
বিডিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তরের (ওএইচসিএইচআর) প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় লন্ডনভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছে, এই প্রতিবেদন জবাবদিহি ও বিচারকে ত্বরান্বিত করবে। কেবল এই প্রতিবেদন দিয়েই প্রচেষ্টা শেষ করা উচিত হবে না জাতিসংঘের।
বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক স্মৃতি সিং এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘জাতিসংঘের এই ১০৫ পাতার প্রতিবেদনে বাংলাদেশে বিক্ষোভ দমনে শেখ হাসিনা সরকারের ভয়াবহ ও তীব্র মানবাধিকার লঙ্ঘনের চিত্র ফুটে উঠেছে। এতে (প্রতিবেদনে) গত বছর অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও অন্য মানবাধিকার সংগঠন যেসব প্রতিবেদন দিয়েছিল, সেগুলোর প্রতিধ্বনি রয়েছে এবং (তাদের প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের) বিস্তৃতি ঘটেছে। এই দেশের গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন শনাক্তের প্রচেষ্টা হিসেবে এই প্রতিবেদন গুরুত্বপূর্ণ। তবে জাতিসংঘকে এখানেই তার প্রচেষ্টা শেষ করা উচিত নয়।’
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশে ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্টের (২০২৪) মধ্যে যেসব ঘটনা ঘটেছে, সেগুলো আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে পাঠানোর জন্য জাতিসংঘের সুপারিশগুলো অন্তর্বর্তী সরকারকে অবশ্য গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে। এই প্রতিবেদনে আরও যেসব দীর্ঘমেয়াদি এবং অন্য তাৎক্ষণিক সুপারিশ করা হয়েছে, সেগুলোও সরকারকে অবশ্য বাস্তবায়ন করতে হবে। এসব সুপারিশের মধ্যে অন্য কিছুর মধ্যে রয়েছে চলমান তদন্তে যথাযথ প্রক্রিয়া মেনে চলা, ন্যায়বিচারের নিশ্চয়তা দেওয়া, বিচার ও নিরাপত্তা বিভাগ সংস্কার এবং জনপরিসরে কড়াকড়ি আরোপকারী কালো আইন বাতিল করা। তবে দীর্ঘস্থায়ী সত্য, বিচার, জবাবদিহি, ক্ষতিপূরণ এবং পুনরাবৃত্তি না হওয়া নিশ্চিত করার জন্য জাতিসংঘের দল এবং অন্য সংগঠনকে প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। এসব করার পথে কোনো ধরনের ব্যর্থতা হবে হতাহত ব্যক্তিদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার নামান্তর।’
বাংলাদেশে ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্টে সংঘটিত ঘটনাপ্রবাহ বিশ্লেষণ করে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর (ওএইচসিএইচআর) গতকাল বুধবার একটি তথ্যানুসন্ধান প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সরকার ও সেই সময়ের ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘের তথ্যানুসন্ধান দল। স্বৈরাচারী সরকার নিরাপত্তা বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা এবং দল ও সহযোগী সংগঠনগুলোকে যুক্ত করে মাত্রাতিরিক্ত বল প্রয়োগ করেছে। বিচারবহির্ভূত হত্যা, নির্বিচার মারণাস্ত্র দিয়ে গুলি, গ্রেপ্তার, নির্যাতন, চিকিৎসা পেতে বাধা দেওয়ার মতো গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে সরকার।
লন্ডনভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠনটির বিবৃতিতে বলা হয়, গত বছর বাংলাদেশজুড়ে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভ দমনে সংগঠিত দমন-পীড়ন ও সহিংসতা নথিবদ্ধ করেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। আমরা একটি ভিডিও যাচাইয়ের সিরিজ বের করেছিলাম, যেখানে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ দমনে প্রাণঘাতী ও সরাসরি প্রাণঘাতী নয় এমন বেআইনি বল প্রয়োগের প্রমাণ নথিভুক্ত করা হয়েছিল।

বাংলাদেশের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তরের (ওএইচসিএইচআর) প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় লন্ডনভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছে, এই প্রতিবেদন জবাবদিহি ও বিচারকে ত্বরান্বিত করবে। কেবল এই প্রতিবেদন দিয়েই প্রচেষ্টা শেষ করা উচিত হবে না জাতিসংঘের।
বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক স্মৃতি সিং এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘জাতিসংঘের এই ১০৫ পাতার প্রতিবেদনে বাংলাদেশে বিক্ষোভ দমনে শেখ হাসিনা সরকারের ভয়াবহ ও তীব্র মানবাধিকার লঙ্ঘনের চিত্র ফুটে উঠেছে। এতে (প্রতিবেদনে) গত বছর অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও অন্য মানবাধিকার সংগঠন যেসব প্রতিবেদন দিয়েছিল, সেগুলোর প্রতিধ্বনি রয়েছে এবং (তাদের প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের) বিস্তৃতি ঘটেছে। এই দেশের গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন শনাক্তের প্রচেষ্টা হিসেবে এই প্রতিবেদন গুরুত্বপূর্ণ। তবে জাতিসংঘকে এখানেই তার প্রচেষ্টা শেষ করা উচিত নয়।’
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশে ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্টের (২০২৪) মধ্যে যেসব ঘটনা ঘটেছে, সেগুলো আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে পাঠানোর জন্য জাতিসংঘের সুপারিশগুলো অন্তর্বর্তী সরকারকে অবশ্য গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে। এই প্রতিবেদনে আরও যেসব দীর্ঘমেয়াদি এবং অন্য তাৎক্ষণিক সুপারিশ করা হয়েছে, সেগুলোও সরকারকে অবশ্য বাস্তবায়ন করতে হবে। এসব সুপারিশের মধ্যে অন্য কিছুর মধ্যে রয়েছে চলমান তদন্তে যথাযথ প্রক্রিয়া মেনে চলা, ন্যায়বিচারের নিশ্চয়তা দেওয়া, বিচার ও নিরাপত্তা বিভাগ সংস্কার এবং জনপরিসরে কড়াকড়ি আরোপকারী কালো আইন বাতিল করা। তবে দীর্ঘস্থায়ী সত্য, বিচার, জবাবদিহি, ক্ষতিপূরণ এবং পুনরাবৃত্তি না হওয়া নিশ্চিত করার জন্য জাতিসংঘের দল এবং অন্য সংগঠনকে প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। এসব করার পথে কোনো ধরনের ব্যর্থতা হবে হতাহত ব্যক্তিদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার নামান্তর।’
বাংলাদেশে ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্টে সংঘটিত ঘটনাপ্রবাহ বিশ্লেষণ করে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর (ওএইচসিএইচআর) গতকাল বুধবার একটি তথ্যানুসন্ধান প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সরকার ও সেই সময়ের ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘের তথ্যানুসন্ধান দল। স্বৈরাচারী সরকার নিরাপত্তা বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা এবং দল ও সহযোগী সংগঠনগুলোকে যুক্ত করে মাত্রাতিরিক্ত বল প্রয়োগ করেছে। বিচারবহির্ভূত হত্যা, নির্বিচার মারণাস্ত্র দিয়ে গুলি, গ্রেপ্তার, নির্যাতন, চিকিৎসা পেতে বাধা দেওয়ার মতো গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে সরকার।
লন্ডনভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠনটির বিবৃতিতে বলা হয়, গত বছর বাংলাদেশজুড়ে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভ দমনে সংগঠিত দমন-পীড়ন ও সহিংসতা নথিবদ্ধ করেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। আমরা একটি ভিডিও যাচাইয়ের সিরিজ বের করেছিলাম, যেখানে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ দমনে প্রাণঘাতী ও সরাসরি প্রাণঘাতী নয় এমন বেআইনি বল প্রয়োগের প্রমাণ নথিভুক্ত করা হয়েছিল।
৫ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৯ জন প্রবাসী ভোটার তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ভোটদান সম্পন্ন করেছেন ৪ লাখ ৭২ হাজার ৪১০ জন। এর মধ্যে ৩ লাখ ২৬ হাজার ২০টি পোস্টাল ব্যালট ইতিমধ্যে দেশে এসে পৌঁছেছে।
রাতের দুই দফা ভূমিকম্পেরই উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার। রিখটার স্কেলে দুই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৫ দশমিক ৯ ও ৫ দশমিক ২। দেশের অনেক স্থানে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এ নিয়ে এক দিনে তিনবার কাঁপল বাংলাদেশ।
গ্লোবাল কমপ্যাক্ট ফর মাইগ্রেশন (জিসিএম) ন্যাপের সফট অ্যাডপশন বাংলাদেশের নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করা এবং অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষায় দেশের দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।
সালীম আহমাদ খান জানান, আজ বেলা ১২টা পর্যন্ত ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী প্রবাসীদের কাছে মোট ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি ব্যালট পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৫ লাখ ২৪ হাজার ৮০ জন প্রবাসী তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৭০৭ জন ইতিমধ্যে ভোটদান সম্পন্ন করেছেন।