
বিডিজেন ডেস্ক

বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টিসেক্টরাল টেকনিকাল অ্যান্ড ইকোনমিক কোঅপারেশন (বিমসটেক) সম্মেলনের সাইডলাইনে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর এই প্রথমবারের মত ড. ইউনূসের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির বৈঠক অনুষ্ঠিত হলো।
বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলন উপলক্ষে অধ্যাপক ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদি বর্তমানে ব্যাংককে অবস্থান করছেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশে সরকার পরিবর্তনের পর টানাপোড়েনের মধ্যে যাচ্ছে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক। ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর তাঁকে শুভেচ্ছা জানালেও নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাইডলাইনে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে আগ্রহ দেখায়নি দিল্লি। একই উত্তর ছিল এবারও। তবে শেষ মুহুর্তে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে বৈঠকে বসার সবুজ সংকেত দেয় ভারত। এমন পরিস্থিতিতে আজ অধ্যাপক ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদি প্রথমবারের মতো আলোচনায় বসলেন।

অবশ্য আজকের দ্বিপক্ষীয় আলোচনার আগে গতকাল বৃহস্পতিবার বিমসটেক নেতাদের সম্মানে আয়োজিত নৈশভোজে অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির দেখা হয়। নৈশভোজে একই টেবিলে তাঁরা পাশাপাশি বসেছেন। বিনিময় করেন কুশল। সম্মেলনের আয়োজক থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা এই নৈশভোজের আয়োজন করেন।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, এ বৈঠকের লক্ষ্য হলো রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর দু্ই দেশের মধ্যে আস্থা ও বোঝাপড়া পুনরুদ্ধার করা, অগ্রাধিকারমূলক দ্বিপক্ষীয় ও আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করা।
৫ আগষ্টের পর বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা সীমিত করা ছাড়াও আন্তঃসীমান্ত ট্রেন বন্ধ রেখেছে ভারত। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এবারের বৈঠকে আন্তঃযোগাযোগের ধারাবাহিকতা রক্ষাসহ বাণিজ্য ঘাটতি, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতে টহল বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেবে ঢাকা।
আরও পড়ুন

বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টিসেক্টরাল টেকনিকাল অ্যান্ড ইকোনমিক কোঅপারেশন (বিমসটেক) সম্মেলনের সাইডলাইনে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর এই প্রথমবারের মত ড. ইউনূসের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির বৈঠক অনুষ্ঠিত হলো।
বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলন উপলক্ষে অধ্যাপক ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদি বর্তমানে ব্যাংককে অবস্থান করছেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশে সরকার পরিবর্তনের পর টানাপোড়েনের মধ্যে যাচ্ছে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক। ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর তাঁকে শুভেচ্ছা জানালেও নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাইডলাইনে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে আগ্রহ দেখায়নি দিল্লি। একই উত্তর ছিল এবারও। তবে শেষ মুহুর্তে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে বৈঠকে বসার সবুজ সংকেত দেয় ভারত। এমন পরিস্থিতিতে আজ অধ্যাপক ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদি প্রথমবারের মতো আলোচনায় বসলেন।

অবশ্য আজকের দ্বিপক্ষীয় আলোচনার আগে গতকাল বৃহস্পতিবার বিমসটেক নেতাদের সম্মানে আয়োজিত নৈশভোজে অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির দেখা হয়। নৈশভোজে একই টেবিলে তাঁরা পাশাপাশি বসেছেন। বিনিময় করেন কুশল। সম্মেলনের আয়োজক থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা এই নৈশভোজের আয়োজন করেন।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, এ বৈঠকের লক্ষ্য হলো রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর দু্ই দেশের মধ্যে আস্থা ও বোঝাপড়া পুনরুদ্ধার করা, অগ্রাধিকারমূলক দ্বিপক্ষীয় ও আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করা।
৫ আগষ্টের পর বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা সীমিত করা ছাড়াও আন্তঃসীমান্ত ট্রেন বন্ধ রেখেছে ভারত। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এবারের বৈঠকে আন্তঃযোগাযোগের ধারাবাহিকতা রক্ষাসহ বাণিজ্য ঘাটতি, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতে টহল বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেবে ঢাকা।
আরও পড়ুন
৫ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৯ জন প্রবাসী ভোটার তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ভোটদান সম্পন্ন করেছেন ৪ লাখ ৭২ হাজার ৪১০ জন। এর মধ্যে ৩ লাখ ২৬ হাজার ২০টি পোস্টাল ব্যালট ইতিমধ্যে দেশে এসে পৌঁছেছে।
রাতের দুই দফা ভূমিকম্পেরই উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার। রিখটার স্কেলে দুই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৫ দশমিক ৯ ও ৫ দশমিক ২। দেশের অনেক স্থানে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এ নিয়ে এক দিনে তিনবার কাঁপল বাংলাদেশ।
গ্লোবাল কমপ্যাক্ট ফর মাইগ্রেশন (জিসিএম) ন্যাপের সফট অ্যাডপশন বাংলাদেশের নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করা এবং অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষায় দেশের দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।
সালীম আহমাদ খান জানান, আজ বেলা ১২টা পর্যন্ত ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী প্রবাসীদের কাছে মোট ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি ব্যালট পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৫ লাখ ২৪ হাজার ৮০ জন প্রবাসী তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৭০৭ জন ইতিমধ্যে ভোটদান সম্পন্ন করেছেন।