
বিডিজেন ডেস্ক

মৌলভীবাজারে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সাকিব চৌধুরী সোহান (১৮) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন।
খবর আজকের পত্রিকার।
বুধবার (১৩ নভেম্বর) রাতে সদর উপজেলার কামালপুর নতুন ব্রিজ এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। সোহান উপজেলার আখাইলকুরা গ্রামের কমরু মিয়া চৌধুরীর ছেলে।
নিহত সোহানের মামা এমদাদুর রহমান রেণু আজকের পত্রিকাকে এই তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, সোহান কিছুদিন হয় তাঁর মাকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে বেড়াতে এসেছে। গতকাল রাতে সে তার নানাবাড়ি নালিহুরী থেকে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফিরছিল। কামালপুর নতুন ব্রিজের মধ্যবর্তী স্থানে বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই সে মারা যায়।
মৌলভীবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমানও ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
সূত্র: আজকের পত্রিকা

মৌলভীবাজারে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সাকিব চৌধুরী সোহান (১৮) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন।
খবর আজকের পত্রিকার।
বুধবার (১৩ নভেম্বর) রাতে সদর উপজেলার কামালপুর নতুন ব্রিজ এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। সোহান উপজেলার আখাইলকুরা গ্রামের কমরু মিয়া চৌধুরীর ছেলে।
নিহত সোহানের মামা এমদাদুর রহমান রেণু আজকের পত্রিকাকে এই তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, সোহান কিছুদিন হয় তাঁর মাকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে বেড়াতে এসেছে। গতকাল রাতে সে তার নানাবাড়ি নালিহুরী থেকে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফিরছিল। কামালপুর নতুন ব্রিজের মধ্যবর্তী স্থানে বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই সে মারা যায়।
মৌলভীবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমানও ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।