

বিডিজেন ডেস্ক

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত সহিংসতার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ মামলায় ৭৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪০০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
খবর আজকের পত্রিকার।
আজ শুক্রবার (১৮ জুলাই) দুপুরে গোপালগঞ্জ সদর থানায় মামলাটি করা হয়। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মির মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান আজকের পত্রিকাকে মোবাইল ফোনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, বুধবারের সহিংসতাকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে এ মামলা করা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে ৭৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, বাকি ৪০০ জন অজ্ঞাতনামা।
এদিকে সহিংসতার ঘটনায় যৌথ বাহিনীর চলমান অভিযানে এখন পর্যন্ত ৪৫ জনকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত গোপালগঞ্জের বিভিন্ন স্থান থেকে ২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি সাজেদুর রহমান।
সূত্র: প্রথম আলো

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত সহিংসতার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ মামলায় ৭৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪০০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
খবর আজকের পত্রিকার।
আজ শুক্রবার (১৮ জুলাই) দুপুরে গোপালগঞ্জ সদর থানায় মামলাটি করা হয়। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মির মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান আজকের পত্রিকাকে মোবাইল ফোনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, বুধবারের সহিংসতাকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে এ মামলা করা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে ৭৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, বাকি ৪০০ জন অজ্ঞাতনামা।
এদিকে সহিংসতার ঘটনায় যৌথ বাহিনীর চলমান অভিযানে এখন পর্যন্ত ৪৫ জনকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত গোপালগঞ্জের বিভিন্ন স্থান থেকে ২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি সাজেদুর রহমান।
সূত্র: প্রথম আলো
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।