
বিডিজেন ডেস্ক

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বোর্ডিং ব্রিজ-৬ হঠাৎ নিচে নেমে গিয়ে কুয়েত এয়ারওয়েজের একটি প্লেনের দরজা ভেঙে গেছে।
মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) দিবাগত রাত ২টা ৩০ মিনিটের দিকে বোয়িং ৭৭৭-৩০০ মডেলের বিমানে এ ঘটনাটি ঘটে।
বিমানবন্দর সূত্র জানা যায়, কুয়েত এয়ারওয়েজের কেইউ-২৮৩ ফ্লাইটটি রাত ১টা ৩০ মিনটের দিকে কুয়েত থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকায় অবতরণ করে। যাত্রীরা ফ্লাইট থেকে নামার পরপরই দরজা ভেঙে যায়।
এ সময় প্লেনটির ভেতরে শুধু পাইলট ও কেবিন ক্রুরা ছিলেন। ফ্লাইটের ক্যাপ্টেনের দায়িত্বে ছিলেন কুয়েতের নাগরিক আজবালি মোহাম্মদ। তবে তারা নিরাপদ রয়েছেন।
এই প্লেনটির রাত ৩টা ৪৫ মিনিটের দিকে ২৮৪ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকা থেকে কুয়েত যাওয়ার কথা ছিল।
কুয়েত এয়ারওয়েজ সূত্র জানায়, দরজা ভেঙে যাওয়ার কারণে কুয়েতগামী যাত্রীদের হোটেলে রাখা হয়েছে। কুয়েতের আরেকটি ফ্লাইট ঢাকায় এসে তাদের নিয়ে যাবে। এ ছাড়া, যাদের কুয়েত থেকে কানেক্টিং ফ্লাইট ছিল তাদের বিনামূল্যে স্ব স্ব গন্তব্যে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বোর্ডিং ব্রিজ-৬ হঠাৎ নিচে নেমে গিয়ে কুয়েত এয়ারওয়েজের একটি প্লেনের দরজা ভেঙে গেছে।
মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) দিবাগত রাত ২টা ৩০ মিনিটের দিকে বোয়িং ৭৭৭-৩০০ মডেলের বিমানে এ ঘটনাটি ঘটে।
বিমানবন্দর সূত্র জানা যায়, কুয়েত এয়ারওয়েজের কেইউ-২৮৩ ফ্লাইটটি রাত ১টা ৩০ মিনটের দিকে কুয়েত থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকায় অবতরণ করে। যাত্রীরা ফ্লাইট থেকে নামার পরপরই দরজা ভেঙে যায়।
এ সময় প্লেনটির ভেতরে শুধু পাইলট ও কেবিন ক্রুরা ছিলেন। ফ্লাইটের ক্যাপ্টেনের দায়িত্বে ছিলেন কুয়েতের নাগরিক আজবালি মোহাম্মদ। তবে তারা নিরাপদ রয়েছেন।
এই প্লেনটির রাত ৩টা ৪৫ মিনিটের দিকে ২৮৪ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকা থেকে কুয়েত যাওয়ার কথা ছিল।
কুয়েত এয়ারওয়েজ সূত্র জানায়, দরজা ভেঙে যাওয়ার কারণে কুয়েতগামী যাত্রীদের হোটেলে রাখা হয়েছে। কুয়েতের আরেকটি ফ্লাইট ঢাকায় এসে তাদের নিয়ে যাবে। এ ছাড়া, যাদের কুয়েত থেকে কানেক্টিং ফ্লাইট ছিল তাদের বিনামূল্যে স্ব স্ব গন্তব্যে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।