সচিব) মো. আমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে ফারুক আহমেদের পরিচালক পদ বাতিল করা হয়।
এর আগে ক্রীড়া পরিষদ ফারুক আহমেদকে বিসিবির পরিচালক মনোনীত করেছিল। তিনি পরিচালক পদ হারানোয় বিসিবি সভাপতির পদে থাকার নায্যতা হারালেন।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদের প্রতি অনাস্থা জ্ঞাপন করেছেন বিসিবির ৮ (সংখ্যাগরিষ্ট) পরিচালক। তাদের অনাস্থা আমলে নিয়ে ও বিপিএল সংক্রান্ত গঠিত সত্যানুসন্ধান কমিটির প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিসিবির কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে ফারুক আহমেদের মনোনয়ন বাতিল করা হলো।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।