
বিডিজেন ডেস্ক

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় প্রায় ৫০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশ সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান নিয়েছে। স্থানীয় কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন, পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে তারা সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে।
রোববার (১৭ আগস্ট) ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত রোহিঙ্গাবিষয়ক জাতীয় টাস্কফোর্সের (এনটিএফ) এক সভায় এ তথ্য জানানো হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম।
সচিব ড. মো. নজরুল ইসলাম, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমানসহ ক্যাম্প পরিচালনায় যুক্ত জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা ও সরকারের বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা এ সভায় যোগ দেন।
জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ সরকারের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে কক্সবাজারের বিভিন্ন ক্যাম্পে ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে। গত দেড় বছরে রাখাইনে সশস্ত্র বাহিনী ও বিচ্ছিন্নতাবাদী আরাকান আর্মির মধ্যে যুদ্ধের কারণে আরও প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
এনটিএফ সভায় জাতিসংঘের প্রতিনিধিরা আর্থিক সংকটের কারণে ক্যাম্প ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের অসুবিধার কথা জানান।
শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, জাতিসংঘ খাদ্য তহবিলের (ডব্লিউএফপি) তথ্য অনুযায়ী, আগামী নভেম্বরের পর ক্যাম্পে খাবারের জোগান দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের ব্যবস্থা এখনো হয়নি। তিনি আরও জানান, আগামী সেপ্টেম্বরের পর ক্যাম্পবাসীদের তরলীকৃত গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডার সরবরাহের জন্যও প্রয়োজনীয় তহবিল নেই, যা গাছপালা কাটার আশঙ্কা বাড়িয়ে দিচ্ছে।
আরেক কর্মকর্তা জানান, রোহিঙ্গা ব্যবস্থাপনার জন্য বিভিন্ন দেশ যে আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেয়, এর প্রায় অর্ধেকই তারা পূরণ করে না।
পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম জানান, রোহিঙ্গা ইস্যু যাতে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে গুরুত্ব না হারায়, সে জন্য সরকার জাতিসংঘের মাধ্যমে নিউইয়র্কে আন্তর্জাতিক সম্মেলনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে ২৫ আগস্ট কক্সবাজারে একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
এনটিএফ সভার আগে পররাষ্ট্রসচিব ঢাকায় বিদেশি দূতাবাস ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রধানদের রোহিঙ্গা বিষয়ে ব্রিফ করেন এবং তাদের কাছে ক্যাম্পের জন্য আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি রক্ষার আবেদন জানান।
এদিকে রোববার সকালে ঢাকায় এক ব্রিফিংয়ে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও রোহিঙ্গাবিষয়ক হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ খলিলুর রহমান বলেন, রোহিঙ্গাবিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন জাতিসংঘের উদ্যোগে ৩০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। কক্সবাজারের সম্মেলনটি জাতিসংঘের একটি বৃহত্তর সম্মেলনের প্রস্তুতির অংশবিশেষ। এই সম্মেলনটি রোহিঙ্গাদের এবং বিশ্ব সম্প্রদায়ের জন্য এই সমস্যার স্থায়ী ও প্রকৃত সমাধান খুঁজে বের করার পথনির্দেশিকা দেয়ার একটি বড় সুযোগ।
নিরাপত্তা উপদেষ্টা বলেন, ‘একসময় রোহিঙ্গা ইস্যুটি আন্তর্জাতিক আলোচনার এজেন্ডা থেকে প্রায় বাদ পড়ে যাচ্ছিল। এই পরিস্থিতিতে প্রধান উপদেষ্টা গত বছর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গিয়ে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজনের জন্য সকল সদস্য রাষ্ট্রকে আহ্বান জানিয়েছিলেন। এই আহ্বানে তাৎক্ষণিকভাবে এবং সর্বসম্মতিক্রমে সাড়া পাওয়া যায় এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ এই সম্মেলন আহ্বানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। বিশ্বের ১০৬টি দেশ এই সম্মেলনকে স্পন্সর করেছে। এখন যথেষ্ট পরিমাণ আন্তর্জাতিক সমর্থন রয়েছে।’
উল্লেখ্য, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ফাঁকে অনুষ্ঠিত হবে রোহিঙ্গাবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সম্মেলন। আর কাতারের দোহায় ৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে রোহিঙ্গা বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় প্রায় ৫০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশ সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান নিয়েছে। স্থানীয় কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন, পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে তারা সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে।
রোববার (১৭ আগস্ট) ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত রোহিঙ্গাবিষয়ক জাতীয় টাস্কফোর্সের (এনটিএফ) এক সভায় এ তথ্য জানানো হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম।
সচিব ড. মো. নজরুল ইসলাম, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমানসহ ক্যাম্প পরিচালনায় যুক্ত জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা ও সরকারের বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা এ সভায় যোগ দেন।
জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ সরকারের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে কক্সবাজারের বিভিন্ন ক্যাম্পে ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে। গত দেড় বছরে রাখাইনে সশস্ত্র বাহিনী ও বিচ্ছিন্নতাবাদী আরাকান আর্মির মধ্যে যুদ্ধের কারণে আরও প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
এনটিএফ সভায় জাতিসংঘের প্রতিনিধিরা আর্থিক সংকটের কারণে ক্যাম্প ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের অসুবিধার কথা জানান।
শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, জাতিসংঘ খাদ্য তহবিলের (ডব্লিউএফপি) তথ্য অনুযায়ী, আগামী নভেম্বরের পর ক্যাম্পে খাবারের জোগান দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের ব্যবস্থা এখনো হয়নি। তিনি আরও জানান, আগামী সেপ্টেম্বরের পর ক্যাম্পবাসীদের তরলীকৃত গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডার সরবরাহের জন্যও প্রয়োজনীয় তহবিল নেই, যা গাছপালা কাটার আশঙ্কা বাড়িয়ে দিচ্ছে।
আরেক কর্মকর্তা জানান, রোহিঙ্গা ব্যবস্থাপনার জন্য বিভিন্ন দেশ যে আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেয়, এর প্রায় অর্ধেকই তারা পূরণ করে না।
পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম জানান, রোহিঙ্গা ইস্যু যাতে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে গুরুত্ব না হারায়, সে জন্য সরকার জাতিসংঘের মাধ্যমে নিউইয়র্কে আন্তর্জাতিক সম্মেলনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে ২৫ আগস্ট কক্সবাজারে একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
এনটিএফ সভার আগে পররাষ্ট্রসচিব ঢাকায় বিদেশি দূতাবাস ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রধানদের রোহিঙ্গা বিষয়ে ব্রিফ করেন এবং তাদের কাছে ক্যাম্পের জন্য আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি রক্ষার আবেদন জানান।
এদিকে রোববার সকালে ঢাকায় এক ব্রিফিংয়ে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও রোহিঙ্গাবিষয়ক হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ খলিলুর রহমান বলেন, রোহিঙ্গাবিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন জাতিসংঘের উদ্যোগে ৩০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। কক্সবাজারের সম্মেলনটি জাতিসংঘের একটি বৃহত্তর সম্মেলনের প্রস্তুতির অংশবিশেষ। এই সম্মেলনটি রোহিঙ্গাদের এবং বিশ্ব সম্প্রদায়ের জন্য এই সমস্যার স্থায়ী ও প্রকৃত সমাধান খুঁজে বের করার পথনির্দেশিকা দেয়ার একটি বড় সুযোগ।
নিরাপত্তা উপদেষ্টা বলেন, ‘একসময় রোহিঙ্গা ইস্যুটি আন্তর্জাতিক আলোচনার এজেন্ডা থেকে প্রায় বাদ পড়ে যাচ্ছিল। এই পরিস্থিতিতে প্রধান উপদেষ্টা গত বছর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গিয়ে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজনের জন্য সকল সদস্য রাষ্ট্রকে আহ্বান জানিয়েছিলেন। এই আহ্বানে তাৎক্ষণিকভাবে এবং সর্বসম্মতিক্রমে সাড়া পাওয়া যায় এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ এই সম্মেলন আহ্বানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। বিশ্বের ১০৬টি দেশ এই সম্মেলনকে স্পন্সর করেছে। এখন যথেষ্ট পরিমাণ আন্তর্জাতিক সমর্থন রয়েছে।’
উল্লেখ্য, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ফাঁকে অনুষ্ঠিত হবে রোহিঙ্গাবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সম্মেলন। আর কাতারের দোহায় ৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে রোহিঙ্গা বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন।
জামাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একইসঙ্গে নামাজ আদায় করেন। তাদের সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, রাজনীতিবিদ ও কূটনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ জামাতে অংশ নেন।
মরদেহ হস্তান্তরকালে মন্ত্রী নিহত মোশাররফ হোসেনের পরিবারকে দাফন কার্য সম্পন্নের জন্য ৫০ হাজার টাকার চেক প্রদান করেন। এ ছাড়া, ওয়েজ আর্নাস কল্যাণ বোর্ডের পক্ষ থেকে ঈদের পর নিহতের পরিবারকে তিন লাখ টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করা হবে বলে তিনি জানান।
হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২৯ বা ৩০ দিনে মাস হয়ে থাকে। ২৯ রমজান শেষে যদি চাঁদ দেখা যায়, তাহলে পরদিন ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হয়। আর চাঁদ দেখা না গেলে ৩০ রমজান শেষে ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হয়।
অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ডেপুটি হাইকমিশনার নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, যুদ্ধপ্রবণ এলাকায় চলাচলকারী জাহাজে কর্মরত বাংলাদেশি নাবিকসহ বিশ্বব্যাপী সমুদ্রকর্মীদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিয়ে বাংলাদেশ উদ্বিগ্ন।