
প্রতিবেদক, বিডিজেন

রাজধানীর আকাশ প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করতে ঢাকায় বিমানঘাঁটি অত্যাবশ্যক বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী।
আজ সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে বিমানবাহিনীর বিমান পরিচালনা পরিদপ্তরের পরিচালক এয়ার কমডোর শহীদুল ইসলাম এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, 'রাজধানীর আকাশ প্রতিরক্ষা সুনিশ্চিত করার জন্য স্ট্র্যাটেজিক এবং অপারেশনাল নেসেসিটির জন্যই রাজধানীতে বিমানঘাঁটি অত্যাবশ্যক। বিমানঘাঁটি যেখানেই থাকুক না কেন, সেখানে সুপরিসর রানওয়ে মেইনটেন্যান্স, লজিস্টিকস, এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলিং ফ্যাসিলিটি থাকতে হয়।'
'তেজগাঁও হোক বা কুর্মিটোলা হোক অপারেশনাল ও স্ট্রাটেজিক নেসেসিটির জন্য পৃথিবীর যেকোনো দেশের রাজধানীতে বিমানঁঘাটি অত্যাবশ্যক,' বলেন তিনি।
গত ২১ জুলাই উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনার তদন্ত চলছে জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, 'ঘটনার দিন বাংলাদেশ বিমানবাহিনী উদ্ধারকার্যে অংশগ্রহণ করে এবং একইদিনে উচ্চ পর্যায়ের একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। তদন্ত কাজে সহায়তার জন্য চীনের একটি বিশেষজ্ঞ দল আসার সম্ভাবনা আছে। তদন্তে আন্তর্জাতিক সহায়তা দুর্ঘটনার মূল কারণ চিহ্নিত করতে সহায়ক হবে বলে আমরা মনে করি।'
এক প্রশ্নের জবাবে এয়ার কমডোর শহীদুল বলেন, 'উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত চলমান। প্রত্যেকটা বিষয় আমাদের এই তদন্ত প্রক্রিয়ায় চলে আসবে। তদন্ত প্রতিবেদনে বিস্তারিত আসুক, আমরা পরবর্তীতে বিস্তারিত দেব।'

রাজধানীর আকাশ প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করতে ঢাকায় বিমানঘাঁটি অত্যাবশ্যক বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী।
আজ সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে বিমানবাহিনীর বিমান পরিচালনা পরিদপ্তরের পরিচালক এয়ার কমডোর শহীদুল ইসলাম এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, 'রাজধানীর আকাশ প্রতিরক্ষা সুনিশ্চিত করার জন্য স্ট্র্যাটেজিক এবং অপারেশনাল নেসেসিটির জন্যই রাজধানীতে বিমানঘাঁটি অত্যাবশ্যক। বিমানঘাঁটি যেখানেই থাকুক না কেন, সেখানে সুপরিসর রানওয়ে মেইনটেন্যান্স, লজিস্টিকস, এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলিং ফ্যাসিলিটি থাকতে হয়।'
'তেজগাঁও হোক বা কুর্মিটোলা হোক অপারেশনাল ও স্ট্রাটেজিক নেসেসিটির জন্য পৃথিবীর যেকোনো দেশের রাজধানীতে বিমানঁঘাটি অত্যাবশ্যক,' বলেন তিনি।
গত ২১ জুলাই উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনার তদন্ত চলছে জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, 'ঘটনার দিন বাংলাদেশ বিমানবাহিনী উদ্ধারকার্যে অংশগ্রহণ করে এবং একইদিনে উচ্চ পর্যায়ের একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। তদন্ত কাজে সহায়তার জন্য চীনের একটি বিশেষজ্ঞ দল আসার সম্ভাবনা আছে। তদন্তে আন্তর্জাতিক সহায়তা দুর্ঘটনার মূল কারণ চিহ্নিত করতে সহায়ক হবে বলে আমরা মনে করি।'
এক প্রশ্নের জবাবে এয়ার কমডোর শহীদুল বলেন, 'উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত চলমান। প্রত্যেকটা বিষয় আমাদের এই তদন্ত প্রক্রিয়ায় চলে আসবে। তদন্ত প্রতিবেদনে বিস্তারিত আসুক, আমরা পরবর্তীতে বিস্তারিত দেব।'
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।