
বিডিজেন ডেস্ক

যুক্তরাজ্যের লন্ডনে পাঠানোর নামে সিলেটের একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে কথিত এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
গত শনিবার (৬ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে যশোরের কোতোয়ালী থানার সেক্টর ৭-এর ৬ নম্বর বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রতারণার শিকার তরুণ-তরুণীরা সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন। সেই মামলায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক মুকিত মিয়া।
গ্রেপ্তাররা হলেন ঢাকার কদমতলী থানার রায়েরবাগ মিরজানগর সি ব্লকের বাসিন্দা মো. নাজিম উদ্দিন আদিল (৩৫) ও তার কথিত স্ত্রী ফারজানা শারমীন সোমা (৩৭)।
রোববার (৭ ডিসেম্বর) তাদের সিলেট নিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেট কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান।
প্রতারণার শিকার ব্যক্তিরা জানান, সিলেট নগরীর জিন্দাবাজারের এলিগেন্ট মার্কেটের এস আই ইন্টারন্যাশনাল নামক একটি ট্রাভেলসের মালিক ওই দম্পতি। সম্প্রতি তাদের প্রচারে আকৃষ্ট হয়ে লন্ডন যাওয়ার জন্য আইইএলটিএস সম্পন্ন করা অনেক তরুণ-তরুণী নিজেদের গয়না, জায়গা-জমি বিক্রি করে তাদের টাকা দেন। ওয়ার্ক পারমিট ভিসা করে দেওয়ার নামে তারা জনপ্রতি ১৫ লাখ টাকা থেকে শুরু করে ২২ লাখ টাকা পর্যন্ত নিয়েছেন।
এক তরুণী বলেন, অনেক কষ্ট করে, গয়না বিক্রি করে আমরা উনাদের টাকা দিয়েছি, কিন্তু পরে দেখি সবকিছু ভুয়া। আমরা এর ন্যায়বিচার এবং টাকা ফেরত চাই।
ভুক্তভোগীরা জানান, প্রতারকেরা বেশ কৌশলী ছিলেন। ভিসা হয়ে গেছে, এমন ছবি দেখিয়ে টাকা আদায় করেছেন তারা। পরে দেখা গেছে, ভিসা সঠিক নয়। এরপর অফিসে গেলে তা খোলা পাওয়া যায়নি। এমনকি তারা তাদের মোবাইলও বন্ধ করে দেন। হতাশায় জর্জরিত ভুক্তভোগীরা কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে যশোর থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে।

যুক্তরাজ্যের লন্ডনে পাঠানোর নামে সিলেটের একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে কথিত এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
গত শনিবার (৬ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে যশোরের কোতোয়ালী থানার সেক্টর ৭-এর ৬ নম্বর বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রতারণার শিকার তরুণ-তরুণীরা সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন। সেই মামলায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক মুকিত মিয়া।
গ্রেপ্তাররা হলেন ঢাকার কদমতলী থানার রায়েরবাগ মিরজানগর সি ব্লকের বাসিন্দা মো. নাজিম উদ্দিন আদিল (৩৫) ও তার কথিত স্ত্রী ফারজানা শারমীন সোমা (৩৭)।
রোববার (৭ ডিসেম্বর) তাদের সিলেট নিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেট কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান।
প্রতারণার শিকার ব্যক্তিরা জানান, সিলেট নগরীর জিন্দাবাজারের এলিগেন্ট মার্কেটের এস আই ইন্টারন্যাশনাল নামক একটি ট্রাভেলসের মালিক ওই দম্পতি। সম্প্রতি তাদের প্রচারে আকৃষ্ট হয়ে লন্ডন যাওয়ার জন্য আইইএলটিএস সম্পন্ন করা অনেক তরুণ-তরুণী নিজেদের গয়না, জায়গা-জমি বিক্রি করে তাদের টাকা দেন। ওয়ার্ক পারমিট ভিসা করে দেওয়ার নামে তারা জনপ্রতি ১৫ লাখ টাকা থেকে শুরু করে ২২ লাখ টাকা পর্যন্ত নিয়েছেন।
এক তরুণী বলেন, অনেক কষ্ট করে, গয়না বিক্রি করে আমরা উনাদের টাকা দিয়েছি, কিন্তু পরে দেখি সবকিছু ভুয়া। আমরা এর ন্যায়বিচার এবং টাকা ফেরত চাই।
ভুক্তভোগীরা জানান, প্রতারকেরা বেশ কৌশলী ছিলেন। ভিসা হয়ে গেছে, এমন ছবি দেখিয়ে টাকা আদায় করেছেন তারা। পরে দেখা গেছে, ভিসা সঠিক নয়। এরপর অফিসে গেলে তা খোলা পাওয়া যায়নি। এমনকি তারা তাদের মোবাইলও বন্ধ করে দেন। হতাশায় জর্জরিত ভুক্তভোগীরা কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে যশোর থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।