
বিডিজেন ডেস্ক

নিষিদ্ধ ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার নেতা শাহীন আলম ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের গ্রেপ্তার হয়েছেন। গত সোমবার (৬ জানুয়ারি) রাত ১১টার দিকে বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য, শাহীন আলম বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন।
মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে লক্ষ্মীপুর সদর থানায় ৪ শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় শাহীনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
শাহীন আলম নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ এলাকার গোলাম মোস্তফার ছেলে।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল মোন্নাফ বলেন, ৪ আগস্ট শিক্ষার্থীদের ওপর প্রকাশ্যে এলোপাতাড়ি গুলি করেন শাহীন আলম। সেই হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত অভিযুক্ত শাহীন। ঘটনার পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন শাহীন। গতকাল (সোমবার) রাতে বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার সময় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। অন্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। ৪ শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় শাহীনের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হবে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, ৪ আগস্ট দুপুরে লক্ষ্মীপুর শহরের মাদাম ব্রিজ এলাকায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের ওপর শাহীনের প্রকাশ্যে অস্ত্র উঁচিয়ে গুলি ছোড়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এরপর থেকে আত্মগোপনে চলে যান তিনি। ওই দিন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের হামলায় ৪ শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়। এ সময় আহত হয় অন্তত ৩০০ জন। এসব ঘটনায় হত্যাসহ একাধিক মামলা হয়। এসব মামলায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগসহ অঙ্গসংগঠনের হাজারো নেতা–কর্মীকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

নিষিদ্ধ ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার নেতা শাহীন আলম ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের গ্রেপ্তার হয়েছেন। গত সোমবার (৬ জানুয়ারি) রাত ১১টার দিকে বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য, শাহীন আলম বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন।
মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে লক্ষ্মীপুর সদর থানায় ৪ শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় শাহীনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
শাহীন আলম নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ এলাকার গোলাম মোস্তফার ছেলে।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল মোন্নাফ বলেন, ৪ আগস্ট শিক্ষার্থীদের ওপর প্রকাশ্যে এলোপাতাড়ি গুলি করেন শাহীন আলম। সেই হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত অভিযুক্ত শাহীন। ঘটনার পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন শাহীন। গতকাল (সোমবার) রাতে বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার সময় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। অন্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। ৪ শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় শাহীনের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হবে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, ৪ আগস্ট দুপুরে লক্ষ্মীপুর শহরের মাদাম ব্রিজ এলাকায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের ওপর শাহীনের প্রকাশ্যে অস্ত্র উঁচিয়ে গুলি ছোড়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এরপর থেকে আত্মগোপনে চলে যান তিনি। ওই দিন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের হামলায় ৪ শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়। এ সময় আহত হয় অন্তত ৩০০ জন। এসব ঘটনায় হত্যাসহ একাধিক মামলা হয়। এসব মামলায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগসহ অঙ্গসংগঠনের হাজারো নেতা–কর্মীকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।