
বিডিজেন ডেস্ক

বঙ্গোপসাগরের কুতুবদিয়া পয়েন্টে এলপিজি বহনকারী একটি লাইটারেজ জাহাজে মধ্যরাতে বিস্ফোরণ হয়ে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে।
শনিবার (১২ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানায়, বসুন্ধরা গ্রুপোর ‘বি-এলপিজি সোফিয়া’ নামের জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহিনোঙরে অবস্থান করছিল। রাত ১টার দিকে জাহাজটি বিস্ফোরণ হয়ে আগুন ধরে যায়।
আগুনের খবর পেয়ে কোস্টগার্ডের একটি জাহাজ, একটি টাগবোট ও চারটি স্পিডবোট উদ্ধার তৎপরতা ও আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।
এ ছাড়া আগুন নিয়ন্ত্রণে কোস্টগার্ডের সঙ্গে নৌবাহিনী ও বন্দরের অগ্নিনির্বাপক দলও যৌথভাবে কাজ করে।
জানা গেছে, জাহাজে থাকা সব ক্রুদের জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।
এর আগে ৩০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় ‘বাংলার জ্যোতি’ নামে একটি তেলবাহী জাহাজে আগুনের পর বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে তিনজনের মৃত্যু হয়। তিনজনই অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা গেছেন। এ ঘটনায় দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বঙ্গোপসাগরের কুতুবদিয়া পয়েন্টে এলপিজি বহনকারী একটি লাইটারেজ জাহাজে মধ্যরাতে বিস্ফোরণ হয়ে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে।
শনিবার (১২ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানায়, বসুন্ধরা গ্রুপোর ‘বি-এলপিজি সোফিয়া’ নামের জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহিনোঙরে অবস্থান করছিল। রাত ১টার দিকে জাহাজটি বিস্ফোরণ হয়ে আগুন ধরে যায়।
আগুনের খবর পেয়ে কোস্টগার্ডের একটি জাহাজ, একটি টাগবোট ও চারটি স্পিডবোট উদ্ধার তৎপরতা ও আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।
এ ছাড়া আগুন নিয়ন্ত্রণে কোস্টগার্ডের সঙ্গে নৌবাহিনী ও বন্দরের অগ্নিনির্বাপক দলও যৌথভাবে কাজ করে।
জানা গেছে, জাহাজে থাকা সব ক্রুদের জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।
এর আগে ৩০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় ‘বাংলার জ্যোতি’ নামে একটি তেলবাহী জাহাজে আগুনের পর বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে তিনজনের মৃত্যু হয়। তিনজনই অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা গেছেন। এ ঘটনায় দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।