বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেন, ৩০ জুনের মধ্যে ফ্লাইট চালুর কথা বলা হলেও প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতার জন্য তা ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সরাসরি ঢাকা-কোরিয়া ফ্লাইট না থাকায় প্রবাসীদের অধিকাংশ সময় তৃতীয় কোনো দেশের মাধ্যমে যাতায়াত করতে হয়। এতে সময় বেশি লাগে, ভাড়া তুলনামূলক বেশি পড়ে এবং অনেক ক্ষেত্রে ট্রানজিট–জটিলতা তৈরি হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জরুরি প্রয়োজনে দেশে ফিরতে ইচ্ছুক প্রবাসীদের জন্য সৌদি আরবের দাম্মাম ও কাইসুমা বিমানবন্দর ব্যবহার করে বিকল্প রুট চালুর কাজ চলছে।
আজ মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে কুয়েত এয়ারওয়েজের ২টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার ৬টি, গালফ এয়ারের ৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৪টি, এমিরেটস এয়ারলাইনসের ২টি, জাজিরা এয়ারওয়েজের ৪টি এবং ফ্লাইদুবাইয়ের ৪টি ফ্লাইট রয়েছে।
দূতাবাসের বার্তায় বলা হয়, আগ্রহী যাত্রীরা সরাসরি কাতার এয়ারওয়েজের ওয়েবসাইট অথবা ট্রাভেল এজেন্টের মাধ্যমে এসব ফ্লাইটের টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন। বিশেষ এই দুই ফ্লাইটের নির্ধারিত সময় সকাল ১০টা।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) জানিয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আজ ১০ মার্চ পর্যন্ত ৩৬৭টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
বোসরা ইসলাম বলেন, “যাত্রীদের অবগতির জন্য আমরা জানাচ্ছি যে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্যগামী যেসব ফ্লাইট স্থগিত রাখা হয়েছিল, তার মধ্যে দোহা, শারজাহ, কুয়েত ও দাম্মাম রুটের ফ্লাইটগুলো পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।”
প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী বলেন, প্রবাসীদের নানা সমস্যা সমাধানে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে যারা নিহত হয়েছেন, তাদের বিষয়ে খবর পাওয়া মাত্রই সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারকে অবহিত করা হয়েছে। প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় নিয়মিত এ বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছে।
বেবিচক জানিয়েছে, ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাতিল হওয়া এসব ফ্লাইটের মধ্যে রয়েছে দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ, দাম্মাম, দোহা ও কুয়েত।
আজ বুধবার বাতিল হওয়া ২৫টি ফ্লাইটের মধ্যে কাতার এয়ারওয়েজের ৪টি, এমিরেটস এয়ারলাইনসের ৫টি, কুয়েত এয়ারওয়েজের ২টি, জাজিরা এয়ারওয়েজের ২টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার ৮টি ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ৪টি ফ্লাইট রয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ঢাকা-সিলেট-ম্যানচেস্টার রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত মূলত বহর ও অপারেশনাল বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ম্যানচেস্টার রুটটি বিমানের জন্য অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক নয়।
নতুন ফ্লাইটটি প্রতি সোমবার, মঙ্গলবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রামের উদ্দেশে এবং চট্টগ্রাম থেকে বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়ন করবে।
বন্দর নগরী চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে আবার ফ্লাইট চালু করতে যাচ্ছে দুই আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনস। যাত্রীদের চাহিদা বিবেচনায় ফ্লাই দুবাই ও সালাম এয়ার শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইট পরিচালনা করবে।
দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইনসের একটি বোয়িং ৭৮৭ উড়োজাহাজের চাকা বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রায় ৩২ ঘণ্টা ধরে যাত্রা বিঘ্নিত হয়।
আগামী বুধবার (২১ মে) থেকে আবার অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করছে বেসরকারি বিমান সংস্থা নভোএয়ার। পাশাপাশি টিকিটের মূল্যে ১৫% ছাড়ের ঘোষণা দিয়েছে সংস্থাটি।
বিবিসি জানিয়েছে, বেশ কয়েকটি ভারতীয় উড়োজাহাজ সংস্থা ভারত–নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরে তাদের ফ্লাইট চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে। রাজস্থান ও পাঞ্জাবসহ সীমান্তবর্তী কয়েকটি নগরেও উড়োজাহাজ চলাচল বাতিল করা হয়েছে।
বাংলাদেশের বেসরকারি ৩ এয়ারলাইনসের অন্যতম নভোএয়ার তাদের ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ করে দিয়েছে। নভোএয়ারের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, 'আজ (শনিবার, ৩ মে) থেকে নভোএয়ারের ফ্লাইট পরিচালনা সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে।'
বাংলাদেশের উন্নয়নে রেমিট্যান্সযোদ্ধাদের অবদান অনস্বীকার্য। পরিবার-পরিজন থেকে শুরু করে নিজের দেশের মাটি-মায়াকে পেছনে ফেলে তারা জীবনের সব কঠিন বাস্তবতাকে সঙ্গী করে ভিনদেশের মাটিতে কাজ করেন। আর তাদের এই কঠোর পরিশ্রম ও ত্যাগের বিনিময়ে উপার্জিত অর্থই দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বাংলাদেশের উন্নয়নে রেমিট্যান্সযোদ্ধাদের অবদান অনস্বীকার্য। পরিবার-পরিজন থেকে শুরু করে নিজের দেশের মাটি-মায়াকে পেছনে ফেলে তারা জীবনের সব কঠিন বাস্তবতাকে সঙ্গী করে ভিনদেশের মাটিতে কাজ করেন। আর তাদের এই কঠোর পরিশ্রম ও ত্যাগের বিনিময়ে উপার্জিত অর্থই দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
০১ মে ২০২৫