
প্রতিবেদক, বিডিজেন

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে থাকা ৩ থেকে ৪টি মামলার আনুষ্ঠানিক রায় আগামী অক্টোবরের মধ্যে হয়ে যাবে বলে আশা করেছেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। এসব মামলায় শেখ হাসিনা ছাড়াও আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতা ও কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান তিনি।
আসিফ নজরুল বলেন, ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠনের পর জুলাই গণহত্যার ৩০০টি অভিযোগ এসেছে। এর মধ্যে প্রসিকিউসন অফিস ১৬টি মামলা দায়ের করেছে। ৪টি মামলার তদন্ত কাজ শেষ হবে এ মাসে। এরপর যাচাই-বাছাই শেষে আনুষ্ঠানিক বিচার কাজ শুরু হবে। এতে তিন সপ্তাহ সময় লাগবে। এরপর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ঈদের পর বিচার কাজ শুরু হবে। অক্টোবরের মধ্যে ৩ থেকে ৪টি মামলার আনুষ্ঠানিক রায় হয়ে যাবে। এসব মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ অন্যরা অভিযুক্ত হিসেবে রয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘সাইবার সিকিউরিটি আইনে মত প্রকাশের স্বাধীনতা সংক্রান্ত ৩৯৬টি মামলা বিচারাধীন ছিল। এর মধ্যে ৩৩২টি মামলা প্রত্যাহার হয়েছে। বাকি ৬১টি মামলা ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রত্যাহার হয়ে যাবে। ৩টি মামলা উচ্চ আদালতে বিচারাধীন থাকায় প্রত্যাহার হচ্ছে না।’
আসিফ নজরুল জানান, ‘আওয়ামী লীগের আমলে ১৬ হাজার ৪২৯টি ‘গায়েবি’ মামলার মধ্যে ১ হাজার ২১৪টি মামলা এক সপ্তাহের মধ্যে প্রত্যাহার হবে। এর মধ্যে ৫৩টি মামলা আজ–কালের মধ্যে প্রত্যাহার হবে।’
তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তারে ইন্টারপোলের রেড অ্যালার্টের আবেদন করা হয়েছে। তারা তাদের অবস্থান থেকে ব্যবস্থা নেবে। শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ভারতের মনোভঙ্গি ইতিবাচক না। মনে হয়, তারা শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে দেবে না। বরং ভারত চায় এই ইস্যুতে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে।’
গৃহযুদ্ধের কথা বলে অপপ্রচার ও কুৎসা করা হচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যা ইচ্ছা তা বলে যাচ্ছে, এগুলো পাত্তা দেওয়া যাবে না। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা ষড়যন্ত্র ও অপরাধ সংঘটিত করতে পারে এমন গোয়েন্দা তথ্যে অপারেশন ডেভিল হান্ট শুরু করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে, সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে যাতে কোনো প্রাণহানি না হয়।’

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে থাকা ৩ থেকে ৪টি মামলার আনুষ্ঠানিক রায় আগামী অক্টোবরের মধ্যে হয়ে যাবে বলে আশা করেছেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। এসব মামলায় শেখ হাসিনা ছাড়াও আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতা ও কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান তিনি।
আসিফ নজরুল বলেন, ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠনের পর জুলাই গণহত্যার ৩০০টি অভিযোগ এসেছে। এর মধ্যে প্রসিকিউসন অফিস ১৬টি মামলা দায়ের করেছে। ৪টি মামলার তদন্ত কাজ শেষ হবে এ মাসে। এরপর যাচাই-বাছাই শেষে আনুষ্ঠানিক বিচার কাজ শুরু হবে। এতে তিন সপ্তাহ সময় লাগবে। এরপর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ঈদের পর বিচার কাজ শুরু হবে। অক্টোবরের মধ্যে ৩ থেকে ৪টি মামলার আনুষ্ঠানিক রায় হয়ে যাবে। এসব মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ অন্যরা অভিযুক্ত হিসেবে রয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘সাইবার সিকিউরিটি আইনে মত প্রকাশের স্বাধীনতা সংক্রান্ত ৩৯৬টি মামলা বিচারাধীন ছিল। এর মধ্যে ৩৩২টি মামলা প্রত্যাহার হয়েছে। বাকি ৬১টি মামলা ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রত্যাহার হয়ে যাবে। ৩টি মামলা উচ্চ আদালতে বিচারাধীন থাকায় প্রত্যাহার হচ্ছে না।’
আসিফ নজরুল জানান, ‘আওয়ামী লীগের আমলে ১৬ হাজার ৪২৯টি ‘গায়েবি’ মামলার মধ্যে ১ হাজার ২১৪টি মামলা এক সপ্তাহের মধ্যে প্রত্যাহার হবে। এর মধ্যে ৫৩টি মামলা আজ–কালের মধ্যে প্রত্যাহার হবে।’
তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তারে ইন্টারপোলের রেড অ্যালার্টের আবেদন করা হয়েছে। তারা তাদের অবস্থান থেকে ব্যবস্থা নেবে। শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ভারতের মনোভঙ্গি ইতিবাচক না। মনে হয়, তারা শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে দেবে না। বরং ভারত চায় এই ইস্যুতে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে।’
গৃহযুদ্ধের কথা বলে অপপ্রচার ও কুৎসা করা হচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যা ইচ্ছা তা বলে যাচ্ছে, এগুলো পাত্তা দেওয়া যাবে না। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা ষড়যন্ত্র ও অপরাধ সংঘটিত করতে পারে এমন গোয়েন্দা তথ্যে অপারেশন ডেভিল হান্ট শুরু করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে, সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে যাতে কোনো প্রাণহানি না হয়।’
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।