
প্রতিবেদক, বিডিজেন

রাজধানী ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের বোর্ডিং ব্রিজ ও ভিজ্যুয়াল ডকিং গাইডেন্স সিস্টেম (জিডিজিএস) প্রথমবারের মতো ব্যবহার করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট।
গতকাল সোমবার (৪ আগস্ট) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে রোম থেকে আসা বিজি-৩৫৬ নম্বর ফ্লাইটটি টার্মিনাল ৩-এ অবতরণ করে এই মাইলফলক স্পর্শ করে।

ফ্লাইটটি ছিল বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার। ফ্লাইটটির পাইলট ছিলেন ক্যাপ্টেন ইশতিয়াক হোসেন, ফার্স্ট অফিসার হিসেবে ছিলেন তাহসিন। যাত্রী নামানোর পর সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত চলমান পরীক্ষার অংশ হিসেবে জিডিজিএস, বোর্ডিং ব্রিজে বাহ্যিক বিদ্যুৎ-সংযোগ, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা ও পানি সরবরাহব্যবস্থার কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হয়।
বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক এয়ার কমোডর আবু সাইদ মাহবুব খান ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (ক্যাব) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরেজমিনে এই পরীক্ষামূলক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, টার্মিনাল ৩-এর এই পরীক্ষামূলক অপারেশন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক যাত্রীসেবা ব্যবস্থায় এক নতুন যুগের সূচনা করেছে।

রাজধানী ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের বোর্ডিং ব্রিজ ও ভিজ্যুয়াল ডকিং গাইডেন্স সিস্টেম (জিডিজিএস) প্রথমবারের মতো ব্যবহার করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট।
গতকাল সোমবার (৪ আগস্ট) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে রোম থেকে আসা বিজি-৩৫৬ নম্বর ফ্লাইটটি টার্মিনাল ৩-এ অবতরণ করে এই মাইলফলক স্পর্শ করে।

ফ্লাইটটি ছিল বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার। ফ্লাইটটির পাইলট ছিলেন ক্যাপ্টেন ইশতিয়াক হোসেন, ফার্স্ট অফিসার হিসেবে ছিলেন তাহসিন। যাত্রী নামানোর পর সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত চলমান পরীক্ষার অংশ হিসেবে জিডিজিএস, বোর্ডিং ব্রিজে বাহ্যিক বিদ্যুৎ-সংযোগ, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা ও পানি সরবরাহব্যবস্থার কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হয়।
বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক এয়ার কমোডর আবু সাইদ মাহবুব খান ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (ক্যাব) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরেজমিনে এই পরীক্ষামূলক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, টার্মিনাল ৩-এর এই পরীক্ষামূলক অপারেশন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক যাত্রীসেবা ব্যবস্থায় এক নতুন যুগের সূচনা করেছে।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।