
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরবের জুবাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় এক প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির নাম মোহাম্মদ রিপন খান (৪২)। তার বাড়ি বরগুনা জেলার পাথরঘাটায়।
খবর আজকের পত্রিকার।
মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) সৌদি আরবের স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৬টার দিকে জুবাইল সাগর পাড়ের খুনানি মার্কেট এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় শিকার হন তিনি। এরপর পুলিশ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
জুবাইলপ্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ী পাথরঘাটার আকন মোহাম্মদ বশির আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত মোহাম্মদ রিপন খান বরগুনার পাথরঘাটা বাজারের পুরোনো লেপ-তোশক ব্যবসায়ী মৃত মেনাজ উদ্দিন খলিফার ছোট ছেলে। তাদের গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলায়।
রিপনের রুমমেট আরেক প্রবাসী পাথরঘাটার আক্তারুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে জানান, কয়েক দিন ধরে ফজরের নামাজের পর হাঁটতে যেত রিপন। ঘটনার আগের রাতে আমরা সবাই একসঙ্গে রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। সকালে আমি কাজে যাওয়ার সময় রিপনকে রুমে দেখতে পাইনি। তখন ভেবেছি সাগরপাড়ে হাঁটতে গেছে। পরবর্তীতে স্থানীয় সময় ১০টার দিকে রিপনের মুঠোফোনে কল করলে বলদীয়ার (স্থানীয় প্রশাসন) লোকেরা জানায় রিপন সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন।
নিহতের বড় ভাই মোহাম্মদ লিটন খান জানান, ‘আমি বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে চ্যানেল আইয়ের অ্যাসাইনমেন্ট এডিটর তারিকুল ইসলাম মাসুমের মাধ্যমে রিপনের মৃত্যুর খবর জানতে পারি। রিপনের একটি মেয়ে আছে। ওর লাশ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সেখানকার লোকেদের মাধ্যমে যোগাযোগের চেষ্টা করছি।’
জুবাইল জেনারেল হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স চালক দেলোয়ার হোসেন ও স্থানীয়দের বরাত দিয়ে সৌদিপ্রবাসী আকন মোহাম্মদ বশির আজকের পত্রিকাকে জানান, রিপনকে চাপা দেওয়া গাড়িটি শনাক্ত করা যায়নি। দুর্ঘটনার পর পুলিশ রিপনকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানেই তার মৃত্যু হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে রিপনের জানাজার ব্যবস্থা করা হবে। লাশ সংরক্ষণের জন্য হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হবে। পরবর্তীতে লাশ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।
পরিবারের সূত্রে জানা যায়, ৬ বছর ধরে সৌদি আরবে আছেন রিপন। গত বছর মায়ের মৃত্যুর খবর শুনে এক মাসের ছুটিতে দেশে এসেছিলেন।
সূত্র: আজকের পত্রিকা

সৌদি আরবের জুবাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় এক প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির নাম মোহাম্মদ রিপন খান (৪২)। তার বাড়ি বরগুনা জেলার পাথরঘাটায়।
খবর আজকের পত্রিকার।
মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) সৌদি আরবের স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৬টার দিকে জুবাইল সাগর পাড়ের খুনানি মার্কেট এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় শিকার হন তিনি। এরপর পুলিশ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
জুবাইলপ্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ী পাথরঘাটার আকন মোহাম্মদ বশির আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত মোহাম্মদ রিপন খান বরগুনার পাথরঘাটা বাজারের পুরোনো লেপ-তোশক ব্যবসায়ী মৃত মেনাজ উদ্দিন খলিফার ছোট ছেলে। তাদের গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলায়।
রিপনের রুমমেট আরেক প্রবাসী পাথরঘাটার আক্তারুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে জানান, কয়েক দিন ধরে ফজরের নামাজের পর হাঁটতে যেত রিপন। ঘটনার আগের রাতে আমরা সবাই একসঙ্গে রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। সকালে আমি কাজে যাওয়ার সময় রিপনকে রুমে দেখতে পাইনি। তখন ভেবেছি সাগরপাড়ে হাঁটতে গেছে। পরবর্তীতে স্থানীয় সময় ১০টার দিকে রিপনের মুঠোফোনে কল করলে বলদীয়ার (স্থানীয় প্রশাসন) লোকেরা জানায় রিপন সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন।
নিহতের বড় ভাই মোহাম্মদ লিটন খান জানান, ‘আমি বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে চ্যানেল আইয়ের অ্যাসাইনমেন্ট এডিটর তারিকুল ইসলাম মাসুমের মাধ্যমে রিপনের মৃত্যুর খবর জানতে পারি। রিপনের একটি মেয়ে আছে। ওর লাশ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সেখানকার লোকেদের মাধ্যমে যোগাযোগের চেষ্টা করছি।’
জুবাইল জেনারেল হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স চালক দেলোয়ার হোসেন ও স্থানীয়দের বরাত দিয়ে সৌদিপ্রবাসী আকন মোহাম্মদ বশির আজকের পত্রিকাকে জানান, রিপনকে চাপা দেওয়া গাড়িটি শনাক্ত করা যায়নি। দুর্ঘটনার পর পুলিশ রিপনকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানেই তার মৃত্যু হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে রিপনের জানাজার ব্যবস্থা করা হবে। লাশ সংরক্ষণের জন্য হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হবে। পরবর্তীতে লাশ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।
পরিবারের সূত্রে জানা যায়, ৬ বছর ধরে সৌদি আরবে আছেন রিপন। গত বছর মায়ের মৃত্যুর খবর শুনে এক মাসের ছুটিতে দেশে এসেছিলেন।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জামাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একইসঙ্গে নামাজ আদায় করেন। তাদের সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, রাজনীতিবিদ ও কূটনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ জামাতে অংশ নেন।
মরদেহ হস্তান্তরকালে মন্ত্রী নিহত মোশাররফ হোসেনের পরিবারকে দাফন কার্য সম্পন্নের জন্য ৫০ হাজার টাকার চেক প্রদান করেন। এ ছাড়া, ওয়েজ আর্নাস কল্যাণ বোর্ডের পক্ষ থেকে ঈদের পর নিহতের পরিবারকে তিন লাখ টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করা হবে বলে তিনি জানান।
হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২৯ বা ৩০ দিনে মাস হয়ে থাকে। ২৯ রমজান শেষে যদি চাঁদ দেখা যায়, তাহলে পরদিন ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হয়। আর চাঁদ দেখা না গেলে ৩০ রমজান শেষে ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হয়।
অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ডেপুটি হাইকমিশনার নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, যুদ্ধপ্রবণ এলাকায় চলাচলকারী জাহাজে কর্মরত বাংলাদেশি নাবিকসহ বিশ্বব্যাপী সমুদ্রকর্মীদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিয়ে বাংলাদেশ উদ্বিগ্ন।