
বিডিজেন ডেস্ক

ইন্দোনেশিয়ার তাংগেরাংয়ে ১৫ থেকে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ৪০তম ট্রেড এক্সপো ইন্দোনেশিয়ায় (টিইআই) অংশ নিয়েছেন প্রায় ৪০ জন বাংলাদেশি উদ্যোক্তা। ঢাকায় নিয়োজিত ইন্দোনেশিয়ার দূতাবাসের সহযোগিতায় বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা ট্রেড এক্সপোতে অংশগ্রহণ করেন।
ঢাকার নিয়োজিত ইন্দোনেশিয়া দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইন্দোনেশিয়ার দূতাবাসের এই উদ্যোগ ছিল দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করা এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে ইন্দোনেশিয়ার রপ্তানি সম্ভাবনা প্রচারের ক্ষেত্রে দূতাবাসের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ–ইন্দোনেশিয়া বাণিজ্য অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী হয়েছে।

এক্সপোতে ইন্দোনেশিয়া ও বাংলাদেশি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মোট ৪টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তি বস্ত্র, কৃষিভিত্তিক পণ্য, ওষুধশিল্প ও ডিজিটাল বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সহযোগিতা অন্তর্ভুক্ত করেছে। চুক্তিগুলো দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য আরও বাড়াবে এবং দুই দেশের বেসরকারি খাতের মধ্যে নতুন সহযোগিতার সুযোগ সৃষ্টি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্রেড এক্সপো ইন্দোনেশিয়ায় (২০২৫) বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ ইন্দোনেশিয়ার বহুমুখী পণ্য ও বিনিয়োগ সুযোগ অন্বেষণে তাদের গভীর আগ্রহ প্রদর্শন করেছে। পাশাপাশি, এটি সরাসরি ব্যবসা-টু-ব্যবসা (B2B) বৈঠক, পণ্য সংগ্রহ এবং ইন্দোনেশিয়ান রপ্তানিকারকদের সঙ্গে নেটওয়ার্কিংয়ের একটি প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করেছে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের অংশগ্রহণে ইন্দোনেশিয়ার দূতাবাসের সহায়তা পারস্পরিকভাবে লাভজনক বাণিজ্য সম্পর্ক গড়ে তোলার এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও আঞ্চলিক সহযোগিতার যৌথ দৃষ্টিভঙ্গিতে অবদান রাখার প্রতিশ্রুতিকে প্রতিফলিত করে।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় ইন্দোনেশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদার। দূতাবাস প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে, ইন্দোনেশিয়া ও বাংলাদেশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান উভয়েই আরও দৃঢ় সহযোগিতা, টেকসই অংশীদারত্ব এবং বাড়তি বাণিজ্য প্রবাহ থেকে উপকৃত হবে।’

দূতাবাসের অর্থনৈতিক শাখা ইন্দোনেশিয়ার বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও অন্য সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছে, যাতে এক্সপো চলাকালে লজিস্টিকস, ব্যবসায়িক মিলনমেলা এবং প্রচারমূলক অনুষ্ঠানগুলো সুষ্ঠুভাবে সমন্বিত হয়।
ট্রেড এক্সপো ইন্দোনেশিয়া এখনো ইন্দোনেশিয়ার প্রধান প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে। যা উচ্চমানের পণ্য, বিনিয়োগের সুযোগ এবং উদ্ভাবনকে বৈশ্বিক বাজারে উপস্থাপন করে। এ বছর বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের সফল সম্পৃক্ততা দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আবারও দৃঢ়ভাবে প্রতিফলিত করেছে।

ইন্দোনেশিয়ার তাংগেরাংয়ে ১৫ থেকে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ৪০তম ট্রেড এক্সপো ইন্দোনেশিয়ায় (টিইআই) অংশ নিয়েছেন প্রায় ৪০ জন বাংলাদেশি উদ্যোক্তা। ঢাকায় নিয়োজিত ইন্দোনেশিয়ার দূতাবাসের সহযোগিতায় বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা ট্রেড এক্সপোতে অংশগ্রহণ করেন।
ঢাকার নিয়োজিত ইন্দোনেশিয়া দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইন্দোনেশিয়ার দূতাবাসের এই উদ্যোগ ছিল দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করা এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে ইন্দোনেশিয়ার রপ্তানি সম্ভাবনা প্রচারের ক্ষেত্রে দূতাবাসের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ–ইন্দোনেশিয়া বাণিজ্য অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী হয়েছে।

এক্সপোতে ইন্দোনেশিয়া ও বাংলাদেশি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মোট ৪টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তি বস্ত্র, কৃষিভিত্তিক পণ্য, ওষুধশিল্প ও ডিজিটাল বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সহযোগিতা অন্তর্ভুক্ত করেছে। চুক্তিগুলো দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য আরও বাড়াবে এবং দুই দেশের বেসরকারি খাতের মধ্যে নতুন সহযোগিতার সুযোগ সৃষ্টি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্রেড এক্সপো ইন্দোনেশিয়ায় (২০২৫) বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ ইন্দোনেশিয়ার বহুমুখী পণ্য ও বিনিয়োগ সুযোগ অন্বেষণে তাদের গভীর আগ্রহ প্রদর্শন করেছে। পাশাপাশি, এটি সরাসরি ব্যবসা-টু-ব্যবসা (B2B) বৈঠক, পণ্য সংগ্রহ এবং ইন্দোনেশিয়ান রপ্তানিকারকদের সঙ্গে নেটওয়ার্কিংয়ের একটি প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করেছে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের অংশগ্রহণে ইন্দোনেশিয়ার দূতাবাসের সহায়তা পারস্পরিকভাবে লাভজনক বাণিজ্য সম্পর্ক গড়ে তোলার এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও আঞ্চলিক সহযোগিতার যৌথ দৃষ্টিভঙ্গিতে অবদান রাখার প্রতিশ্রুতিকে প্রতিফলিত করে।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় ইন্দোনেশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদার। দূতাবাস প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে, ইন্দোনেশিয়া ও বাংলাদেশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান উভয়েই আরও দৃঢ় সহযোগিতা, টেকসই অংশীদারত্ব এবং বাড়তি বাণিজ্য প্রবাহ থেকে উপকৃত হবে।’

দূতাবাসের অর্থনৈতিক শাখা ইন্দোনেশিয়ার বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও অন্য সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছে, যাতে এক্সপো চলাকালে লজিস্টিকস, ব্যবসায়িক মিলনমেলা এবং প্রচারমূলক অনুষ্ঠানগুলো সুষ্ঠুভাবে সমন্বিত হয়।
ট্রেড এক্সপো ইন্দোনেশিয়া এখনো ইন্দোনেশিয়ার প্রধান প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে। যা উচ্চমানের পণ্য, বিনিয়োগের সুযোগ এবং উদ্ভাবনকে বৈশ্বিক বাজারে উপস্থাপন করে। এ বছর বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের সফল সম্পৃক্ততা দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আবারও দৃঢ়ভাবে প্রতিফলিত করেছে।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।