
বিডিজেন ডেস্ক

আওয়ামী লীগের কুমিল্লা মহানগর শাখার শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক এবং ছাত্রলীগের কুমিল্লা জেলা শাখার সাবেক সভাপতি কবিরুল ইসলাম শিকদারকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথবাহিনী।
খবর ইউএনবির।
শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মইনুল ইসলাম জানান, শুক্রবার ভোরে সেনাবাহিনীর সদস্যরা কবিরুল ইসলাম শিকদারকে থানায় হস্তান্তর করেছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে নগরীর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মোগলটুলী এলাকায় কবির শিকদারের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
যৌথবাহিনীর সূত্রে জানা গেছে, গত জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে কবিরের সক্রিয় ভূমিকা ছিল। সাম্প্রতিক গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, তিনি আওয়ামী লীগ অনুসারীদের পুনরায় সংগঠিত করার চেষ্টার পাশাপাশি ১৮ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের ঘোষিত হরতাল কর্মসূচি সফল করতে তিনি সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছিলেন। এ ছাড়া, কবিরের বিরুদ্ধে ৪টি মামলা রয়েছে।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মইনুল ইসলাম বলেন, ‘আজ (শুক্রবার) কবিরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।’

আওয়ামী লীগের কুমিল্লা মহানগর শাখার শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক এবং ছাত্রলীগের কুমিল্লা জেলা শাখার সাবেক সভাপতি কবিরুল ইসলাম শিকদারকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথবাহিনী।
খবর ইউএনবির।
শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মইনুল ইসলাম জানান, শুক্রবার ভোরে সেনাবাহিনীর সদস্যরা কবিরুল ইসলাম শিকদারকে থানায় হস্তান্তর করেছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে নগরীর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মোগলটুলী এলাকায় কবির শিকদারের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
যৌথবাহিনীর সূত্রে জানা গেছে, গত জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে কবিরের সক্রিয় ভূমিকা ছিল। সাম্প্রতিক গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, তিনি আওয়ামী লীগ অনুসারীদের পুনরায় সংগঠিত করার চেষ্টার পাশাপাশি ১৮ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের ঘোষিত হরতাল কর্মসূচি সফল করতে তিনি সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছিলেন। এ ছাড়া, কবিরের বিরুদ্ধে ৪টি মামলা রয়েছে।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মইনুল ইসলাম বলেন, ‘আজ (শুক্রবার) কবিরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।’
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।