
প্রতিবেদক, বিডিজেন

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
আজ বুধবার (১৯ মার্চ) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাৎ করেন তিনি। সাক্ষাৎকালে সেনাপ্রধান দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং সেনাবাহিনীর চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার জন্য সেনাবাহিনী কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েও আলোচনা করেন তাঁরা। আলোচনাকালে সেনাপ্রধান তাঁর সাম্প্রতিক সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক সফরের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন। এই সফর দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কোন্নয়ন ও সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে সেনাপ্রধান আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এ ছাড়া, সদ্য সমাপ্ত বিবিধ বঞ্চিত সেনা কর্মকর্তাদের সুবিচার নিশ্চিতকরণ বিষয়ে উচ্চপদস্থ পর্ষদের মূল্যায়ন ও সুপারিশ এবং নানা কারণে চাকরিচ্যুত জেসিও ও অন্য পদবির সেনাসদস্যদের চলমান উচ্চপদস্থ পর্ষদের অগ্রগতির বিষয়ে সেনাপ্রধান প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন।
সবশেষে, জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে আহত ছাত্র-জনতার চিকিৎসায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কেও প্রধান উপদেষ্টাকে জানান সেনাপ্রধান।
সাক্ষাতে প্রধান উপদেষ্টা সেনাবাহিনীর ভূমিকা ও অবদানের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যৎ কার্যক্রমে সেনাবাহিনীকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী তাদের পেশাদারি ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবে।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
আজ বুধবার (১৯ মার্চ) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাৎ করেন তিনি। সাক্ষাৎকালে সেনাপ্রধান দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং সেনাবাহিনীর চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার জন্য সেনাবাহিনী কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েও আলোচনা করেন তাঁরা। আলোচনাকালে সেনাপ্রধান তাঁর সাম্প্রতিক সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক সফরের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন। এই সফর দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কোন্নয়ন ও সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে সেনাপ্রধান আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এ ছাড়া, সদ্য সমাপ্ত বিবিধ বঞ্চিত সেনা কর্মকর্তাদের সুবিচার নিশ্চিতকরণ বিষয়ে উচ্চপদস্থ পর্ষদের মূল্যায়ন ও সুপারিশ এবং নানা কারণে চাকরিচ্যুত জেসিও ও অন্য পদবির সেনাসদস্যদের চলমান উচ্চপদস্থ পর্ষদের অগ্রগতির বিষয়ে সেনাপ্রধান প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন।
সবশেষে, জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে আহত ছাত্র-জনতার চিকিৎসায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কেও প্রধান উপদেষ্টাকে জানান সেনাপ্রধান।
সাক্ষাতে প্রধান উপদেষ্টা সেনাবাহিনীর ভূমিকা ও অবদানের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যৎ কার্যক্রমে সেনাবাহিনীকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী তাদের পেশাদারি ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবে।
জামাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একইসঙ্গে নামাজ আদায় করেন। তাদের সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, রাজনীতিবিদ ও কূটনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ জামাতে অংশ নেন।
মরদেহ হস্তান্তরকালে মন্ত্রী নিহত মোশাররফ হোসেনের পরিবারকে দাফন কার্য সম্পন্নের জন্য ৫০ হাজার টাকার চেক প্রদান করেন। এ ছাড়া, ওয়েজ আর্নাস কল্যাণ বোর্ডের পক্ষ থেকে ঈদের পর নিহতের পরিবারকে তিন লাখ টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করা হবে বলে তিনি জানান।
হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২৯ বা ৩০ দিনে মাস হয়ে থাকে। ২৯ রমজান শেষে যদি চাঁদ দেখা যায়, তাহলে পরদিন ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হয়। আর চাঁদ দেখা না গেলে ৩০ রমজান শেষে ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হয়।
অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ডেপুটি হাইকমিশনার নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, যুদ্ধপ্রবণ এলাকায় চলাচলকারী জাহাজে কর্মরত বাংলাদেশি নাবিকসহ বিশ্বব্যাপী সমুদ্রকর্মীদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিয়ে বাংলাদেশ উদ্বিগ্ন।