
বিডিজেন ডেস্ক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার সভাস্থলের নির্মাণাধীন প্যান্ডেলের পাশ থেকে ৩টি অবিস্ফোরিত তাজা ককটেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এদিকে ককটেল উদ্ধারের পর থেকে ওই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার আড়াইসিধা কাদির ভূইয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠের পেছন থেকে ককটেলগুলো উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীরা জানান, রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতে ৩১ দফা বাস্তবায়নে সভা ডাকে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে রুমিন ফারহানার।
তবে একই মাঠে পাল্টা সভার ঘোষণা দেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহ জাহান সিরাজ। দুই গ্রুপের সভা আহ্বানকে কেন্দ্র করে কয়েক দিন ধরেই সেখানে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসকের কাছে বিএনপির দুই গ্রুপের সভা আয়োজনের আবেদনপত্র থেকে জানা যায়, আশুগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক রাসেল বিপ্লব উপজেলার আড়াইসিধা কাদির ভূইয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সভা করার অনুমতি চেয়ে গত ১০ ফেব্রুয়ারি আবেদন করেন। অন্যদিকে, একই স্থানে আড়াইসিধা ইউনিয়ন বিএনপির কর্মীসভার আয়োজন করতে ২০ ফেব্রুয়ারি আরেকটি আবেদন করেন আড়াইসিধা ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. বাদল মিয়া। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শান্তিপূর্ণভাবে সভা করার বিষয়ে বলা হয়।
এ ছাড়া, আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও), আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও আড়াইসিধা কাদির ভুইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছেও তারা আবেদনপত্রের পৃথক অনুলিপি দেন।
এদিকে, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভার আয়োজনের জন্য ৩ দিন ধরেই মঞ্চ তৈরির কাজ চলছিল। বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে ইউনিয়ন বিএনপির নেতা-কর্মীরা এ কাজে বাধা দিলে, দুই গ্রুপের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায়। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার রুমিন ফারহানার সভাস্থল থেকে ককটেলগুলো উদ্ধার করা হলো।
ককটেল উদ্ধারের বিষয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘সভাস্থলে ককটেল পাওয়ার বিষয়টি আসলে রাজনৈতিক নোংরামি ছাড়া আর কিছু না। আমার জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে এগুলো করছে। কিছু লোক পরিচ্ছন্ন রাজনীতিতে টিকতে না পেরে এবং তাদের কর্মকাণ্ড মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা না থাকায় তারা এসব করে যাচ্ছে।’
আশুগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মোস্তাকিম পাটোয়ারি বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে ককটেলগুলো উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। সেনা সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তিনি বলেন, ‘রুমিন ফারহানার সভাকে কেন্দ্র করে আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য কেউ এই কাজ করেছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার সভাস্থলের নির্মাণাধীন প্যান্ডেলের পাশ থেকে ৩টি অবিস্ফোরিত তাজা ককটেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এদিকে ককটেল উদ্ধারের পর থেকে ওই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার আড়াইসিধা কাদির ভূইয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠের পেছন থেকে ককটেলগুলো উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীরা জানান, রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতে ৩১ দফা বাস্তবায়নে সভা ডাকে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে রুমিন ফারহানার।
তবে একই মাঠে পাল্টা সভার ঘোষণা দেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহ জাহান সিরাজ। দুই গ্রুপের সভা আহ্বানকে কেন্দ্র করে কয়েক দিন ধরেই সেখানে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসকের কাছে বিএনপির দুই গ্রুপের সভা আয়োজনের আবেদনপত্র থেকে জানা যায়, আশুগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক রাসেল বিপ্লব উপজেলার আড়াইসিধা কাদির ভূইয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সভা করার অনুমতি চেয়ে গত ১০ ফেব্রুয়ারি আবেদন করেন। অন্যদিকে, একই স্থানে আড়াইসিধা ইউনিয়ন বিএনপির কর্মীসভার আয়োজন করতে ২০ ফেব্রুয়ারি আরেকটি আবেদন করেন আড়াইসিধা ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. বাদল মিয়া। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শান্তিপূর্ণভাবে সভা করার বিষয়ে বলা হয়।
এ ছাড়া, আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও), আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও আড়াইসিধা কাদির ভুইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছেও তারা আবেদনপত্রের পৃথক অনুলিপি দেন।
এদিকে, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভার আয়োজনের জন্য ৩ দিন ধরেই মঞ্চ তৈরির কাজ চলছিল। বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে ইউনিয়ন বিএনপির নেতা-কর্মীরা এ কাজে বাধা দিলে, দুই গ্রুপের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায়। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার রুমিন ফারহানার সভাস্থল থেকে ককটেলগুলো উদ্ধার করা হলো।
ককটেল উদ্ধারের বিষয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘সভাস্থলে ককটেল পাওয়ার বিষয়টি আসলে রাজনৈতিক নোংরামি ছাড়া আর কিছু না। আমার জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে এগুলো করছে। কিছু লোক পরিচ্ছন্ন রাজনীতিতে টিকতে না পেরে এবং তাদের কর্মকাণ্ড মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা না থাকায় তারা এসব করে যাচ্ছে।’
আশুগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মোস্তাকিম পাটোয়ারি বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে ককটেলগুলো উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। সেনা সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তিনি বলেন, ‘রুমিন ফারহানার সভাকে কেন্দ্র করে আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য কেউ এই কাজ করেছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।