
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরবের জেদ্দায় বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ হজ অফিসে উপসচিব মো. কামরুল ইসলামকে নতুন কাউন্সিলর (হজ) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের রোববারের (১৭ আগস্ট) এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, আগামী ৪ বছরের জন্য এ নিয়োগ আদেশ জারি করা হয়েছে।
এ নিয়োগের মধ্য দিয়ে কামরুল ইসলাম বর্তমান কাউন্সেলর (হজ) যুগ্ম সচিব মো. জহিরুল ইসলামের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন।
জেদ্দায় বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ হজ অফিসে সাংগঠনিক কাঠামোতে উপসচিব পদমর্যাদার পঞ্চম গ্রেডের 'কাউন্সেলর (হজ)' পদে ২০২০ সালের ১ নভেম্বর নিয়োগপ্রাপ্ত মো. জহিরুল ইসলামের নির্ধারিত চাকরির ৪ বছর মেয়াদ শেষ হয় ২০২৪ সালে। এ পদে নিয়োগের জন্য একই বছর ৮ সেপ্টেম্বর ধর্ম মন্ত্রণালয় বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিল।

সৌদি আরবের জেদ্দায় বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ হজ অফিসে উপসচিব মো. কামরুল ইসলামকে নতুন কাউন্সিলর (হজ) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের রোববারের (১৭ আগস্ট) এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, আগামী ৪ বছরের জন্য এ নিয়োগ আদেশ জারি করা হয়েছে।
এ নিয়োগের মধ্য দিয়ে কামরুল ইসলাম বর্তমান কাউন্সেলর (হজ) যুগ্ম সচিব মো. জহিরুল ইসলামের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন।
জেদ্দায় বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ হজ অফিসে সাংগঠনিক কাঠামোতে উপসচিব পদমর্যাদার পঞ্চম গ্রেডের 'কাউন্সেলর (হজ)' পদে ২০২০ সালের ১ নভেম্বর নিয়োগপ্রাপ্ত মো. জহিরুল ইসলামের নির্ধারিত চাকরির ৪ বছর মেয়াদ শেষ হয় ২০২৪ সালে। এ পদে নিয়োগের জন্য একই বছর ৮ সেপ্টেম্বর ধর্ম মন্ত্রণালয় বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিল।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।