
বিডিজেন ডেস্ক

চট্টগ্রামে পুড়ে অঙ্গার হওয়া এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে জেলার হাটহাজারী থানার ফতেয়াবাদ বালুরটাল এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে খবর পেয়ে বালুরটাল এলাকার ঝোপের ভেতর থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
খবর প্রথম আলোর।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার করা লাশের পরিচয় জানা যায়নি, তা বের করার চেষ্টা চলছে। নিখোঁজ–সংক্রান্ত ডায়েরিগুলোরও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।
অতিরিক্ত চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (হাটহাজারী সার্কেল) কাজী মো. তারেক আজিজ প্রথম আলোকে বলেন, আলামত দেখে বোঝা যাচ্ছে, এটি একটি নারীর মরদেহ। পাশে ওড়না ও জুতা পড়ে আছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, জীবন্ত অবস্থায় হাত-পা বেঁধে গায়ে আগুন দিয়ে ওই নারীকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার তদন্ত চলছে।
সূত্র: প্রথম আলো

চট্টগ্রামে পুড়ে অঙ্গার হওয়া এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে জেলার হাটহাজারী থানার ফতেয়াবাদ বালুরটাল এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে খবর পেয়ে বালুরটাল এলাকার ঝোপের ভেতর থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
খবর প্রথম আলোর।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার করা লাশের পরিচয় জানা যায়নি, তা বের করার চেষ্টা চলছে। নিখোঁজ–সংক্রান্ত ডায়েরিগুলোরও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।
অতিরিক্ত চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (হাটহাজারী সার্কেল) কাজী মো. তারেক আজিজ প্রথম আলোকে বলেন, আলামত দেখে বোঝা যাচ্ছে, এটি একটি নারীর মরদেহ। পাশে ওড়না ও জুতা পড়ে আছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, জীবন্ত অবস্থায় হাত-পা বেঁধে গায়ে আগুন দিয়ে ওই নারীকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার তদন্ত চলছে।
সূত্র: প্রথম আলো
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।