
বিডিজেন ডেস্ক

ঢাকার নবাবগঞ্জে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মেহেদী হাসান (২৬) নামের এক সৌদিপ্রবাসী যুবক নিহত হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার (২৭ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে নবাবগঞ্জ বাজার–সংলগ্ন নিমতলা এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় তামিম ও হাসান নামে আরও দুই যুবক আহত হয়েছেন।
খবর প্রথম আলোর।
নিহত মেহেদী কেরানীগঞ্জ উপজেলার কলাতিয়া ইউনিয়নের সমশেরপুর এলাকার বাসিন্দা। তিনি দেড় মাস আগে ছুটিতে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছিলেন। আহত তামিম একই এলাকার বোরহান উদ্দিনের ছেলে এবং হাসান দরবেশ আলীর ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও আহত লোকজনের ভাষ্য, শুক্রবার রাতে ছয় বন্ধু দুটি মোটরসাইকেলে করে কেরানীগঞ্জের কলাতিয়া থেকে নবাবগঞ্জের কলাকোপা এলাকায় ঘুরতে যান। একটি মোটরসাইকেলে ছিলেন তামিম, মেহেদী ও হাসান। নবাবগঞ্জ বাজার পার হয়ে মোড় ঘোরার সময় দ্রুতগতির কারণে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা খায়। এতে তিনজনই ছিটকে পড়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক মেহেদীকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত মেহেদীর মা হাসপাতালে ছুটে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘কে আমার ছেলেকে ঘুরতে নিয়ে শেষ করল?’
নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক রাজিবুল ইসলাম এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র: প্রথম আলো

ঢাকার নবাবগঞ্জে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মেহেদী হাসান (২৬) নামের এক সৌদিপ্রবাসী যুবক নিহত হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার (২৭ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে নবাবগঞ্জ বাজার–সংলগ্ন নিমতলা এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় তামিম ও হাসান নামে আরও দুই যুবক আহত হয়েছেন।
খবর প্রথম আলোর।
নিহত মেহেদী কেরানীগঞ্জ উপজেলার কলাতিয়া ইউনিয়নের সমশেরপুর এলাকার বাসিন্দা। তিনি দেড় মাস আগে ছুটিতে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছিলেন। আহত তামিম একই এলাকার বোরহান উদ্দিনের ছেলে এবং হাসান দরবেশ আলীর ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও আহত লোকজনের ভাষ্য, শুক্রবার রাতে ছয় বন্ধু দুটি মোটরসাইকেলে করে কেরানীগঞ্জের কলাতিয়া থেকে নবাবগঞ্জের কলাকোপা এলাকায় ঘুরতে যান। একটি মোটরসাইকেলে ছিলেন তামিম, মেহেদী ও হাসান। নবাবগঞ্জ বাজার পার হয়ে মোড় ঘোরার সময় দ্রুতগতির কারণে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা খায়। এতে তিনজনই ছিটকে পড়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক মেহেদীকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত মেহেদীর মা হাসপাতালে ছুটে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘কে আমার ছেলেকে ঘুরতে নিয়ে শেষ করল?’
নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক রাজিবুল ইসলাম এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র: প্রথম আলো
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।