
প্রতিবেদক, বিডিজেন
এ বছর হজে ৪৫ বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া, ৮ হাজার ৯২ হাজি হারিয়ে গিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে ৮২ বছর বয়সী একজনকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
আজ রোববার (১৩ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ধর্ম উপদেষ্টা আ আ খ ম খালিদ হোসেন।
তিনি আরও জানান, সরকারি ব্যবস্থাপনায় এ বছর হজে বাড়িভাড়া কিছুটা কম দামে পাওয়ায় প্রত্যেকে টাকা ফেরত পাবেন। ৫ হাজার ৩১৫ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫৩ হাজার ৬৪২ টাকা পর্যন্ত ফেরত পাবেন। প্যাকেজ অনুযায়ী এই টাকা হজযাত্রীদের মধ্যে ফেরত দেওয়া হবে।
এ বছর হজযাত্রীদের সেবায় সরকারের পক্ষ থেকে ১০ কোটি টাকার ওষুধের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
ধর্ম উপদেষ্টা আরও জানান, আগামী বছরের হজ প্যাকেজ এবারের চেয়ে যাতে আগামীতে আরও ভালোভাবে কার্যক্রম সম্পন্ন করা যায় এবং টাকার পরিমাণ কমানো যায় এ বিষয়ে আলোচনা চলছে।
এ বছর হজে ৪৫ বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া, ৮ হাজার ৯২ হাজি হারিয়ে গিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে ৮২ বছর বয়সী একজনকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
আজ রোববার (১৩ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ধর্ম উপদেষ্টা আ আ খ ম খালিদ হোসেন।
তিনি আরও জানান, সরকারি ব্যবস্থাপনায় এ বছর হজে বাড়িভাড়া কিছুটা কম দামে পাওয়ায় প্রত্যেকে টাকা ফেরত পাবেন। ৫ হাজার ৩১৫ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫৩ হাজার ৬৪২ টাকা পর্যন্ত ফেরত পাবেন। প্যাকেজ অনুযায়ী এই টাকা হজযাত্রীদের মধ্যে ফেরত দেওয়া হবে।
এ বছর হজযাত্রীদের সেবায় সরকারের পক্ষ থেকে ১০ কোটি টাকার ওষুধের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
ধর্ম উপদেষ্টা আরও জানান, আগামী বছরের হজ প্যাকেজ এবারের চেয়ে যাতে আগামীতে আরও ভালোভাবে কার্যক্রম সম্পন্ন করা যায় এবং টাকার পরিমাণ কমানো যায় এ বিষয়ে আলোচনা চলছে।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।