
প্রতিবেদক, বিডিজেন

বাংলাদেশে প্রায় সর্বত্র প্রতিবাদমূলক বিক্ষোভ কর্মসূচি বাড়তে থাকায় যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের সতর্কতার সঙ্গে চলাফেরা করার পরামর্শ দিয়েছে দেশটির ঢাকার দূতাবাস।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯ মে) ফেসবুকে দূতাবাসের ভেরিফায়েড পেজে এক পোস্টে এ পরামর্শ দেওয়া হয়।
দূতাবাস বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করা উচিত। অনেক সমাবেশ শান্তিপূর্ণ হওয়ার কথা থাকলেও একপর্যায়ে অল্পসময়েই সহিংসতা ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই বড় সমাবেশ সতর্কতার সঙ্গে এড়িয়ে চলতে হবে।
দূতাবাস একইসঙ্গে নিজ নিজ নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করে দেখতেও নাগরিকদের পরামর্শ দিয়েছে। আশপাশের পরিস্থিতি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকতে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে চোখ রাখার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশে প্রায় সর্বত্র প্রতিবাদমূলক বিক্ষোভ কর্মসূচি বাড়তে থাকায় যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের সতর্কতার সঙ্গে চলাফেরা করার পরামর্শ দিয়েছে দেশটির ঢাকার দূতাবাস।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯ মে) ফেসবুকে দূতাবাসের ভেরিফায়েড পেজে এক পোস্টে এ পরামর্শ দেওয়া হয়।
দূতাবাস বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করা উচিত। অনেক সমাবেশ শান্তিপূর্ণ হওয়ার কথা থাকলেও একপর্যায়ে অল্পসময়েই সহিংসতা ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই বড় সমাবেশ সতর্কতার সঙ্গে এড়িয়ে চলতে হবে।
দূতাবাস একইসঙ্গে নিজ নিজ নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করে দেখতেও নাগরিকদের পরামর্শ দিয়েছে। আশপাশের পরিস্থিতি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকতে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে চোখ রাখার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।