
বিডিজেন ডেস্ক

ইরান-ইসরায়েলের সামরিক হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথে ব্যাপক অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। তেহরান পাল্টা হামলা চালানোর পর নিরাপত্তাজনিত কারণে বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশ থেকেও মধ্যপ্রাচ্যগামী ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।
আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।
একইভাবে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসও ঢাকা থেকে ফ্লাইট বন্ধ রেখেছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। দুবাইয়ে অবস্থানরত তাদের একটি ফ্লাইট নিরাপদে রয়েছে।
এদিকে, ঢাকা থেকে দাম্মামগামী বিমান বিজি৩৪৯ ফ্লাইটটি মাঝপথ থেকে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছে। পরিস্থিতি উন্নতির আগে আন্তর্জাতিক রুট স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা কম বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট মহল।
যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের আমেরিকান স্থাপনা লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা আঘাতের পর ওই অঞ্চলের আকাশপথ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের এয়ারস্পেসে বড় ধরনের বিঘ্ন তৈরি হয়েছে, যার প্রভাব বাংলাদেশ থেকে গন্তব্যে যাওয়া সব ফ্লাইটেই পড়েছে।
পরিস্থিতি স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশি এয়ারলাইনসগুলো বিকল্প কোনো ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা করছে না।

ইরান-ইসরায়েলের সামরিক হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথে ব্যাপক অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। তেহরান পাল্টা হামলা চালানোর পর নিরাপত্তাজনিত কারণে বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশ থেকেও মধ্যপ্রাচ্যগামী ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।
আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।
একইভাবে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসও ঢাকা থেকে ফ্লাইট বন্ধ রেখেছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। দুবাইয়ে অবস্থানরত তাদের একটি ফ্লাইট নিরাপদে রয়েছে।
এদিকে, ঢাকা থেকে দাম্মামগামী বিমান বিজি৩৪৯ ফ্লাইটটি মাঝপথ থেকে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছে। পরিস্থিতি উন্নতির আগে আন্তর্জাতিক রুট স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা কম বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট মহল।
যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের আমেরিকান স্থাপনা লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা আঘাতের পর ওই অঞ্চলের আকাশপথ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের এয়ারস্পেসে বড় ধরনের বিঘ্ন তৈরি হয়েছে, যার প্রভাব বাংলাদেশ থেকে গন্তব্যে যাওয়া সব ফ্লাইটেই পড়েছে।
পরিস্থিতি স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশি এয়ারলাইনসগুলো বিকল্প কোনো ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা করছে না।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে নানা অভিযোগ ও সংকটে বৈদেশিক শ্রমবাজার সংকুচিত হয়েছে। ২০২৪ সালের মে মাসের পর থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। এর আগেও নানা অভিযোগের কারণে দেশটির শ্রমবাজার বন্ধ হয়েছে।
প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করে। তাদের অনেকে লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ কার্যক্রমের মাধ্যমে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট-৬-এর লক্ষ্য অর্জনে জাতীয় প্রচেষ্টা আরও বেগবান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।