
প্রতিবেদক, বিডিজেন

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা এবং জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বিয়ে করেছেন।
শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি স্ট্যাটাস দেন স্থানীয় সরকার এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া।
পোস্টের সঙ্গে একটি ছবিও যুক্ত করেন আসিফ মাহমুদ, যেখানে বিয়ের সাজে সজ্জিত সারজিস আলমের সঙ্গে তিনি, তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম এবং উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের পাশাপাশি রয়েছেন হাসনাত আব্দুল্লাহসহ আরও অনেকে।
ছবির ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘নবজীবনে পদার্পণে অভিনন্দন সার্জিস ভাই। বিবাহিত জীবন সুখের হোক।’
এর ৮ মিনিট পর একই ধরনের আরেকটি ছবি পোস্ট করে হাসানাত আব্দুল্লাহ লেখেন, ‘অভিনন্দন, বন্ধু, সারজিস! আজীবন একসঙ্গে ভালোবাসা ও সুন্দর মুহূর্তের মধ্যে থাকো—এই কামনা করি।’
বিয়ের খবরে সারজিস আলমকে অভিনন্দন ও শুভকামনা জানাচ্ছেন নেটিজেনরাও। অনেকে নববধূর পরিচয় জানতে চান।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে ছাত্র–জনতার আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। আন্দোলন চলাকালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে থেকে পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছিলেন নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন ছাত্র।
এই প্ল্যাটফর্মের নেতাদের মধ্যে নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও মাহফুজ আলম অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। হাসনাত আবদুল্লাহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়কের দায়িত্বে আছেন। সারজিস আলম কয়েক মাস জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠকের দায়িত্বে আছেন।
সারজিস আলমের আগে হাসনাত আবদুল্লাহর বিয়ের খবর সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছে। গত ১১ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে বিয়ে করেন হাসনাত।
সারজিস আলম ১৯৯৮ সালের ২ জুলাই পঞ্চগড় জেলার আটোয়ারী উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা আকতারুজ্জামান সাজু ও মা বাকেরা বেগম। দুই ভাইয়ের মধ্যে সারজিস বড়, ছোট ভাইয়ের নাম শাহাদাত হোসেন সাকিব।
সারজিস আলম ঢাকার বিএএফ শাহীন কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। তিনি ডাকসু নির্বাচনে অমর একুশে হল সংসদের প্যানেল থেকে সদস্য পদে জয়লাভ করেছিলেন।
সারজিদ আলমের কখন কোথায় বিয়ে হয়েছে এবং তাঁর স্ত্রীর পরিচয় সম্পর্কে জানা যায়নি।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা এবং জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বিয়ে করেছেন।
শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি স্ট্যাটাস দেন স্থানীয় সরকার এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া।
পোস্টের সঙ্গে একটি ছবিও যুক্ত করেন আসিফ মাহমুদ, যেখানে বিয়ের সাজে সজ্জিত সারজিস আলমের সঙ্গে তিনি, তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম এবং উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের পাশাপাশি রয়েছেন হাসনাত আব্দুল্লাহসহ আরও অনেকে।
ছবির ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘নবজীবনে পদার্পণে অভিনন্দন সার্জিস ভাই। বিবাহিত জীবন সুখের হোক।’
এর ৮ মিনিট পর একই ধরনের আরেকটি ছবি পোস্ট করে হাসানাত আব্দুল্লাহ লেখেন, ‘অভিনন্দন, বন্ধু, সারজিস! আজীবন একসঙ্গে ভালোবাসা ও সুন্দর মুহূর্তের মধ্যে থাকো—এই কামনা করি।’
বিয়ের খবরে সারজিস আলমকে অভিনন্দন ও শুভকামনা জানাচ্ছেন নেটিজেনরাও। অনেকে নববধূর পরিচয় জানতে চান।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে ছাত্র–জনতার আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। আন্দোলন চলাকালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে থেকে পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছিলেন নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন ছাত্র।
এই প্ল্যাটফর্মের নেতাদের মধ্যে নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও মাহফুজ আলম অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। হাসনাত আবদুল্লাহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়কের দায়িত্বে আছেন। সারজিস আলম কয়েক মাস জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠকের দায়িত্বে আছেন।
সারজিস আলমের আগে হাসনাত আবদুল্লাহর বিয়ের খবর সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছে। গত ১১ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে বিয়ে করেন হাসনাত।
সারজিস আলম ১৯৯৮ সালের ২ জুলাই পঞ্চগড় জেলার আটোয়ারী উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা আকতারুজ্জামান সাজু ও মা বাকেরা বেগম। দুই ভাইয়ের মধ্যে সারজিস বড়, ছোট ভাইয়ের নাম শাহাদাত হোসেন সাকিব।
সারজিস আলম ঢাকার বিএএফ শাহীন কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। তিনি ডাকসু নির্বাচনে অমর একুশে হল সংসদের প্যানেল থেকে সদস্য পদে জয়লাভ করেছিলেন।
সারজিদ আলমের কখন কোথায় বিয়ে হয়েছে এবং তাঁর স্ত্রীর পরিচয় সম্পর্কে জানা যায়নি।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।