
বিডিজেন ডেস্ক

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার এক নারীর স্বামী ও ৪ ভাই প্রবাসী। সবাই ব্যাংকের মাধ্যমে তাঁর কাছে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় পাঠান। ২০২৪ সালে তিনি বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের (বিকেবি) রেমিট্যান্স উৎসবে আয়োজিত লটারিতে সারা দেশের মধ্যে প্রথম হয়েছেন। এর বদৌলতে তিনি মেগা পুরস্কার হিসেবে সোনার হার ও এক জোড়া কানের দুল জিতেছেন। ওই নারীর নাম বীথি আক্তার। তিনি জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার বাসিন্দা।
রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) কৃষি ব্যাংকের বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ছয়ফুল্লাকান্দি বাজার শাখায় এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বীথি আক্তারের হাতে পুরস্কার তুলে দেয় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
খবর প্রথম আলোর।
অনুষ্ঠানের ফাঁকে আলাপকালে জানা যায়, বীথির স্বামী আবুল কাশেম কুয়েতপ্রবাসী। বীথির বড় ভাই আলমগীর হোসেন মালয়েশিয়ায়, দ্বিতীয় ভাই জাকির হোসেন সুইডেনে, তৃতীয় ও চতুর্থ ভাই যথাক্রমে জামিরুল ইসলাম ও কামরুল ইসলাম সিঙ্গাপুরে থাকেন। বীথি সুইডেনপ্রবাসী ভাই জাকির হোসেনের পাঠানো রেমিট্যান্সের বিপরীতে লটারি জিতেছেন। সে ভাই তখন তাঁকে ১ লাখ ৪৭ হাজার টাকা পাঠিয়েছিলেন।
২০২৪ সালের ১৯ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত চার সপ্তাহব্যাপী রেমিট্যান্স উৎসবের আয়োজন করে কৃষি ব্যাংক। ওই সময়ের মধ্যে প্রবাসীরা কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে যাদের কাছে রেমিট্যান্স পাঠান, তাদের নিয়ে প্রতি সপ্তাহে লটারিতে ১০টি করে মোট ৪১টি পুরস্কারের জন্য বিজয়ী নির্বাচিত করা হয়। তাতে সারা দেশে বিকেবির ১ হাজার ৩৮টি শাখার মধ্যে বাঞ্ছারামপুরের ছয়ফুল্লাকান্দি বাজার শাখার গ্রাহক বীথি প্রথম হন।
রোববার ছয়ফুল্লাকান্দি বাজার শাখায় আয়োজিত রেমিট্যান্স উৎসব মেগা পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) মো. আবদুর রহিম।
ছয়ফুল্লাকান্দি বাজার শাখার ব্যবস্থাপক মো. মোসাব্বির হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ব্যাংকের কুমিল্লা বিভাগীয় কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) আশরাফুজ্জামান খান, ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের জিএম গোলাম মো. আরিফ, প্রধান কার্যালয়ের জিএম মো. মোস্তাফিজুর রহমান, কুমিল্লার উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) আবদুল আহাদ খান ও মোহাম্মদ ইউসুফ খান এবং শাহ রাহাত আলী কলেজের অধ্যক্ষ জাকির হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
বীথি আক্তার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আনুমানিক ১৫ দিন আগে কৃষি ব্যাংকের একজন বড় কর্মকর্তা ফোন করে জানালেন আমি মেগা পুরস্কার হিসেবে সোনার হার জিতেছি। প্রথমে বিশ্বাস হয়নি। পরে গ্রামের ব্যাংক (শাখা) থেকেও ফোন করে একই বিষয় জানায়, তখন বিষয়টি বিশ্বাস হয়েছে।’
পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বিকেবির ডিএমডি মো. আবদুর রহিম বলেন, ‘১০ লাখ গ্রাহকের মধ্য থেকে লটারিতে বীথি প্রথম হয়েছেন। তিনি মেগা পুরস্কারে সোনার হার ও কানের দুল পেয়েছেন।’
বিকেবি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ব্যাংকটি মোট ৭ হাজার ৭৮৫ কোটি ৭৩ লাখ টাকার রেমিট্যান্স এনেছে। আর ২০২৪ সালে ব্যাংকটি দেশে ১ হাজার ৮১ মিলিয়ন ডলারের (১২ হাজার ২২৯ কোটি ৯৪ লাখ টাকা) প্রবাসী আয় এনেছে।
সূত্র: প্রথম আলো

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার এক নারীর স্বামী ও ৪ ভাই প্রবাসী। সবাই ব্যাংকের মাধ্যমে তাঁর কাছে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় পাঠান। ২০২৪ সালে তিনি বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের (বিকেবি) রেমিট্যান্স উৎসবে আয়োজিত লটারিতে সারা দেশের মধ্যে প্রথম হয়েছেন। এর বদৌলতে তিনি মেগা পুরস্কার হিসেবে সোনার হার ও এক জোড়া কানের দুল জিতেছেন। ওই নারীর নাম বীথি আক্তার। তিনি জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার বাসিন্দা।
রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) কৃষি ব্যাংকের বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ছয়ফুল্লাকান্দি বাজার শাখায় এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বীথি আক্তারের হাতে পুরস্কার তুলে দেয় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
খবর প্রথম আলোর।
অনুষ্ঠানের ফাঁকে আলাপকালে জানা যায়, বীথির স্বামী আবুল কাশেম কুয়েতপ্রবাসী। বীথির বড় ভাই আলমগীর হোসেন মালয়েশিয়ায়, দ্বিতীয় ভাই জাকির হোসেন সুইডেনে, তৃতীয় ও চতুর্থ ভাই যথাক্রমে জামিরুল ইসলাম ও কামরুল ইসলাম সিঙ্গাপুরে থাকেন। বীথি সুইডেনপ্রবাসী ভাই জাকির হোসেনের পাঠানো রেমিট্যান্সের বিপরীতে লটারি জিতেছেন। সে ভাই তখন তাঁকে ১ লাখ ৪৭ হাজার টাকা পাঠিয়েছিলেন।
২০২৪ সালের ১৯ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত চার সপ্তাহব্যাপী রেমিট্যান্স উৎসবের আয়োজন করে কৃষি ব্যাংক। ওই সময়ের মধ্যে প্রবাসীরা কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে যাদের কাছে রেমিট্যান্স পাঠান, তাদের নিয়ে প্রতি সপ্তাহে লটারিতে ১০টি করে মোট ৪১টি পুরস্কারের জন্য বিজয়ী নির্বাচিত করা হয়। তাতে সারা দেশে বিকেবির ১ হাজার ৩৮টি শাখার মধ্যে বাঞ্ছারামপুরের ছয়ফুল্লাকান্দি বাজার শাখার গ্রাহক বীথি প্রথম হন।
রোববার ছয়ফুল্লাকান্দি বাজার শাখায় আয়োজিত রেমিট্যান্স উৎসব মেগা পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) মো. আবদুর রহিম।
ছয়ফুল্লাকান্দি বাজার শাখার ব্যবস্থাপক মো. মোসাব্বির হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ব্যাংকের কুমিল্লা বিভাগীয় কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) আশরাফুজ্জামান খান, ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের জিএম গোলাম মো. আরিফ, প্রধান কার্যালয়ের জিএম মো. মোস্তাফিজুর রহমান, কুমিল্লার উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) আবদুল আহাদ খান ও মোহাম্মদ ইউসুফ খান এবং শাহ রাহাত আলী কলেজের অধ্যক্ষ জাকির হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
বীথি আক্তার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আনুমানিক ১৫ দিন আগে কৃষি ব্যাংকের একজন বড় কর্মকর্তা ফোন করে জানালেন আমি মেগা পুরস্কার হিসেবে সোনার হার জিতেছি। প্রথমে বিশ্বাস হয়নি। পরে গ্রামের ব্যাংক (শাখা) থেকেও ফোন করে একই বিষয় জানায়, তখন বিষয়টি বিশ্বাস হয়েছে।’
পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বিকেবির ডিএমডি মো. আবদুর রহিম বলেন, ‘১০ লাখ গ্রাহকের মধ্য থেকে লটারিতে বীথি প্রথম হয়েছেন। তিনি মেগা পুরস্কারে সোনার হার ও কানের দুল পেয়েছেন।’
বিকেবি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ব্যাংকটি মোট ৭ হাজার ৭৮৫ কোটি ৭৩ লাখ টাকার রেমিট্যান্স এনেছে। আর ২০২৪ সালে ব্যাংকটি দেশে ১ হাজার ৮১ মিলিয়ন ডলারের (১২ হাজার ২২৯ কোটি ৯৪ লাখ টাকা) প্রবাসী আয় এনেছে।
সূত্র: প্রথম আলো
জামাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একইসঙ্গে নামাজ আদায় করেন। তাদের সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, রাজনীতিবিদ ও কূটনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ জামাতে অংশ নেন।
মরদেহ হস্তান্তরকালে মন্ত্রী নিহত মোশাররফ হোসেনের পরিবারকে দাফন কার্য সম্পন্নের জন্য ৫০ হাজার টাকার চেক প্রদান করেন। এ ছাড়া, ওয়েজ আর্নাস কল্যাণ বোর্ডের পক্ষ থেকে ঈদের পর নিহতের পরিবারকে তিন লাখ টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করা হবে বলে তিনি জানান।
হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২৯ বা ৩০ দিনে মাস হয়ে থাকে। ২৯ রমজান শেষে যদি চাঁদ দেখা যায়, তাহলে পরদিন ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হয়। আর চাঁদ দেখা না গেলে ৩০ রমজান শেষে ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হয়।
অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ডেপুটি হাইকমিশনার নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, যুদ্ধপ্রবণ এলাকায় চলাচলকারী জাহাজে কর্মরত বাংলাদেশি নাবিকসহ বিশ্বব্যাপী সমুদ্রকর্মীদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিয়ে বাংলাদেশ উদ্বিগ্ন।