
প্রতিবেদক, বিডিজেন

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অভিনেত্রী তানিন সুবহা মারা গেছেন। মঙ্গলবার (১০ জুন) সন্ধ্যা ৭টা ৫৭ মিনিটে তার লাইফ সাপোর্ট খুলে দেওয়া হয়েছে। তার বয়স হয়েছিল ৩১ বছর।
মঙ্গলবার রাতে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনিবাহী পরিষদের সদস্য সনি রহমান তানিন সুবহার মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, 'আজ [মঙ্গলবার] রাত ৭টা ৫৭ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন অভিনেত্রী তানিন সুবহা।'
২ জুন থেকে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন তানিন সুবহা। আগেই তাকে ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’ ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। লাইফ সাপোর্ট খুলে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। এর জন্য সুবহার স্বামীর অনুমতির অপেক্ষায় ছিলেন চিকিৎসকেরা। স্বামীর অনুমতি সাপেক্ষে মঙ্গলবার রাতে তার লাইফ সাপোর্ট খুলে ফেলা হয় বলে জানিয়েছে অভিনেত্রীর পরিবার।
তানিন সুবহার ছোট ভাই ইনজামুল রামিম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আপুকে আমাদের গ্রামের বাড়ি মাদারীপুর নিয়ে যাব। সেখানেই পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে সমাহিত করা হবে।’
২ জুন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তানিন সুবহা। এরপর আফতাবনগর বাসার কাছের একটি ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফেরেন তিনি। কিন্তু সন্ধ্যায় আবার অসুস্থ বোধ করেন তিনি। তাৎক্ষণিকভাবে বনশ্রীর একটি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রাখা হয়। অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকেরা উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দেন। এরপর মধ্যরাতে ধানমন্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে নেওয়ার পর তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।
তানিন সুবহার জন্ম মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার মোল্লারহাটে। তবে তার শৈশব কাটে বরিশালে নানাবাড়িতে। বাবার চাকরিসূত্রে পরিবারের সঙ্গে সৌদি আরবও থেকেছেন কয়েক বছর। ২০১২ সালে ‘ক্লোজআপ ওয়ান’ ও ‘ম্যাঙ্গোলি নাচো বাংলাদেশ নাচো’ প্রতিযোগিতায় নাম লেখান। পরবর্তীতে বিজ্ঞাপনচিত্র দিয়ে শোবিজে আসেন। এরপর অভিনয় করেন নাটক-সিনেমায়।
'মাটির পরী' সিনেমা দিয়ে তার চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়। এরপর নাম লেখান বেশ কিছু সিনেমায়। বর্তমানে এই নায়িকার বেশ কয়েকটি সিনেমা মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অভিনেত্রী তানিন সুবহা মারা গেছেন। মঙ্গলবার (১০ জুন) সন্ধ্যা ৭টা ৫৭ মিনিটে তার লাইফ সাপোর্ট খুলে দেওয়া হয়েছে। তার বয়স হয়েছিল ৩১ বছর।
মঙ্গলবার রাতে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনিবাহী পরিষদের সদস্য সনি রহমান তানিন সুবহার মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, 'আজ [মঙ্গলবার] রাত ৭টা ৫৭ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন অভিনেত্রী তানিন সুবহা।'
২ জুন থেকে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন তানিন সুবহা। আগেই তাকে ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’ ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। লাইফ সাপোর্ট খুলে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। এর জন্য সুবহার স্বামীর অনুমতির অপেক্ষায় ছিলেন চিকিৎসকেরা। স্বামীর অনুমতি সাপেক্ষে মঙ্গলবার রাতে তার লাইফ সাপোর্ট খুলে ফেলা হয় বলে জানিয়েছে অভিনেত্রীর পরিবার।
তানিন সুবহার ছোট ভাই ইনজামুল রামিম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আপুকে আমাদের গ্রামের বাড়ি মাদারীপুর নিয়ে যাব। সেখানেই পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে সমাহিত করা হবে।’
২ জুন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তানিন সুবহা। এরপর আফতাবনগর বাসার কাছের একটি ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফেরেন তিনি। কিন্তু সন্ধ্যায় আবার অসুস্থ বোধ করেন তিনি। তাৎক্ষণিকভাবে বনশ্রীর একটি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রাখা হয়। অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকেরা উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দেন। এরপর মধ্যরাতে ধানমন্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে নেওয়ার পর তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।
তানিন সুবহার জন্ম মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার মোল্লারহাটে। তবে তার শৈশব কাটে বরিশালে নানাবাড়িতে। বাবার চাকরিসূত্রে পরিবারের সঙ্গে সৌদি আরবও থেকেছেন কয়েক বছর। ২০১২ সালে ‘ক্লোজআপ ওয়ান’ ও ‘ম্যাঙ্গোলি নাচো বাংলাদেশ নাচো’ প্রতিযোগিতায় নাম লেখান। পরবর্তীতে বিজ্ঞাপনচিত্র দিয়ে শোবিজে আসেন। এরপর অভিনয় করেন নাটক-সিনেমায়।
'মাটির পরী' সিনেমা দিয়ে তার চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়। এরপর নাম লেখান বেশ কিছু সিনেমায়। বর্তমানে এই নায়িকার বেশ কয়েকটি সিনেমা মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।