
বিডিজেন ডেস্ক

ঢাকার কেরানীগঞ্জের নারিকেলবাগে সিএনজি ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নয়ন (২৫) নামে প্রবাসী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় খাইরুল ইসলাম (৩৮) নামে আরেকজন নিহত এবং নারীসহ আরও চারজন আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন–শামসুল হক (৭৮), স্বর্ণা (১৯), তারেক (২৯) ও অজ্ঞাত ব্যক্তি (২৬)।
খবর আজকের পত্রিকার।
সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আড়াইটায় আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত নয়নের বাড়ি কেরানীগঞ্জ থানার সোনাকান্দা গ্রামে। তার বাবার নাম আনু মিয়া। খাইরুল ইসলাম কেরানীগঞ্জ এলাকার মো. ইউনুসের ছেলে।
নিহত নয়নের চাচাতো ভাই সজীব জানান, তাদের বাড়ি কেরানীগঞ্জের সোনাকান্দা এলাকায়। রাতে মোটরসাইকেল চালিয়ে সে বাসায় যাচ্ছিল। আসার পথে মোটরসাইকেল-সিএনজির সংঘর্ষে গুরুতর আহত হয় নয়নসহ বেশ কয়েকজন। পরে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে এলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নয়ন সৌদিপ্রবাসী ছিলেন।
দুর্ঘটনায় হতাহতদের হাসপাতালে নিয়ে আসেন রাব্বি নামে এক পথচারী।
জানা গেছে, সোমবার মধ্যরাতে নারিকেলবাগ এলাকায় মোটরসাইকেল ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে ৬ জন আহত হয়। আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে এলে চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন। বাকি চারজনের চিকিৎসা চলছে।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, কেরানীগঞ্জ থেকে আহত অবস্থায় নারী-পুরুষসহ ৬ জনকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। তাদের মধ্যে নয়ন ও নজরুল ইসলাম নামে দুজন মারা যায়। আহত চারজনের হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে। আহত বৃদ্ধ শামসুল হকের বাড়ি কেরানীগঞ্জে। তিনি কামার্তা গ্রামের মৃত রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে। আহত স্বর্ণার বাড়ি পিরোজপুর জেলার স্বরূপকাঠি থানার দিলবাড়ি গ্রামে। তার বাবার নাম মো. সিবরুল হোসেন। বাকি দুজনের মধ্যে একজনের নাম পাওয়া গেলেও ঠিকানা পাওয়া যায়নি বলে জানান মো. ফারুক।
সূত্র: আজকের পত্রিকা

ঢাকার কেরানীগঞ্জের নারিকেলবাগে সিএনজি ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নয়ন (২৫) নামে প্রবাসী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় খাইরুল ইসলাম (৩৮) নামে আরেকজন নিহত এবং নারীসহ আরও চারজন আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন–শামসুল হক (৭৮), স্বর্ণা (১৯), তারেক (২৯) ও অজ্ঞাত ব্যক্তি (২৬)।
খবর আজকের পত্রিকার।
সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আড়াইটায় আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত নয়নের বাড়ি কেরানীগঞ্জ থানার সোনাকান্দা গ্রামে। তার বাবার নাম আনু মিয়া। খাইরুল ইসলাম কেরানীগঞ্জ এলাকার মো. ইউনুসের ছেলে।
নিহত নয়নের চাচাতো ভাই সজীব জানান, তাদের বাড়ি কেরানীগঞ্জের সোনাকান্দা এলাকায়। রাতে মোটরসাইকেল চালিয়ে সে বাসায় যাচ্ছিল। আসার পথে মোটরসাইকেল-সিএনজির সংঘর্ষে গুরুতর আহত হয় নয়নসহ বেশ কয়েকজন। পরে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে এলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নয়ন সৌদিপ্রবাসী ছিলেন।
দুর্ঘটনায় হতাহতদের হাসপাতালে নিয়ে আসেন রাব্বি নামে এক পথচারী।
জানা গেছে, সোমবার মধ্যরাতে নারিকেলবাগ এলাকায় মোটরসাইকেল ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে ৬ জন আহত হয়। আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে এলে চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন। বাকি চারজনের চিকিৎসা চলছে।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, কেরানীগঞ্জ থেকে আহত অবস্থায় নারী-পুরুষসহ ৬ জনকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। তাদের মধ্যে নয়ন ও নজরুল ইসলাম নামে দুজন মারা যায়। আহত চারজনের হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে। আহত বৃদ্ধ শামসুল হকের বাড়ি কেরানীগঞ্জে। তিনি কামার্তা গ্রামের মৃত রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে। আহত স্বর্ণার বাড়ি পিরোজপুর জেলার স্বরূপকাঠি থানার দিলবাড়ি গ্রামে। তার বাবার নাম মো. সিবরুল হোসেন। বাকি দুজনের মধ্যে একজনের নাম পাওয়া গেলেও ঠিকানা পাওয়া যায়নি বলে জানান মো. ফারুক।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।