
প্রতিবেদক, বিডিজেন

রাশিয়ায় মানবপাচারে জড়িত থাকার অভিযোগে এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (এসএসপি) জসীম উদ্দিন খান বলেছেন, বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে নেপালে পালিয়ে যাওয়ার আগ মুহূর্তে ঢাকা বিমানবন্দর এলাকা থেকে ফাবিহা জেরিন তামান্না নামের ওই নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সিআইডির দাবি, তামান্না ‘ড্রিম হোম ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস লিমিটেড’ নামের একটি কোম্পানির অংশীদার। তিনি একটি মানবপাচার চক্রেরও সদস্য। চক্রটি রাশিয়ায় মাসে দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা বেতনে কাজের প্রলোভনে ১০ জনকে পাচার করেছে।
বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পাচারের প্রক্রিয়া সম্পর্কে সিআইডি বলে, ‘চক্রটি প্রথমে ওই ১০ জনকে সৌদি আরব ওমরাহ ভিসায় পাঠায়। সেখানে তাদের ওমরাহ করানোর পর রাশিয়ায় নিয়ে গিয়ে এক সুলতানের কাছে বিক্রি করে দেয়। সুলতান তাদের দাস হিসেবে রাশিয়ার সৈনিকদের কাছে হস্তান্তর করে। সেখানে তাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ না দিয়ে সামরিক প্রশিক্ষণ দিয়ে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য বাধ্য করে।’
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সিআইডি প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে, যুদ্ধে নাটোরের সিংড়া থানার হুমায়ুন কবির নামে একজন নিহত এবং ঢাকা কেরানীগঞ্জের আমিনুল নামের একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। পাচার হওয়া ১০ জনের মধ্যে নরসিংদীর পলাশ থানার বাসিন্দা আকরাম হোসেন প্রশিক্ষণ ক্যাম্প থেকে পালিয়ে যান। পরে নিজ ব্যবস্থাপনায় গত ২৬ জানুয়ারি দেশে ফিরে অন্য ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি।’
সিআইডি বলছে, ‘গত মঙ্গলবার “যুদ্ধাহত” আমিনুলের স্ত্রী ঝুমু আক্তার ঢাকার বনানী থানায় একটি মামলা করেন। ওই মামলার তদন্তের ধারাবাহিকতায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তামান্নাকে গ্রেপ্তার করা হয়।’
তামান্না নিজের সম্পৃক্ততা ‘স্বীকার’ করেছেন দাবি করে এসএসপি জসীম বলেন, সাধারণ মানুষদের যুদ্ধে যাওয়ার জন্য প্রেরণা জুগিয়েছে তামান্নার ভাই তুহিন, যিনি বর্তমানে রাশিয়ায় অবস্থান করছেন।
তিনি বলেন, ‘পাচার হওয়া ১০ জনের আরেকটি দল বর্তমানে সৌদি আরবে অবস্থান করছে। যুদ্ধ করতে বাধ্য করা হবে জেনে তারা রাশিয়ায় যেতে অস্বীকার করেছে। ফলে তাদের পাসপোর্ট কেড়ে নেওয়া হয়েছে। পাসপোর্ট কেড়ে নেওয়ায় সৌদি থাকা ১০ জন কোনো কাজ করতে পারছে না এবং দেশেও ফিরতে পারছে না। সিআইডি তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে।’

রাশিয়ায় মানবপাচারে জড়িত থাকার অভিযোগে এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (এসএসপি) জসীম উদ্দিন খান বলেছেন, বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে নেপালে পালিয়ে যাওয়ার আগ মুহূর্তে ঢাকা বিমানবন্দর এলাকা থেকে ফাবিহা জেরিন তামান্না নামের ওই নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সিআইডির দাবি, তামান্না ‘ড্রিম হোম ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস লিমিটেড’ নামের একটি কোম্পানির অংশীদার। তিনি একটি মানবপাচার চক্রেরও সদস্য। চক্রটি রাশিয়ায় মাসে দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা বেতনে কাজের প্রলোভনে ১০ জনকে পাচার করেছে।
বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পাচারের প্রক্রিয়া সম্পর্কে সিআইডি বলে, ‘চক্রটি প্রথমে ওই ১০ জনকে সৌদি আরব ওমরাহ ভিসায় পাঠায়। সেখানে তাদের ওমরাহ করানোর পর রাশিয়ায় নিয়ে গিয়ে এক সুলতানের কাছে বিক্রি করে দেয়। সুলতান তাদের দাস হিসেবে রাশিয়ার সৈনিকদের কাছে হস্তান্তর করে। সেখানে তাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ না দিয়ে সামরিক প্রশিক্ষণ দিয়ে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য বাধ্য করে।’
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সিআইডি প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে, যুদ্ধে নাটোরের সিংড়া থানার হুমায়ুন কবির নামে একজন নিহত এবং ঢাকা কেরানীগঞ্জের আমিনুল নামের একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। পাচার হওয়া ১০ জনের মধ্যে নরসিংদীর পলাশ থানার বাসিন্দা আকরাম হোসেন প্রশিক্ষণ ক্যাম্প থেকে পালিয়ে যান। পরে নিজ ব্যবস্থাপনায় গত ২৬ জানুয়ারি দেশে ফিরে অন্য ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি।’
সিআইডি বলছে, ‘গত মঙ্গলবার “যুদ্ধাহত” আমিনুলের স্ত্রী ঝুমু আক্তার ঢাকার বনানী থানায় একটি মামলা করেন। ওই মামলার তদন্তের ধারাবাহিকতায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তামান্নাকে গ্রেপ্তার করা হয়।’
তামান্না নিজের সম্পৃক্ততা ‘স্বীকার’ করেছেন দাবি করে এসএসপি জসীম বলেন, সাধারণ মানুষদের যুদ্ধে যাওয়ার জন্য প্রেরণা জুগিয়েছে তামান্নার ভাই তুহিন, যিনি বর্তমানে রাশিয়ায় অবস্থান করছেন।
তিনি বলেন, ‘পাচার হওয়া ১০ জনের আরেকটি দল বর্তমানে সৌদি আরবে অবস্থান করছে। যুদ্ধ করতে বাধ্য করা হবে জেনে তারা রাশিয়ায় যেতে অস্বীকার করেছে। ফলে তাদের পাসপোর্ট কেড়ে নেওয়া হয়েছে। পাসপোর্ট কেড়ে নেওয়ায় সৌদি থাকা ১০ জন কোনো কাজ করতে পারছে না এবং দেশেও ফিরতে পারছে না। সিআইডি তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে।’
৫ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৯ জন প্রবাসী ভোটার তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ভোটদান সম্পন্ন করেছেন ৪ লাখ ৭২ হাজার ৪১০ জন। এর মধ্যে ৩ লাখ ২৬ হাজার ২০টি পোস্টাল ব্যালট ইতিমধ্যে দেশে এসে পৌঁছেছে।
রাতের দুই দফা ভূমিকম্পেরই উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার। রিখটার স্কেলে দুই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৫ দশমিক ৯ ও ৫ দশমিক ২। দেশের অনেক স্থানে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এ নিয়ে এক দিনে তিনবার কাঁপল বাংলাদেশ।
গ্লোবাল কমপ্যাক্ট ফর মাইগ্রেশন (জিসিএম) ন্যাপের সফট অ্যাডপশন বাংলাদেশের নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করা এবং অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষায় দেশের দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।
সালীম আহমাদ খান জানান, আজ বেলা ১২টা পর্যন্ত ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী প্রবাসীদের কাছে মোট ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি ব্যালট পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৫ লাখ ২৪ হাজার ৮০ জন প্রবাসী তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৭০৭ জন ইতিমধ্যে ভোটদান সম্পন্ন করেছেন।