
প্রতিবেদক, বিডিজেন

বাংলাদেশে মার্চ মাসে রেকর্ড ৩২৯ কোটি (৩.২৯ বিলিয়ন) ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
ঈদুল ফিতর ঘিরে আসা এই রেমিট্যান্স ২০২৪ সালের একই সময়ের তুলনায় ৬৫ শতাংশ বেশি।
মার্চের প্রথম ২৬ দিনেই রেমিট্যান্সের পরিমাণ ২৯৪ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছিল, যা আগের মাসের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে।
চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ১৭৭ কোটি ডলার। আগের বছরের একই সময়ে এটি ছিল ১ হাজার ৬৬৯ কোটি ডলার।
মূলত সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়তে শুরু করে। সেই সময়ে এটি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮০.২৮ শতাংশ বেড়ে ২৪০ কোটি ডলারে পৌঁছায়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ১৯১ কোটি ৩৮ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে এবং আগস্টে যার পরিমাণ ছিল ২২২ কোটি ১৩ লাখ ২০ হাজার ডলার। সেপ্টেম্বরে ২৪০ কোটি ৪১ লাখ ডলার, অক্টোবরে ২৩৯ কোটি ৫০ লাখ, নভেম্বর মাসে ২২০ কোটি, ডিসেম্বরে ২৬৪ কোটি, জানুয়ারিতে ২১৯ কোটি ডলার এবং ফেব্রুয়ারিতে ২৫৩ কোটি ডলার।
রেমিট্যান্সের ক্রমাগত বৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে চাপ কমাতে ও তারল্য সংকট কাটাতে সহায়তা করেছে।

বাংলাদেশে মার্চ মাসে রেকর্ড ৩২৯ কোটি (৩.২৯ বিলিয়ন) ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
ঈদুল ফিতর ঘিরে আসা এই রেমিট্যান্স ২০২৪ সালের একই সময়ের তুলনায় ৬৫ শতাংশ বেশি।
মার্চের প্রথম ২৬ দিনেই রেমিট্যান্সের পরিমাণ ২৯৪ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছিল, যা আগের মাসের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে।
চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ১৭৭ কোটি ডলার। আগের বছরের একই সময়ে এটি ছিল ১ হাজার ৬৬৯ কোটি ডলার।
মূলত সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়তে শুরু করে। সেই সময়ে এটি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮০.২৮ শতাংশ বেড়ে ২৪০ কোটি ডলারে পৌঁছায়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ১৯১ কোটি ৩৮ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে এবং আগস্টে যার পরিমাণ ছিল ২২২ কোটি ১৩ লাখ ২০ হাজার ডলার। সেপ্টেম্বরে ২৪০ কোটি ৪১ লাখ ডলার, অক্টোবরে ২৩৯ কোটি ৫০ লাখ, নভেম্বর মাসে ২২০ কোটি, ডিসেম্বরে ২৬৪ কোটি, জানুয়ারিতে ২১৯ কোটি ডলার এবং ফেব্রুয়ারিতে ২৫৩ কোটি ডলার।
রেমিট্যান্সের ক্রমাগত বৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে চাপ কমাতে ও তারল্য সংকট কাটাতে সহায়তা করেছে।
জামাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একইসঙ্গে নামাজ আদায় করেন। তাদের সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, রাজনীতিবিদ ও কূটনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ জামাতে অংশ নেন।
মরদেহ হস্তান্তরকালে মন্ত্রী নিহত মোশাররফ হোসেনের পরিবারকে দাফন কার্য সম্পন্নের জন্য ৫০ হাজার টাকার চেক প্রদান করেন। এ ছাড়া, ওয়েজ আর্নাস কল্যাণ বোর্ডের পক্ষ থেকে ঈদের পর নিহতের পরিবারকে তিন লাখ টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করা হবে বলে তিনি জানান।
হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২৯ বা ৩০ দিনে মাস হয়ে থাকে। ২৯ রমজান শেষে যদি চাঁদ দেখা যায়, তাহলে পরদিন ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হয়। আর চাঁদ দেখা না গেলে ৩০ রমজান শেষে ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হয়।
অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ডেপুটি হাইকমিশনার নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, যুদ্ধপ্রবণ এলাকায় চলাচলকারী জাহাজে কর্মরত বাংলাদেশি নাবিকসহ বিশ্বব্যাপী সমুদ্রকর্মীদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিয়ে বাংলাদেশ উদ্বিগ্ন।