
প্রতিবেদক, বিডিজেন

চিত্রনায়িকা পরীমনির এক বছরের মেয়েসন্তানকে খাবার খাওয়ানোকে কেন্দ্র করে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পিংকি আক্তার গতকাল বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) ঢাকার ভাটারা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
আজ শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সাংবাদিকদের কাছে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম।
অভিযোগকারী পিংকি আক্তার সাংবাদিকদের বলেন, ‘গত ৫ মার্চ থেকে পরীমনির বাসায় কাজ করি। তাঁর ছোট মেয়েকে খাবার দেওয়াকে কেন্দ্র করে আমাকে মারধর করেন। খাবার দেওয়ার বিষয়টি একটি ইস্যু ছিল। তিনি পরিকল্পিতভাবে আমাকে মারার জন্য আঘাত করেছেন। আমার মাথায় বারবার আঘাত করেছেন। আমার চোখে আঘাত করেছেন। এখনো চোখে ভালোভাবে দেখি না। আমি ভাটারা থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছি। কিন্তু এখনো কোনো ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ। তারা আমাকে থানায় যেতে বলে।’

থানায় করা অভিযোগে পিংকি আক্তার উল্লেখ করেন, তিনি চিত্রনায়িকা পরীমনির বাসায় এক মাস ধরে কাজ করছেন। তিনি তাঁর ছোট মেয়ের দেখভালের জন্য চাকরিতে যোগদান করেন। তাকে দিয়ে বাসার সব কাজ করান। কিন্তু ওই দিন তিনি পরীমনির মেয়ে কান্না করায় তার খাবার তৈরি করছিলেন। এ সময় পরীমনি এসে বলেন, তুমি কার অনুমতিতে দুধ তৈরি করছ। ২ ঘণ্টা হওয়ার ১০ মিনিট বাকি রয়েছে—এ কথা বলে তাঁকে এলোপাতাড়ি মারধর করে বাঁ চোখের পাশে আঘাত করে জখম করেন। তাঁর মাথার বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করেন। এতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।
পিংকি আক্তার বলেন, ‘আমাকে মারধর করার রেকর্ড সিসি ফুটেজে বিদ্যমান রয়েছে। তারপর আমাকে বাসা থেকে বের হতে দেয় না। আমি প্রথমে আমার এজেন্সিকে ফোন দিলে আমার এজেন্সি আমার ফোন রিসিভ করার পর আসে নাই। আমি কোনো উপায় না পেয়ে গোপনে ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিলে ভাটারা থানা থেকে পুলিশ গিয়ে আমাকে উদ্ধার করে।’
অভিযোগের বিষয়ে ওসি মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘চিত্রনায়িকা পরীমনির বাসার এক গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগে ওই গৃহকর্মী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। বিষয়টি আমরা তদন্ত করে দেখছি। এখনো কোনো মামলা হয়নি।’

চিত্রনায়িকা পরীমনির এক বছরের মেয়েসন্তানকে খাবার খাওয়ানোকে কেন্দ্র করে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পিংকি আক্তার গতকাল বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) ঢাকার ভাটারা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
আজ শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সাংবাদিকদের কাছে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম।
অভিযোগকারী পিংকি আক্তার সাংবাদিকদের বলেন, ‘গত ৫ মার্চ থেকে পরীমনির বাসায় কাজ করি। তাঁর ছোট মেয়েকে খাবার দেওয়াকে কেন্দ্র করে আমাকে মারধর করেন। খাবার দেওয়ার বিষয়টি একটি ইস্যু ছিল। তিনি পরিকল্পিতভাবে আমাকে মারার জন্য আঘাত করেছেন। আমার মাথায় বারবার আঘাত করেছেন। আমার চোখে আঘাত করেছেন। এখনো চোখে ভালোভাবে দেখি না। আমি ভাটারা থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছি। কিন্তু এখনো কোনো ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ। তারা আমাকে থানায় যেতে বলে।’

থানায় করা অভিযোগে পিংকি আক্তার উল্লেখ করেন, তিনি চিত্রনায়িকা পরীমনির বাসায় এক মাস ধরে কাজ করছেন। তিনি তাঁর ছোট মেয়ের দেখভালের জন্য চাকরিতে যোগদান করেন। তাকে দিয়ে বাসার সব কাজ করান। কিন্তু ওই দিন তিনি পরীমনির মেয়ে কান্না করায় তার খাবার তৈরি করছিলেন। এ সময় পরীমনি এসে বলেন, তুমি কার অনুমতিতে দুধ তৈরি করছ। ২ ঘণ্টা হওয়ার ১০ মিনিট বাকি রয়েছে—এ কথা বলে তাঁকে এলোপাতাড়ি মারধর করে বাঁ চোখের পাশে আঘাত করে জখম করেন। তাঁর মাথার বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করেন। এতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।
পিংকি আক্তার বলেন, ‘আমাকে মারধর করার রেকর্ড সিসি ফুটেজে বিদ্যমান রয়েছে। তারপর আমাকে বাসা থেকে বের হতে দেয় না। আমি প্রথমে আমার এজেন্সিকে ফোন দিলে আমার এজেন্সি আমার ফোন রিসিভ করার পর আসে নাই। আমি কোনো উপায় না পেয়ে গোপনে ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিলে ভাটারা থানা থেকে পুলিশ গিয়ে আমাকে উদ্ধার করে।’
অভিযোগের বিষয়ে ওসি মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘চিত্রনায়িকা পরীমনির বাসার এক গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগে ওই গৃহকর্মী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। বিষয়টি আমরা তদন্ত করে দেখছি। এখনো কোনো মামলা হয়নি।’
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।