
বিডিজেন ডেস্ক

এখন থেকে ব্যবহারযোগ্য সব বৈদেশিক মুদ্রায় হিসাব খুলতে পারবেন প্রবাসীরা। সেই সঙ্গে প্রবাসীদের নামে খোলা বৈদেশিক হিসাবের সুদের হার বাজারের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে এখন থেকে ব্যাংক-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে সুদের হার নির্ধারিত হবে। গতকাল রোববার (১৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংক এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
খবর প্রথম আলোর।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, এত দিন শুধু অনুমোদিত ৪টি বৈদেশিক মুদ্রায় প্রবাসীদের হিসাব খোলার সুযোগ ছিল। সেগুলো হলো ডলার, পাউন্ড, ইউরো ও ইয়েন। এখন অনুমোদিত মুদ্রার পাশাপাশি ব্যবহারযোগ্য সব বৈদেশিক মুদ্রায় হিসাব খুলতে পারবেন। এ সুযোগ দেওয়ায় দেশে বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ বাড়বে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অনাবাসী বাংলাদেশিরা অনুমোদিত বিদেশি মুদ্রার পাশাপাশি ব্যবহারযোগ্য বিদেশি মুদ্রায় প্রাইভেট ফরেন কারেন্সি (পিএফসি) হিসাব এবং নন-রেসিডেন্ট ফরেন কারেন্সি ডিপোজিট (এনএফসিডি) হিসাব খুলতে পারবেন। পিএফসি ও এনএফসিডি হিসাবের বিপরীতে সুদের নির্ধারিত হারও প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে সুদের হার নির্ধারণ করতে পারবে ব্যাংকগুলো।
খাত–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, যারা দেশের বাইরে অবস্থান করছেন, তারা বিভিন্ন মুদ্রায় আয় করে থাকেন। সেই দেশগুলোর নিজস্ব মুদ্রায় সঞ্চয় করতে তারা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। সে জন্য এই সুযোগ দেওয়া হয়েছে। সুদহার বাজারভিত্তিক করায় ব্যাংকগুলো চাহিদামতো সুদ দিতে পারবে। যখন যে মুদ্রার চাহিদা বেশি হবে, সেই মুদ্রায় বেশি সুদ দিতে পারবে। এতে সঞ্চয় আরও বাড়বে। এতে বিদেশি মুদ্রায় প্রবাসীদের সঞ্চয় বেড়ে যাবে বলে আশা করছেন ব্যাংকাররাও।
সূত্র: প্রথম আলো

এখন থেকে ব্যবহারযোগ্য সব বৈদেশিক মুদ্রায় হিসাব খুলতে পারবেন প্রবাসীরা। সেই সঙ্গে প্রবাসীদের নামে খোলা বৈদেশিক হিসাবের সুদের হার বাজারের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে এখন থেকে ব্যাংক-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে সুদের হার নির্ধারিত হবে। গতকাল রোববার (১৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংক এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
খবর প্রথম আলোর।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, এত দিন শুধু অনুমোদিত ৪টি বৈদেশিক মুদ্রায় প্রবাসীদের হিসাব খোলার সুযোগ ছিল। সেগুলো হলো ডলার, পাউন্ড, ইউরো ও ইয়েন। এখন অনুমোদিত মুদ্রার পাশাপাশি ব্যবহারযোগ্য সব বৈদেশিক মুদ্রায় হিসাব খুলতে পারবেন। এ সুযোগ দেওয়ায় দেশে বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ বাড়বে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অনাবাসী বাংলাদেশিরা অনুমোদিত বিদেশি মুদ্রার পাশাপাশি ব্যবহারযোগ্য বিদেশি মুদ্রায় প্রাইভেট ফরেন কারেন্সি (পিএফসি) হিসাব এবং নন-রেসিডেন্ট ফরেন কারেন্সি ডিপোজিট (এনএফসিডি) হিসাব খুলতে পারবেন। পিএফসি ও এনএফসিডি হিসাবের বিপরীতে সুদের নির্ধারিত হারও প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে সুদের হার নির্ধারণ করতে পারবে ব্যাংকগুলো।
খাত–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, যারা দেশের বাইরে অবস্থান করছেন, তারা বিভিন্ন মুদ্রায় আয় করে থাকেন। সেই দেশগুলোর নিজস্ব মুদ্রায় সঞ্চয় করতে তারা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। সে জন্য এই সুযোগ দেওয়া হয়েছে। সুদহার বাজারভিত্তিক করায় ব্যাংকগুলো চাহিদামতো সুদ দিতে পারবে। যখন যে মুদ্রার চাহিদা বেশি হবে, সেই মুদ্রায় বেশি সুদ দিতে পারবে। এতে সঞ্চয় আরও বাড়বে। এতে বিদেশি মুদ্রায় প্রবাসীদের সঞ্চয় বেড়ে যাবে বলে আশা করছেন ব্যাংকাররাও।
সূত্র: প্রথম আলো
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।