
প্রতিবেদক, বিডিজেন

২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে জমি কেনা-বেচার নিবন্ধন খরচ কমানো হয়েছে। এলাকাভেদে সর্বোচ্চ নিবন্ধন খরচ ২ শতাংশ পর্যন্ত কমানো হয়েছে। ফলে এখন ১ লাখ টাকার জমির নিবন্ধন করতে খচর কমবে সর্বোচ্চ ২ হাজার টাকা।
গতকাল সোমবার (২ জুন) ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট পেশকালে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ এ কথা জানান।
অর্থ উপদেষ্টা জানান, ভূমি নিবন্ধনের ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত বাজেটে কিছুটা ছাড় দেওয়া হচ্ছে। কাঠার পরিবর্তে শতাংশে নিবন্ধন ফি ও কর নির্ধারণ করা হচ্ছে। প্রকৃত বিক্রয়মূল্যে সম্পত্তি রেজিস্ট্রেশনের লক্ষ্যে জমি হস্তান্তর থেকে উৎসে কর সংগ্রহের বিদ্যমান মূলধনী মুনাফা কর হার কমিয়ে এলাকাভেদে বিদ্যমান হার ৮, ৬ ও ৪ শতাংশের স্থলে যথাক্রমে ৬, ৪ শতাংশ ও ৩ শতাংশ এ হ্রাস করা হয়েছে।

২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে জমি কেনা-বেচার নিবন্ধন খরচ কমানো হয়েছে। এলাকাভেদে সর্বোচ্চ নিবন্ধন খরচ ২ শতাংশ পর্যন্ত কমানো হয়েছে। ফলে এখন ১ লাখ টাকার জমির নিবন্ধন করতে খচর কমবে সর্বোচ্চ ২ হাজার টাকা।
গতকাল সোমবার (২ জুন) ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট পেশকালে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ এ কথা জানান।
অর্থ উপদেষ্টা জানান, ভূমি নিবন্ধনের ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত বাজেটে কিছুটা ছাড় দেওয়া হচ্ছে। কাঠার পরিবর্তে শতাংশে নিবন্ধন ফি ও কর নির্ধারণ করা হচ্ছে। প্রকৃত বিক্রয়মূল্যে সম্পত্তি রেজিস্ট্রেশনের লক্ষ্যে জমি হস্তান্তর থেকে উৎসে কর সংগ্রহের বিদ্যমান মূলধনী মুনাফা কর হার কমিয়ে এলাকাভেদে বিদ্যমান হার ৮, ৬ ও ৪ শতাংশের স্থলে যথাক্রমে ৬, ৪ শতাংশ ও ৩ শতাংশ এ হ্রাস করা হয়েছে।
জামাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একইসঙ্গে নামাজ আদায় করেন। তাদের সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, রাজনীতিবিদ ও কূটনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ জামাতে অংশ নেন।
মরদেহ হস্তান্তরকালে মন্ত্রী নিহত মোশাররফ হোসেনের পরিবারকে দাফন কার্য সম্পন্নের জন্য ৫০ হাজার টাকার চেক প্রদান করেন। এ ছাড়া, ওয়েজ আর্নাস কল্যাণ বোর্ডের পক্ষ থেকে ঈদের পর নিহতের পরিবারকে তিন লাখ টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করা হবে বলে তিনি জানান।
হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২৯ বা ৩০ দিনে মাস হয়ে থাকে। ২৯ রমজান শেষে যদি চাঁদ দেখা যায়, তাহলে পরদিন ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হয়। আর চাঁদ দেখা না গেলে ৩০ রমজান শেষে ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হয়।
অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ডেপুটি হাইকমিশনার নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, যুদ্ধপ্রবণ এলাকায় চলাচলকারী জাহাজে কর্মরত বাংলাদেশি নাবিকসহ বিশ্বব্যাপী সমুদ্রকর্মীদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিয়ে বাংলাদেশ উদ্বিগ্ন।