
প্রতিবেদক, বিডিজেন

বাংলাদেশে ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশন গঠন করার ঘোষণা দিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। কমিশন গঠনের আগে অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাচ্ছেন প্রধান বিচারপতি ও আইন উপদেষ্টা। তাদের সঙ্গে থাকবেন আরও কয়েকজন।
আজ শনিবার (১০ মে) বিকেলে রাজধানী ঢাকায় বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের 'গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫' দ্বিতীয় খসড়ার ওপর একটি মতবিনিময় সভায় আসিফ নজরুল এ তথ্য জানান।
তবে দক্ষিণ আফ্রিকায় কবে যাবেন এবং কবে ফিরবেন, সে বিষয়ে তিনি বক্তব্যে কিছু বলেননি।
আসিফ নজরুল বলেন, 'এই উপলক্ষে আমি এবং প্রধান বিচারপতি টিম নিয়ে সাউথ আফ্রিকায় যাচ্ছি। সেখান থেকে ফিরে এসে আপনাদের (সাংবাদিকদের) অভিজ্ঞতা শেয়ার করব।'
'আমার মনে হয় অনন্তকাল হানাহানি করে জাতির মুক্তি আসবে না। জাতীয় ঐক্য গড়ে উঠতে হবে।'
তিনি আরও বলেন, যারা গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধে মতো কাজ করেছে, তারা খুব বেশিসংখ্যক না। তাদের যথেষ্ট শাস্তির ব্যবস্থা আমাদের করতে হবে। তারা যে এই জাতি থেকে বিচ্ছিন্ন, মূল ধারা থেকে বিচ্ছিন্ন, সেটাকে প্রতিষ্ঠিত করতে হলেও আমাদের ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশন করতে হবে। যারা মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যা করেছে তাদের আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সর্বোচ্চ উপযুক্ত বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর।'
'আমরা কঠোর আইন করে যাব, যাতে এই ধরনের অপরাধ না হয়। একইসঙ্গে আমরা ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশন করে যাব, যাতে গণহত্যা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধীরা যে এই সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন, তা এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা পাবে।'
উপদেষ্টা আরও বলেন, রিকনসিলিয়েশন কমিশনের দরকার আছে। এটা সম্ভবত আমাদের দেশে ১৯৭২ সাল থেকে থাকলেই ভালো হতো। আমরা সবকিছুই খুব প্রফেশনালভাবে নিষ্পত্তি করতে চাই।

বাংলাদেশে ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশন গঠন করার ঘোষণা দিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। কমিশন গঠনের আগে অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাচ্ছেন প্রধান বিচারপতি ও আইন উপদেষ্টা। তাদের সঙ্গে থাকবেন আরও কয়েকজন।
আজ শনিবার (১০ মে) বিকেলে রাজধানী ঢাকায় বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের 'গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫' দ্বিতীয় খসড়ার ওপর একটি মতবিনিময় সভায় আসিফ নজরুল এ তথ্য জানান।
তবে দক্ষিণ আফ্রিকায় কবে যাবেন এবং কবে ফিরবেন, সে বিষয়ে তিনি বক্তব্যে কিছু বলেননি।
আসিফ নজরুল বলেন, 'এই উপলক্ষে আমি এবং প্রধান বিচারপতি টিম নিয়ে সাউথ আফ্রিকায় যাচ্ছি। সেখান থেকে ফিরে এসে আপনাদের (সাংবাদিকদের) অভিজ্ঞতা শেয়ার করব।'
'আমার মনে হয় অনন্তকাল হানাহানি করে জাতির মুক্তি আসবে না। জাতীয় ঐক্য গড়ে উঠতে হবে।'
তিনি আরও বলেন, যারা গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধে মতো কাজ করেছে, তারা খুব বেশিসংখ্যক না। তাদের যথেষ্ট শাস্তির ব্যবস্থা আমাদের করতে হবে। তারা যে এই জাতি থেকে বিচ্ছিন্ন, মূল ধারা থেকে বিচ্ছিন্ন, সেটাকে প্রতিষ্ঠিত করতে হলেও আমাদের ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশন করতে হবে। যারা মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যা করেছে তাদের আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সর্বোচ্চ উপযুক্ত বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর।'
'আমরা কঠোর আইন করে যাব, যাতে এই ধরনের অপরাধ না হয়। একইসঙ্গে আমরা ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশন করে যাব, যাতে গণহত্যা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধীরা যে এই সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন, তা এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা পাবে।'
উপদেষ্টা আরও বলেন, রিকনসিলিয়েশন কমিশনের দরকার আছে। এটা সম্ভবত আমাদের দেশে ১৯৭২ সাল থেকে থাকলেই ভালো হতো। আমরা সবকিছুই খুব প্রফেশনালভাবে নিষ্পত্তি করতে চাই।
৫ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৯ জন প্রবাসী ভোটার তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ভোটদান সম্পন্ন করেছেন ৪ লাখ ৭২ হাজার ৪১০ জন। এর মধ্যে ৩ লাখ ২৬ হাজার ২০টি পোস্টাল ব্যালট ইতিমধ্যে দেশে এসে পৌঁছেছে।
রাতের দুই দফা ভূমিকম্পেরই উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার। রিখটার স্কেলে দুই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৫ দশমিক ৯ ও ৫ দশমিক ২। দেশের অনেক স্থানে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এ নিয়ে এক দিনে তিনবার কাঁপল বাংলাদেশ।
গ্লোবাল কমপ্যাক্ট ফর মাইগ্রেশন (জিসিএম) ন্যাপের সফট অ্যাডপশন বাংলাদেশের নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করা এবং অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষায় দেশের দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।
সালীম আহমাদ খান জানান, আজ বেলা ১২টা পর্যন্ত ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী প্রবাসীদের কাছে মোট ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি ব্যালট পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৫ লাখ ২৪ হাজার ৮০ জন প্রবাসী তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৭০৭ জন ইতিমধ্যে ভোটদান সম্পন্ন করেছেন।