
বিডিজেন ডেস্ক

এইচএসসি পরীক্ষার ‘বৈষম্যহীন’ ফলাফলের দাবিতে বুধবার (২৩ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ের ভেতরে ঢুকে বিক্ষোভ করেছেন একদল শিক্ষার্থী। এ সময় সচিবালয়ের ভেতরে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটে। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। এ সময় পুলিশ অন্তত ৫৩ জনকে আটক করেছে।
বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তাদের আটক করা হয়। পরে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পুলিশের দুটি প্রিজন ভ্যানে করে তাদের শাহবাগ থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
এর আগে পৌনে ৩টার দিকে প্রায় ৫০-৬০ জন শিক্ষার্থী সচিবালয়ে ঢুকে পড়েন। এ সময় তারা ‘আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’; ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’; ‘মুগ্ধের বাংলায় বৈষম্যের ঠাঁই নাই’; ‘তুমি কে আমি কে ছাত্র-ছাত্র’; ‘আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম-সংগ্রাম’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।
সেখানে দায়িত্বপালনরত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা প্রথমে তাদের সরে যাওয়ার অনুরোধ করেন। কিন্তু তারা সরে না যাওয়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাদের ধাওয়া দেন। এ সময় তাদের ওপর লাঠিচার্জ করা হয়।
এর আগে ২০ অক্টোবর একই দাবিতে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের ভেতরে ঢুকে বিক্ষোভ করেন একদল শিক্ষার্থী। সেদিন শিক্ষার্থীরা বলেন, কর্মসূচি চলাকালে তাঁদের ওপর হামলা হয়েছে। হামলায় কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। অন্যদিকে বোর্ডের কর্মকর্তারা বলেন, শিক্ষার্থীরা বোর্ডের চেয়ারম্যানের কক্ষে, এমনকি কক্ষের সামনেও ভাঙচুর চালান।
বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের দাবি, যে ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে, তা বৈষম্যমূলক। এ জন্য এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সব বিষয়ের ওপর ‘ম্যাপিং’ করে ফলাফল নতুন করে প্রকাশ করতে হবে।
উল্লেখ্য, এ বছরের এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল গত ৩০ জুন। ৭টি পরীক্ষা হওয়ার পর সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। এ পরিস্থিতিতে কয়েক দফায় পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। তখন পর্যন্ত ছয়টি বিষয়ের পরীক্ষা বাকি ছিল। ব্যবহারিক পরীক্ষাও বাকি ছিল। একপর্যায়ে স্থগিত পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে গত ২০ আগস্ট সচিবালয়ের ভেতরে ঢুকে পরীক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেন। তখন স্থগিত পরীক্ষাগুলো বাতিল করা হয়।
স্থগিত হওয়া বিষয়গুলোর পরীক্ষা আন্দোলনের মুখে বাতিলের কারণে এবার এইচএসসি পরীক্ষার মূল্যায়ন হয় ভিন্ন পদ্ধতিতে। বাতিল হওয়া পরীক্ষাগুলোর মূল্যায়ন হয় পরীক্ষার্থীদের এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার নম্বরের ভিত্তিতে (বিষয় ম্যাপিং)। অর্থাৎ এসএসসিতে যে নম্বর পেয়েছিলেন শিক্ষার্থী, সেটা এইচএসসিতে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। আর এইচএসসিতে যে বিষয়গুলোর পরীক্ষা হয়েছিল, সেগুলোর উত্তরপত্রের ভিত্তিতে মূল্যায়ন হয়েছে। এ দুই মূল্যায়ন মিলে এবারের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল তৈরি করা হয়েছে।
এর ভিত্তিতে ১৫ অক্টোবর এইচএসসি-সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়।

এইচএসসি পরীক্ষার ‘বৈষম্যহীন’ ফলাফলের দাবিতে বুধবার (২৩ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ের ভেতরে ঢুকে বিক্ষোভ করেছেন একদল শিক্ষার্থী। এ সময় সচিবালয়ের ভেতরে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটে। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। এ সময় পুলিশ অন্তত ৫৩ জনকে আটক করেছে।
বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তাদের আটক করা হয়। পরে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পুলিশের দুটি প্রিজন ভ্যানে করে তাদের শাহবাগ থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
এর আগে পৌনে ৩টার দিকে প্রায় ৫০-৬০ জন শিক্ষার্থী সচিবালয়ে ঢুকে পড়েন। এ সময় তারা ‘আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’; ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’; ‘মুগ্ধের বাংলায় বৈষম্যের ঠাঁই নাই’; ‘তুমি কে আমি কে ছাত্র-ছাত্র’; ‘আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম-সংগ্রাম’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।
সেখানে দায়িত্বপালনরত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা প্রথমে তাদের সরে যাওয়ার অনুরোধ করেন। কিন্তু তারা সরে না যাওয়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাদের ধাওয়া দেন। এ সময় তাদের ওপর লাঠিচার্জ করা হয়।
এর আগে ২০ অক্টোবর একই দাবিতে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের ভেতরে ঢুকে বিক্ষোভ করেন একদল শিক্ষার্থী। সেদিন শিক্ষার্থীরা বলেন, কর্মসূচি চলাকালে তাঁদের ওপর হামলা হয়েছে। হামলায় কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। অন্যদিকে বোর্ডের কর্মকর্তারা বলেন, শিক্ষার্থীরা বোর্ডের চেয়ারম্যানের কক্ষে, এমনকি কক্ষের সামনেও ভাঙচুর চালান।
বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের দাবি, যে ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে, তা বৈষম্যমূলক। এ জন্য এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সব বিষয়ের ওপর ‘ম্যাপিং’ করে ফলাফল নতুন করে প্রকাশ করতে হবে।
উল্লেখ্য, এ বছরের এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল গত ৩০ জুন। ৭টি পরীক্ষা হওয়ার পর সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। এ পরিস্থিতিতে কয়েক দফায় পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। তখন পর্যন্ত ছয়টি বিষয়ের পরীক্ষা বাকি ছিল। ব্যবহারিক পরীক্ষাও বাকি ছিল। একপর্যায়ে স্থগিত পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে গত ২০ আগস্ট সচিবালয়ের ভেতরে ঢুকে পরীক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেন। তখন স্থগিত পরীক্ষাগুলো বাতিল করা হয়।
স্থগিত হওয়া বিষয়গুলোর পরীক্ষা আন্দোলনের মুখে বাতিলের কারণে এবার এইচএসসি পরীক্ষার মূল্যায়ন হয় ভিন্ন পদ্ধতিতে। বাতিল হওয়া পরীক্ষাগুলোর মূল্যায়ন হয় পরীক্ষার্থীদের এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার নম্বরের ভিত্তিতে (বিষয় ম্যাপিং)। অর্থাৎ এসএসসিতে যে নম্বর পেয়েছিলেন শিক্ষার্থী, সেটা এইচএসসিতে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। আর এইচএসসিতে যে বিষয়গুলোর পরীক্ষা হয়েছিল, সেগুলোর উত্তরপত্রের ভিত্তিতে মূল্যায়ন হয়েছে। এ দুই মূল্যায়ন মিলে এবারের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল তৈরি করা হয়েছে।
এর ভিত্তিতে ১৫ অক্টোবর এইচএসসি-সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়।
৫ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৯ জন প্রবাসী ভোটার তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ভোটদান সম্পন্ন করেছেন ৪ লাখ ৭২ হাজার ৪১০ জন। এর মধ্যে ৩ লাখ ২৬ হাজার ২০টি পোস্টাল ব্যালট ইতিমধ্যে দেশে এসে পৌঁছেছে।
রাতের দুই দফা ভূমিকম্পেরই উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার। রিখটার স্কেলে দুই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৫ দশমিক ৯ ও ৫ দশমিক ২। দেশের অনেক স্থানে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এ নিয়ে এক দিনে তিনবার কাঁপল বাংলাদেশ।
গ্লোবাল কমপ্যাক্ট ফর মাইগ্রেশন (জিসিএম) ন্যাপের সফট অ্যাডপশন বাংলাদেশের নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করা এবং অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষায় দেশের দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।
সালীম আহমাদ খান জানান, আজ বেলা ১২টা পর্যন্ত ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী প্রবাসীদের কাছে মোট ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি ব্যালট পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৫ লাখ ২৪ হাজার ৮০ জন প্রবাসী তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৭০৭ জন ইতিমধ্যে ভোটদান সম্পন্ন করেছেন।