
বিডিজেন ডেস্ক

কুমিল্লার হোমনা উপজেলায় প্রবাসীর স্ত্রী ও দুই শিশু সন্তানের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপজেলার ঘারমোড়া ইউনিয়নের উত্তর মনিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বার্তাসংস্থা ইউএনবি এ খবর দিয়েছে।
নিহতরা হলো—সৌদি আরবপ্রবাসী জহিরুল ইসলামের স্ত্রী সুখী আক্তার, ছেলে হোসাইন (৪) এবং ভাই জোবায়েদ (৬)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতের কোনো একসময় দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদের গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যায়। সকালে স্বজনরা রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে হোমনা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডের কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
এ বিষয়ে হোমনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) দীনেশ দাশগুপ্ত বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে তাদের হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।

কুমিল্লার হোমনা উপজেলায় প্রবাসীর স্ত্রী ও দুই শিশু সন্তানের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপজেলার ঘারমোড়া ইউনিয়নের উত্তর মনিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বার্তাসংস্থা ইউএনবি এ খবর দিয়েছে।
নিহতরা হলো—সৌদি আরবপ্রবাসী জহিরুল ইসলামের স্ত্রী সুখী আক্তার, ছেলে হোসাইন (৪) এবং ভাই জোবায়েদ (৬)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতের কোনো একসময় দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদের গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যায়। সকালে স্বজনরা রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে হোমনা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডের কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
এ বিষয়ে হোমনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) দীনেশ দাশগুপ্ত বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে তাদের হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।