
বিডিজেন ডেস্ক

১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে না পাওয়ায় চ্ট্টগ্রামের চান্দগাঁওয়ে এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়েছে। নগরীর চান্দগাঁও থানাধীন শংকর দেওয়ানজিরহাট এলাকার বেপারী পাড়ার বাগদাদ হাউজে এ ঘটনা ঘটে।
রোববার (৫ জানুয়ারি) ঘটনার ব্যাপারে ১৩ জনের নামোল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে অভিযুক্ত করে চান্দগাঁও থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।
মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, বাগদাদ হাউজের মরহুম সেকান্দর মিয়ার পুত্র ব্যবসায়ী লিয়াকত আলী লাকির নিকট ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে একটি গ্রুপ। লিয়াকত আলী লাকি সিঅ্যান্ডএফ, ফ্রেইট ফরোওয়ার্ডস, বড় বড় কোম্পানির ডিস্ট্রিবিউটরসহ পারিবারিকভাবে বিভিন্ন ব্যবসা–বাণিজ্যের সাথে জড়িত। তার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হলে তিনি তা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে বাগদাদ হাউজে চড়াও হয় একদল সন্ত্রাসী।
তারা লিয়াকত আলী এবং তাঁর ভাই মমতাজ আলীকে চাঁদা প্রদানের জন্য চাপ দিতে থাকে। ৩০ ডিসেম্বর দুপুরে তাদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর এবং লুটতরাজ চালানো হয়। এ সময় সন্ত্রাসীরা লিয়াকত আলী ও তার স্ত্রীকেও আঘাত করে। সন্ত্রাসীরা লিয়াকত আলীকে কুপিয়ে এবং অন্যদের পিটিয়ে গুরুতরভাবে আহত করে। যাওয়ার সময় সন্ত্রাসীরা ঘর থেকে নগদ দেড় লাখ টাকা ও প্রায় ৭ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়। তারা আসবাবপত্রও ভাঙচুর করে। লিয়াকত আলীর চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসে। মামলা করলে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে চলে যায় সন্ত্রাসীরা।
গুরুতর আহত অবস্থায় লিয়াকত আলী লাকিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তাকে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ঘটনার ব্যাপারে চান্দগাঁও থানায় একটি মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।

১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে না পাওয়ায় চ্ট্টগ্রামের চান্দগাঁওয়ে এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়েছে। নগরীর চান্দগাঁও থানাধীন শংকর দেওয়ানজিরহাট এলাকার বেপারী পাড়ার বাগদাদ হাউজে এ ঘটনা ঘটে।
রোববার (৫ জানুয়ারি) ঘটনার ব্যাপারে ১৩ জনের নামোল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে অভিযুক্ত করে চান্দগাঁও থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।
মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, বাগদাদ হাউজের মরহুম সেকান্দর মিয়ার পুত্র ব্যবসায়ী লিয়াকত আলী লাকির নিকট ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে একটি গ্রুপ। লিয়াকত আলী লাকি সিঅ্যান্ডএফ, ফ্রেইট ফরোওয়ার্ডস, বড় বড় কোম্পানির ডিস্ট্রিবিউটরসহ পারিবারিকভাবে বিভিন্ন ব্যবসা–বাণিজ্যের সাথে জড়িত। তার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হলে তিনি তা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে বাগদাদ হাউজে চড়াও হয় একদল সন্ত্রাসী।
তারা লিয়াকত আলী এবং তাঁর ভাই মমতাজ আলীকে চাঁদা প্রদানের জন্য চাপ দিতে থাকে। ৩০ ডিসেম্বর দুপুরে তাদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর এবং লুটতরাজ চালানো হয়। এ সময় সন্ত্রাসীরা লিয়াকত আলী ও তার স্ত্রীকেও আঘাত করে। সন্ত্রাসীরা লিয়াকত আলীকে কুপিয়ে এবং অন্যদের পিটিয়ে গুরুতরভাবে আহত করে। যাওয়ার সময় সন্ত্রাসীরা ঘর থেকে নগদ দেড় লাখ টাকা ও প্রায় ৭ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়। তারা আসবাবপত্রও ভাঙচুর করে। লিয়াকত আলীর চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসে। মামলা করলে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে চলে যায় সন্ত্রাসীরা।
গুরুতর আহত অবস্থায় লিয়াকত আলী লাকিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তাকে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ঘটনার ব্যাপারে চান্দগাঁও থানায় একটি মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।