
বিডিজেন ডেস্ক

পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনে (পিকেএসএফ) নারী জনবল বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়েছেন সংস্থার চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান। প্রতিষ্ঠানটিতে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, নিরাপদ ও সহায়ক কর্মপরিবেশ বিদ্যমান রয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, মেধাবী নারী শিক্ষার্থীদের পিকেএসএফে কাজের প্রতি আগ্রহী করে তুলতে একটি সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
পিকেএসএফের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গত মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) পিকেএসএফ ভবন-১-এ কর্মস্থলে যৌন হয়রানি বা নির্যাতন প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিষয়ে পিকেএসএফে কর্মরত নারীদের জন্য গঠিত ‘অভিযোগ গ্রহণকারী কমিটি’ কর্তৃক নারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে আয়োজিত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন। পিকেএসএফে সহায়ক কর্মপরিবেশ বজায় রাখতে নিয়মিতভাবে এ ধরনের সভা আয়োজন করা হয়।
উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পিকেএসএফ ২০১৪ সালে এ ‘অভিযোগ গ্রহণকারী কমিটি’ গঠন করে। সাত সদস্যবিশিষ্ট এ কমিটিতে দুজন বহির্সদস্য রয়েছেন। উল্লেখ্য, পিকেএসএফের সকল সহযোগী সংস্থাতেও ‘অভিযোগ গ্রহণকারী কমিটি’ রয়েছে।

সভায় স্বাগত বক্তব্যে পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের বলেন, পিকেএসএফ এবং এর সহযোগী সংস্থাসমূহে কর্মরত নারীসহ সকল কর্মীর জন্য একটি নিরাপদ ও হয়রানিমুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি আরও বলেন, “এ লক্ষ্যে আমরা নিয়মিতভাবে জেন্ডার নীতিমালা বাস্তবায়ন, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অভিযোগ নিষ্পত্তির কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।”
নারীবান্ধব ও সহায়ক কর্মপরিবেশ বজায় রাখতে পিকেএসএফের অব্যাহত প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে তিনি জানান, পিকেএসএফের শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রে শিশুদের জন্য প্রাক-প্রারম্ভিক শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। এ কেন্দ্রে অত্যাধুনিক সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে যাতে কর্মকর্তাবৃন্দ তাদের দাপ্তরিক কার্যাদি সম্পাদনের পাশাপাশি মোবাইল ফোনেই তাদের সন্তানকে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করতে পারেন। পাশাপাশি, পিকেএসএফ ভবনে নারীদের ওয়াশরুমে প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত পরিচর্যার সামগ্রী রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে সহায়ক কর্মপরিবেশ বজায় রাখতে পিকেএসএফে কর্মরত পুরুষদের সক্রিয় ভূমিকারও তিনি প্রশংসা করেন।
সভায় আরও বক্তব্য দেন পিকেএসএফের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কিউ এম গোলাম মাওলা। সভায় পিকেএসএফের সকল স্তরে কর্মরত নারীরা অংশগ্রহণ করেন এবং তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রাণোচ্ছ্বল পরিবেশে উন্মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। তারা পিকেএসএফে সহায়ক কর্মপরিবেশ বজায় রাখার জন্য প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এবং পুরুষ সহকর্মীদের প্রশংসা করে ধন্যবাদ জানান।

পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনে (পিকেএসএফ) নারী জনবল বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়েছেন সংস্থার চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান। প্রতিষ্ঠানটিতে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, নিরাপদ ও সহায়ক কর্মপরিবেশ বিদ্যমান রয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, মেধাবী নারী শিক্ষার্থীদের পিকেএসএফে কাজের প্রতি আগ্রহী করে তুলতে একটি সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
পিকেএসএফের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গত মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) পিকেএসএফ ভবন-১-এ কর্মস্থলে যৌন হয়রানি বা নির্যাতন প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিষয়ে পিকেএসএফে কর্মরত নারীদের জন্য গঠিত ‘অভিযোগ গ্রহণকারী কমিটি’ কর্তৃক নারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে আয়োজিত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন। পিকেএসএফে সহায়ক কর্মপরিবেশ বজায় রাখতে নিয়মিতভাবে এ ধরনের সভা আয়োজন করা হয়।
উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পিকেএসএফ ২০১৪ সালে এ ‘অভিযোগ গ্রহণকারী কমিটি’ গঠন করে। সাত সদস্যবিশিষ্ট এ কমিটিতে দুজন বহির্সদস্য রয়েছেন। উল্লেখ্য, পিকেএসএফের সকল সহযোগী সংস্থাতেও ‘অভিযোগ গ্রহণকারী কমিটি’ রয়েছে।

সভায় স্বাগত বক্তব্যে পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের বলেন, পিকেএসএফ এবং এর সহযোগী সংস্থাসমূহে কর্মরত নারীসহ সকল কর্মীর জন্য একটি নিরাপদ ও হয়রানিমুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি আরও বলেন, “এ লক্ষ্যে আমরা নিয়মিতভাবে জেন্ডার নীতিমালা বাস্তবায়ন, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অভিযোগ নিষ্পত্তির কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।”
নারীবান্ধব ও সহায়ক কর্মপরিবেশ বজায় রাখতে পিকেএসএফের অব্যাহত প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে তিনি জানান, পিকেএসএফের শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রে শিশুদের জন্য প্রাক-প্রারম্ভিক শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। এ কেন্দ্রে অত্যাধুনিক সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে যাতে কর্মকর্তাবৃন্দ তাদের দাপ্তরিক কার্যাদি সম্পাদনের পাশাপাশি মোবাইল ফোনেই তাদের সন্তানকে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করতে পারেন। পাশাপাশি, পিকেএসএফ ভবনে নারীদের ওয়াশরুমে প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত পরিচর্যার সামগ্রী রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে সহায়ক কর্মপরিবেশ বজায় রাখতে পিকেএসএফে কর্মরত পুরুষদের সক্রিয় ভূমিকারও তিনি প্রশংসা করেন।
সভায় আরও বক্তব্য দেন পিকেএসএফের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কিউ এম গোলাম মাওলা। সভায় পিকেএসএফের সকল স্তরে কর্মরত নারীরা অংশগ্রহণ করেন এবং তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রাণোচ্ছ্বল পরিবেশে উন্মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। তারা পিকেএসএফে সহায়ক কর্মপরিবেশ বজায় রাখার জন্য প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এবং পুরুষ সহকর্মীদের প্রশংসা করে ধন্যবাদ জানান।
স্বাগত বক্তব্যে পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের বলেন, পিকেএসএফ এবং এর সহযোগী সংস্থাসমূহে কর্মরত নারীসহ সকল কর্মীর জন্য একটি নিরাপদ ও হয়রানিমুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
দূতাবাসগুলো বলেছে, আবেদনকারীকে অবশ্যই মূল এবং অপরিবর্তিত কাগজপত্র জমা দিতে হবে। কোনো ধরনের জাল নথি বা ভুয়া তথ্য জমা দিলে তা শুধু আবেদন বাতিল করবে না, বরং ভবিষ্যতে আবেদনকারীর ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
দূতাবাস জানিয়েছে, ভ্রমণকারীদের অবশ্যই বৈধ পাসপোর্ট থাকতে হবে এবং চূড়ান্ত গন্তব্য দেশের জন্য বৈধ ভিসা বা রেসিডেন্স পারমিট থাকতে হবে। মিসরকে অবশ্যই অন্য গন্তব্যে ভ্রমণকারীর রুটে একটি ট্রানজিট পয়েন্ট হতে হবে।
জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে অবৈধভাবে ইউরোপে প্রবেশের তালিকায় শীর্ষে আছে বাংলাদেশের নাগরিকেরা। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ২০ হাজার ২৫৯ জন বাংলাদেশি ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালি প্রবেশ করেছেন।