
প্রতিবেদক, বিডিজেন

প্রবাসীদের মালিকানায় হাসপাতাল তৈরি করার কথা জানিয়ে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেছেন, ওই হাসপাতালে প্রবাসীরা শুধু চিকিৎসা সুবিধাই পাবেন না, তারা মালিকও হবেন।
আজ বুধবার (১৬ এপ্রিল) প্রবাসীকল্যাণ ভবনের মিলনায়তনে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
প্রবাসী পরিবারের সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তি, প্রতিবন্ধী ভাতা, অসুস্থ প্রবাসীদের চিকিৎসা সহায়তা এবং প্রবাসে মৃত্যুবরণকারী কর্মীর পরিবারকে আর্থিক অনুদান, বিমা ও মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণের চেক প্রদান উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, ঢাকার বারিধারার কাছে একটা জমি আছে। এখানে একটি হাসপাতাল করার ইচ্ছা আছে। এ জন্য একটি কোম্পানি গঠন করা হবে। যেখানে ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ শেয়ারের মালিকানা থাকবে প্রবাসীদের হাতে। এ শেয়ার শুধু প্রবাসীরা কিনতে পারবেন, অন্য কেউ না।
হাসপাতাল করতে না পারলে কষ্ট ও অতৃপ্তি থাকবে বলে উল্লেখ করেন আসিফ নজরুল বলেন, বিদেশ থেকে সব প্রত্যাগত কর্মীকে হয়তো হাসপাতালে চাকরি দেওয়া যাবে না। তবে যারা নার্স, পরিচ্ছন্নতাকর্মী, নিরাপত্তাকর্মী, গাড়িচালক হিসেবে বিদেশ থেকে অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরবেন, তাদের মধ্য থেকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চাকরি দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। দেশের সেরা হাসপাতাল করার চেষ্টা করা হবে। প্রবাসীদের চিকিৎসার জন্য বিশেষ ছাড় থাকবে।
আসিফ নজরুল বলেন, বিমানবন্দরে গৃহীত নানা পদক্ষেপের কারণে প্রবাসীদের হয়রানি বন্ধ হয়েছে। বিমানবন্দর–সংশ্লিষ্ট কর্মীরা প্রবাসীদের সঙ্গে যেন ভালো আচরণ করেন, সে বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিমানবন্দরে প্রবাসী লাউঞ্জে শতকরা ৩০ ভাগ পর্যন্ত সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্পন্ন খাবার, ফ্রি ওয়াই-ফাই, ফ্রি টেলিফোন, মোবাইল চার্জিংসহ অন্যান্য সুবিধা রয়েছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া। স্বাগত বক্তব্য দেন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া।
ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী অনুষ্ঠানে ১২টি পরিবারকে ৩৬ লাখ টাকা আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়েছে। শিক্ষাবৃত্তি পেয়েছে ৬৫ জন। ১১ জনকে বিমা দাবি হিসেবে দেওয়া হয়েছে ১ কোটি ৪ লাখ টাকা। ক্ষতিপূরণ, বকেয়া ও সার্ভিস বেনিফিট হিসেবে দুটো পরিবার পেয়েছে ২৭ লাখ ৬৭ হাজার টাকা। তিনজনকে চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া হয়েছে ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা। ১ লাখ ২০ হাজার টাকা প্রতিবন্ধী ভাতা পেয়েছে ১০ জন। সব মিলে আজ মোট ১০৩ জনকে ১ কোটি ৯৩ লাখ ১৩ হাজার টাকার সহায়তা তুলে দেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, যে সহায়তা বা অনুদান দেওয়া হচ্ছে, এটি সরকারি টাকা নয়, বরং প্রবাসীদেরই টাকা। বিদেশে যাওয়ার আগে তারা যে ফি জমা দেন, তা কল্যাণ বোর্ডের তহবিলে জমা থাকে। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে মোট ১২ হাজার ১৫৮ জনকে ২৭৩ কোটি ৮১ লাখ টাকার বিভিন্ন সহায়তা করেছে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড।

প্রবাসীদের মালিকানায় হাসপাতাল তৈরি করার কথা জানিয়ে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেছেন, ওই হাসপাতালে প্রবাসীরা শুধু চিকিৎসা সুবিধাই পাবেন না, তারা মালিকও হবেন।
আজ বুধবার (১৬ এপ্রিল) প্রবাসীকল্যাণ ভবনের মিলনায়তনে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
প্রবাসী পরিবারের সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তি, প্রতিবন্ধী ভাতা, অসুস্থ প্রবাসীদের চিকিৎসা সহায়তা এবং প্রবাসে মৃত্যুবরণকারী কর্মীর পরিবারকে আর্থিক অনুদান, বিমা ও মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণের চেক প্রদান উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, ঢাকার বারিধারার কাছে একটা জমি আছে। এখানে একটি হাসপাতাল করার ইচ্ছা আছে। এ জন্য একটি কোম্পানি গঠন করা হবে। যেখানে ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ শেয়ারের মালিকানা থাকবে প্রবাসীদের হাতে। এ শেয়ার শুধু প্রবাসীরা কিনতে পারবেন, অন্য কেউ না।
হাসপাতাল করতে না পারলে কষ্ট ও অতৃপ্তি থাকবে বলে উল্লেখ করেন আসিফ নজরুল বলেন, বিদেশ থেকে সব প্রত্যাগত কর্মীকে হয়তো হাসপাতালে চাকরি দেওয়া যাবে না। তবে যারা নার্স, পরিচ্ছন্নতাকর্মী, নিরাপত্তাকর্মী, গাড়িচালক হিসেবে বিদেশ থেকে অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরবেন, তাদের মধ্য থেকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চাকরি দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। দেশের সেরা হাসপাতাল করার চেষ্টা করা হবে। প্রবাসীদের চিকিৎসার জন্য বিশেষ ছাড় থাকবে।
আসিফ নজরুল বলেন, বিমানবন্দরে গৃহীত নানা পদক্ষেপের কারণে প্রবাসীদের হয়রানি বন্ধ হয়েছে। বিমানবন্দর–সংশ্লিষ্ট কর্মীরা প্রবাসীদের সঙ্গে যেন ভালো আচরণ করেন, সে বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিমানবন্দরে প্রবাসী লাউঞ্জে শতকরা ৩০ ভাগ পর্যন্ত সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্পন্ন খাবার, ফ্রি ওয়াই-ফাই, ফ্রি টেলিফোন, মোবাইল চার্জিংসহ অন্যান্য সুবিধা রয়েছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া। স্বাগত বক্তব্য দেন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া।
ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী অনুষ্ঠানে ১২টি পরিবারকে ৩৬ লাখ টাকা আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়েছে। শিক্ষাবৃত্তি পেয়েছে ৬৫ জন। ১১ জনকে বিমা দাবি হিসেবে দেওয়া হয়েছে ১ কোটি ৪ লাখ টাকা। ক্ষতিপূরণ, বকেয়া ও সার্ভিস বেনিফিট হিসেবে দুটো পরিবার পেয়েছে ২৭ লাখ ৬৭ হাজার টাকা। তিনজনকে চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া হয়েছে ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা। ১ লাখ ২০ হাজার টাকা প্রতিবন্ধী ভাতা পেয়েছে ১০ জন। সব মিলে আজ মোট ১০৩ জনকে ১ কোটি ৯৩ লাখ ১৩ হাজার টাকার সহায়তা তুলে দেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, যে সহায়তা বা অনুদান দেওয়া হচ্ছে, এটি সরকারি টাকা নয়, বরং প্রবাসীদেরই টাকা। বিদেশে যাওয়ার আগে তারা যে ফি জমা দেন, তা কল্যাণ বোর্ডের তহবিলে জমা থাকে। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে মোট ১২ হাজার ১৫৮ জনকে ২৭৩ কোটি ৮১ লাখ টাকার বিভিন্ন সহায়তা করেছে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড।
৫ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৯ জন প্রবাসী ভোটার তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ভোটদান সম্পন্ন করেছেন ৪ লাখ ৭২ হাজার ৪১০ জন। এর মধ্যে ৩ লাখ ২৬ হাজার ২০টি পোস্টাল ব্যালট ইতিমধ্যে দেশে এসে পৌঁছেছে।
রাতের দুই দফা ভূমিকম্পেরই উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার। রিখটার স্কেলে দুই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৫ দশমিক ৯ ও ৫ দশমিক ২। দেশের অনেক স্থানে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এ নিয়ে এক দিনে তিনবার কাঁপল বাংলাদেশ।
গ্লোবাল কমপ্যাক্ট ফর মাইগ্রেশন (জিসিএম) ন্যাপের সফট অ্যাডপশন বাংলাদেশের নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করা এবং অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষায় দেশের দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।
সালীম আহমাদ খান জানান, আজ বেলা ১২টা পর্যন্ত ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী প্রবাসীদের কাছে মোট ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি ব্যালট পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৫ লাখ ২৪ হাজার ৮০ জন প্রবাসী তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৭০৭ জন ইতিমধ্যে ভোটদান সম্পন্ন করেছেন।