
প্রতিবেদক, বিডিজেন

ইসরায়েল সম্পৃক্ততার অভিযোগে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় কেএফসি ও বাটাসহ বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। সোমবার (৭ এপ্রিল) রাতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এদিকে সিলেটে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩ জনকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।
আইজিপি বাহারুল আলম বলেন, ‘আমাদের কাছে হামলাকারীদের ভিডিও ফুটেজ আছে। তাদের চিহ্নিত করা হচ্ছে, অবিলম্বে তাদের গ্রেপ্তার করা হবে। বাংলাদেশ পুলিশ বর্তমানে এ নিয়ে কাজ করছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকার কোনো ন্যায়সংগত বিক্ষোভে বাধা দেয় না। তবে, প্রতিবাদ কর্মসূচির আড়ালে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সহ্য করা হবে না।’
এদিকে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ–কমিশনার (উত্তর) মোঃ শাহরিয়ার আলম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, নগরীর বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটে জড়িত থাকায় ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অন্যদিকে ৪ দিনব্যাপী বিনিয়োগ সম্মেলন শুরুর দিনে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ওপর হামলা ‘ন্যাক্কারজনক দৃষ্টান্ত স্থাপন’ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।
তিনি বলেন, ‘যখন আমরা বাংলাদেশকে বিনিয়োগের জন্য ইতিবাচকভাবে তুলে ধরতে শীর্ষ সম্মেলন আয়োজন করছি, তখন এ ধরনের ন্যাক্কারজনক দৃষ্টান্ত আমাদের জন্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। এই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অনেকেই স্থানীয় বিনিয়োগকারী, কিছু বিদেশি বিনিয়োগকারী আছেন যারা বাংলাদেশের প্রতি আস্থা রাখতেন। তারা সবাই আমাদের তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছিলেন।’
বিডা নির্বাহী চেয়ারম্যান বলেন, ‘যারা এই জঘন্য ভাঙচুর চালিয়েছে তারা দেশের কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং স্থিতিশীলতা বিরোধী।’
ফিলিস্তিনের গাজায় গণহত্যা বন্ধের দাবিতে বিশ্বের অন্য দেশের মতো বাংলাদেশেও সোমবার পালিত হয় ‘নো ওয়ার্ক, নো স্কুল’কর্মসূচি। গাজার প্রতি সংহতি জানিয়ে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় শিক্ষার্থী ও জনতা বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে। এই কর্মসূচির মধ্যেই বেশ কয়েকটি জেলায় কেএফসি ও বাটাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়।

ইসরায়েল সম্পৃক্ততার অভিযোগে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় কেএফসি ও বাটাসহ বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। সোমবার (৭ এপ্রিল) রাতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এদিকে সিলেটে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩ জনকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।
আইজিপি বাহারুল আলম বলেন, ‘আমাদের কাছে হামলাকারীদের ভিডিও ফুটেজ আছে। তাদের চিহ্নিত করা হচ্ছে, অবিলম্বে তাদের গ্রেপ্তার করা হবে। বাংলাদেশ পুলিশ বর্তমানে এ নিয়ে কাজ করছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকার কোনো ন্যায়সংগত বিক্ষোভে বাধা দেয় না। তবে, প্রতিবাদ কর্মসূচির আড়ালে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সহ্য করা হবে না।’
এদিকে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ–কমিশনার (উত্তর) মোঃ শাহরিয়ার আলম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, নগরীর বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটে জড়িত থাকায় ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অন্যদিকে ৪ দিনব্যাপী বিনিয়োগ সম্মেলন শুরুর দিনে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ওপর হামলা ‘ন্যাক্কারজনক দৃষ্টান্ত স্থাপন’ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।
তিনি বলেন, ‘যখন আমরা বাংলাদেশকে বিনিয়োগের জন্য ইতিবাচকভাবে তুলে ধরতে শীর্ষ সম্মেলন আয়োজন করছি, তখন এ ধরনের ন্যাক্কারজনক দৃষ্টান্ত আমাদের জন্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। এই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অনেকেই স্থানীয় বিনিয়োগকারী, কিছু বিদেশি বিনিয়োগকারী আছেন যারা বাংলাদেশের প্রতি আস্থা রাখতেন। তারা সবাই আমাদের তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছিলেন।’
বিডা নির্বাহী চেয়ারম্যান বলেন, ‘যারা এই জঘন্য ভাঙচুর চালিয়েছে তারা দেশের কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং স্থিতিশীলতা বিরোধী।’
ফিলিস্তিনের গাজায় গণহত্যা বন্ধের দাবিতে বিশ্বের অন্য দেশের মতো বাংলাদেশেও সোমবার পালিত হয় ‘নো ওয়ার্ক, নো স্কুল’কর্মসূচি। গাজার প্রতি সংহতি জানিয়ে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় শিক্ষার্থী ও জনতা বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে। এই কর্মসূচির মধ্যেই বেশ কয়েকটি জেলায় কেএফসি ও বাটাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।