
প্রতিবেদক, বিডিজেন

সরকারি চাকরি আইন সংশোধন ইস্যুতে দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ করেছে সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। আজ রোববার (২৫ মে) বেলা ১১টার দিকে এ কর্মসূচি শুরু হয়।
সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি নুরুল ইসলাম জানান, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-তে বিলুপ্ত ১৯৭৯ সালের বিশেষ আইনের একটি বিতর্কিত ধারা যুক্ত করা হয়েছে, যা তদন্ত ছাড়াই মাত্র ৮ দিনের নোটিশে কোনো কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করার সুযোগ দেয়।
নুরুল ইসলাম বলেন, এই আইন কর্মচারীদের পেশাগত বিকাশের বদলে একটি ভয়ভীতিমূলক ও দমনমূলক পরিবেশ তৈরি করছে। তিনি আরও জানান, এটি একটি ‘কালো আইন’ হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে, যা সচিবালয়ে দাসত্বের পরিবেশ তৈরি করছে এবং সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিচ্ছে।
সম্প্রতি প্রশাসনে শৃঙ্খলা ফেরাতে সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ (সংশোধিত), ২০১৮’ এর খসড়া করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এখন এটি উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে রয়েছে।

সরকারি চাকরি আইন সংশোধন ইস্যুতে দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ করেছে সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। আজ রোববার (২৫ মে) বেলা ১১টার দিকে এ কর্মসূচি শুরু হয়।
সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি নুরুল ইসলাম জানান, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-তে বিলুপ্ত ১৯৭৯ সালের বিশেষ আইনের একটি বিতর্কিত ধারা যুক্ত করা হয়েছে, যা তদন্ত ছাড়াই মাত্র ৮ দিনের নোটিশে কোনো কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করার সুযোগ দেয়।
নুরুল ইসলাম বলেন, এই আইন কর্মচারীদের পেশাগত বিকাশের বদলে একটি ভয়ভীতিমূলক ও দমনমূলক পরিবেশ তৈরি করছে। তিনি আরও জানান, এটি একটি ‘কালো আইন’ হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে, যা সচিবালয়ে দাসত্বের পরিবেশ তৈরি করছে এবং সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিচ্ছে।
সম্প্রতি প্রশাসনে শৃঙ্খলা ফেরাতে সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ (সংশোধিত), ২০১৮’ এর খসড়া করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এখন এটি উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে রয়েছে।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।