
সংবাদদাতা, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম নগরীর নিম্নাঞ্চল টানা বর্ষণে প্লাবিত হয়েছে। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের ফলে গত ৩ দিন ধরে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে এখানে। আবহাওয়া অফিস বলছে, এই বৃষ্টি আরও কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে।
বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি এলাকায় ভূমি ধসের সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া অফিস। এ ব্যাপারে সতর্ক করা হয়েছে স্থানীয় প্রশাসনকে।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ আবদুর রহমান জানান, রোববার (১ জুন) সকাল ৯টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ১২৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
তিনি বলেন, সক্রিয় মৌসুমি বায়ু ও বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপের কারণে এই ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। গত ৩ দিন চলা বৃষ্টি আগামী কয়েক দিন অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
বৃষ্টিতে নগরীর জিইসি, কাতালগঞ্জ ও অক্সিজেনসহ বেশ কিছু এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকায় কর্মস্থলগামী মানুষ ও শিক্ষার্থীদের বাড়তি দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।
মুরাদপুরের একটি ট্রাভেল এজেন্সির কর্মচারী মহিউদ্দিন বলেন, 'বৃষ্টির কারণে আজ রাস্তায় অনেক কম গাড়ি ছিল। অফিসে পৌঁছাতে অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হয়েছে।'
নগরীর ভূমিধসপ্রবণ এলাকাগুলোতে মাইকিং শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। সেই সঙ্গে খোলা হয়েছে আশ্রয়কেন্দ্র। পাহাড়ের কাছাকাছি বসবাসকারী লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলা হয়েছে।

চট্টগ্রাম নগরীর নিম্নাঞ্চল টানা বর্ষণে প্লাবিত হয়েছে। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের ফলে গত ৩ দিন ধরে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে এখানে। আবহাওয়া অফিস বলছে, এই বৃষ্টি আরও কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে।
বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি এলাকায় ভূমি ধসের সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া অফিস। এ ব্যাপারে সতর্ক করা হয়েছে স্থানীয় প্রশাসনকে।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ আবদুর রহমান জানান, রোববার (১ জুন) সকাল ৯টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ১২৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
তিনি বলেন, সক্রিয় মৌসুমি বায়ু ও বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপের কারণে এই ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। গত ৩ দিন চলা বৃষ্টি আগামী কয়েক দিন অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
বৃষ্টিতে নগরীর জিইসি, কাতালগঞ্জ ও অক্সিজেনসহ বেশ কিছু এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকায় কর্মস্থলগামী মানুষ ও শিক্ষার্থীদের বাড়তি দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।
মুরাদপুরের একটি ট্রাভেল এজেন্সির কর্মচারী মহিউদ্দিন বলেন, 'বৃষ্টির কারণে আজ রাস্তায় অনেক কম গাড়ি ছিল। অফিসে পৌঁছাতে অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হয়েছে।'
নগরীর ভূমিধসপ্রবণ এলাকাগুলোতে মাইকিং শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। সেই সঙ্গে খোলা হয়েছে আশ্রয়কেন্দ্র। পাহাড়ের কাছাকাছি বসবাসকারী লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলা হয়েছে।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।