
বিডিজেন ডেস্ক

নাটোরের বড়াইগ্রামে ট্রাক ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে অন্তত ৬ জন নিহত হয়েছে। নিহতদের সকলেই মাইক্রোবাসের যাত্রী ছিল। তাদের মধ্যে ৫ জনই নারী।
খবর দ্য ডেইলি স্টারের।
আজ বুধবার (২৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার সিরামপুর আইড়মারী ব্রিজ এলাকায় বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে ৫ জন নারী ও ১ জন পুরুষ। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।
এ বিষয়ে বরাইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সারোয়ার হোসেন বলেন, নাটোর থেকে ঢাকাগামী মাইক্রোবাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে মাইক্রোবাসটি একেবারে দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ৫ জন নিহত হয়।
এ ছাড়া, চালকসহ আহত ২ জনকে স্থানীয় হাসপাতালে নিলে সেখানে আরও ১ জনের মৃত্যু হয়। আহত চালকের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন ওসি গোলাম সারোয়ার।
সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার

নাটোরের বড়াইগ্রামে ট্রাক ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে অন্তত ৬ জন নিহত হয়েছে। নিহতদের সকলেই মাইক্রোবাসের যাত্রী ছিল। তাদের মধ্যে ৫ জনই নারী।
খবর দ্য ডেইলি স্টারের।
আজ বুধবার (২৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার সিরামপুর আইড়মারী ব্রিজ এলাকায় বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে ৫ জন নারী ও ১ জন পুরুষ। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।
এ বিষয়ে বরাইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সারোয়ার হোসেন বলেন, নাটোর থেকে ঢাকাগামী মাইক্রোবাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে মাইক্রোবাসটি একেবারে দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ৫ জন নিহত হয়।
এ ছাড়া, চালকসহ আহত ২ জনকে স্থানীয় হাসপাতালে নিলে সেখানে আরও ১ জনের মৃত্যু হয়। আহত চালকের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন ওসি গোলাম সারোয়ার।
সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।