
সংবাদদাতা, সিলেট

সৌদি আরবের রিয়াদে ভবন থেকে পড়ে নজরুল ইসলাম নামের এক বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) রিয়াদের হারায় স্থানীয় সময় ভোর রাত ৪টায় কাজ করতে গিয়ে ভবন থেকে পড়ে তার মৃত্যু হয়।
নজরুল ইসলাম সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ রণিখাই ইউনিয়নের মুরারগাও গ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে।
ছেলের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে নিজাম উদ্দিন জানান, পরিবারের অভাব দূর করার জন্য সাড়ে ৪ মাস আগে সৌদি আরব যান তাঁর ছেলে নজরুল ইসলাম। সেখানে গিয়ে নজরুল নির্মাণশ্রমিক হিসেবে কাজ শুরু করেন। এর মধ্যেই শুক্রবার নির্মাণকাজ করতে গিয়ে বহুতল ভবন পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নিজাম উদ্দিন আরও জানান, নজরুলের বিদেশ যাওয়ার মাত্র ৪ মাস হয়েছে। প্রায় ৩ লাখ টাকা ঋণ করে তাকে বিদেশ পাঠানো হয়। এক মাস কাজ করে বেতন পেয়ে কিছু টাকা পাঠিয়েছিল। এখনো প্রায় আড়াই লাখ টাকা ঋণ রয়েছে বলে জানান তিনি।
নজরুলের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে তার পরিবার।

সৌদি আরবের রিয়াদে ভবন থেকে পড়ে নজরুল ইসলাম নামের এক বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) রিয়াদের হারায় স্থানীয় সময় ভোর রাত ৪টায় কাজ করতে গিয়ে ভবন থেকে পড়ে তার মৃত্যু হয়।
নজরুল ইসলাম সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ রণিখাই ইউনিয়নের মুরারগাও গ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে।
ছেলের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে নিজাম উদ্দিন জানান, পরিবারের অভাব দূর করার জন্য সাড়ে ৪ মাস আগে সৌদি আরব যান তাঁর ছেলে নজরুল ইসলাম। সেখানে গিয়ে নজরুল নির্মাণশ্রমিক হিসেবে কাজ শুরু করেন। এর মধ্যেই শুক্রবার নির্মাণকাজ করতে গিয়ে বহুতল ভবন পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নিজাম উদ্দিন আরও জানান, নজরুলের বিদেশ যাওয়ার মাত্র ৪ মাস হয়েছে। প্রায় ৩ লাখ টাকা ঋণ করে তাকে বিদেশ পাঠানো হয়। এক মাস কাজ করে বেতন পেয়ে কিছু টাকা পাঠিয়েছিল। এখনো প্রায় আড়াই লাখ টাকা ঋণ রয়েছে বলে জানান তিনি।
নজরুলের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে তার পরিবার।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।