
বিডিজেন ডেস্ক

দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, আজ শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার মধ্যে ভারতের তামিলনাড়ুর উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘ফেনজল’।
বর্ষা–পরবর্তী মৌসুমে বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া দ্বিতীয় ঘূর্ণিঝড় হলো এই ‘ফেনজল’। নামটি সৌদি আরবের দেওয়া। এর আগে গত অক্টোবরে ‘দানা’ নামের আরেকটি ঘূর্ণিঝড় ভারতের ওডিশা উপকূলে আঘাত হানে।
আজ শনিবার আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় ‘ফেনজল’ উত্তর–পশ্চিম দিকে এগিয়ে আজ সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৬৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ–পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৬০৫ কিলোমিটার দক্ষিণ–পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৫০৫ কিলোমিটার দক্ষিণ–পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৫১৫ কিলোমিটার দক্ষিণ–পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও পশ্চিম, উত্তর–পশ্চিম দিকে এগিয়ে আজ দুপুরের দিকে উত্তর তামিলনাড়ু উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড় ফেনজল ভারতের তামিলনাড়ুর পদুচেরি উপকূল অতিক্রম করতে পারে আজ সন্ধ্যায়। এর প্রভাব বাংলাদেশের উপকূলে তেমন পড়বে না। তবে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রামের উপকূলে এর প্রভাবে সামান্য বৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যত্র আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকবে।
ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার। এটি দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ঘণ্টায় ৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছের এলাকার সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে।
এ ঘূর্ণিঝড়ের কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, আজ শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার মধ্যে ভারতের তামিলনাড়ুর উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘ফেনজল’।
বর্ষা–পরবর্তী মৌসুমে বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া দ্বিতীয় ঘূর্ণিঝড় হলো এই ‘ফেনজল’। নামটি সৌদি আরবের দেওয়া। এর আগে গত অক্টোবরে ‘দানা’ নামের আরেকটি ঘূর্ণিঝড় ভারতের ওডিশা উপকূলে আঘাত হানে।
আজ শনিবার আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় ‘ফেনজল’ উত্তর–পশ্চিম দিকে এগিয়ে আজ সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৬৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ–পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৬০৫ কিলোমিটার দক্ষিণ–পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৫০৫ কিলোমিটার দক্ষিণ–পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৫১৫ কিলোমিটার দক্ষিণ–পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও পশ্চিম, উত্তর–পশ্চিম দিকে এগিয়ে আজ দুপুরের দিকে উত্তর তামিলনাড়ু উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড় ফেনজল ভারতের তামিলনাড়ুর পদুচেরি উপকূল অতিক্রম করতে পারে আজ সন্ধ্যায়। এর প্রভাব বাংলাদেশের উপকূলে তেমন পড়বে না। তবে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রামের উপকূলে এর প্রভাবে সামান্য বৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যত্র আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকবে।
ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার। এটি দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ঘণ্টায় ৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছের এলাকার সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে।
এ ঘূর্ণিঝড়ের কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
৫ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৯ জন প্রবাসী ভোটার তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ভোটদান সম্পন্ন করেছেন ৪ লাখ ৭২ হাজার ৪১০ জন। এর মধ্যে ৩ লাখ ২৬ হাজার ২০টি পোস্টাল ব্যালট ইতিমধ্যে দেশে এসে পৌঁছেছে।
রাতের দুই দফা ভূমিকম্পেরই উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার। রিখটার স্কেলে দুই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৫ দশমিক ৯ ও ৫ দশমিক ২। দেশের অনেক স্থানে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এ নিয়ে এক দিনে তিনবার কাঁপল বাংলাদেশ।
গ্লোবাল কমপ্যাক্ট ফর মাইগ্রেশন (জিসিএম) ন্যাপের সফট অ্যাডপশন বাংলাদেশের নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করা এবং অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষায় দেশের দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।
সালীম আহমাদ খান জানান, আজ বেলা ১২টা পর্যন্ত ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী প্রবাসীদের কাছে মোট ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি ব্যালট পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৫ লাখ ২৪ হাজার ৮০ জন প্রবাসী তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৭০৭ জন ইতিমধ্যে ভোটদান সম্পন্ন করেছেন।