
বিডিজেন ডেস্ক

বৈশ্বিক পাসপোর্ট সূচকে ২০২৫ সালের শুরুতে ৩ ধাপ পিছিয়ে বাংলাদেশ এখন ১০০তম অবস্থানে রয়েছে। ২০২৪ সালের সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৯৭তম। এবারের সূচকে বিশ্বের সবচেয়ে দুর্বল পাসপোর্টের তালিকায় ৮ম স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের সঙ্গে একই অবস্থানে রয়েছে লিবিয়া ও ফিলিস্তিন।
বুধবার (৮ জানুয়ারি) যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স শক্তিশালী পাসপোর্ট সূচক প্রকাশ করেছে। এই সূচকে বিশ্বের মোট ১৯৯টি দেশের পাসপোর্ট এবং ২২৭টি ভ্রমণ গন্তব্যের তথ্য বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
কোন দেশের পাসপোর্ট দিয়ে কয়টি দেশে ভিসা ছাড়া বা অন অ্যারাইভাল ভিসায় প্রবেশ করা যায়, এই তথ্যের ভিত্তিতে শক্তিশালী পাসপোর্টের সূচক তৈরি করে দ্য হ্যানলি অ্যান্ড পার্টনার্স। বিশ্বের ১৯৯ দেশের সূচকে কিছু কিছু দেশ যৌথ অবস্থান পাওয়ায় এ বছর হেনলি মোট ১০৬টি অবস্থান নির্ধারণ করেছে।
১৯ বছর ধরে বিশ্বের কোন দেশের পাসপোর্ট কতটা শক্তিশালী তা নিয়ে প্রতি বছর প্রতিষ্ঠানটি র্যাংকিং প্রকাশ করে আসছে। প্রতি তিন মাস অন্তর এই সূচক প্রকাশ করা হয়।
২০২৫ সালের সূচক অনুযায়ী বাংলাদেশের পাসপোর্ট দিয়ে বিশ্বের ২২৭টি গন্তব্যের মধ্যে বর্তমানে ৪০টিতে ভিসা ছাড়া কিংবা অন অ্যারাইভাল ভিসায় ভ্রমণ করা যায়।
বাংলাদেশি পাসপোর্ট ব্যবহার করে আগাম ভিসা ছাড়া ইউরোপের কোনো দেশে ভ্রমণ করা সম্ভব নয়। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে মালদ্বীপের পাসপোর্ট (৫৩তম)। মালদ্বীপের পাসপোর্টধারীরা ভিসা ছাড়াই ৯৪টি দেশে ভ্রমণ করতে পারেন। এরপরই রয়েছে ভারত (৮৫তম), ভুটান (৯০তম) ও শ্রীলঙ্কা (৯৬তম)।
হ্যানলির এই সূচকে ২০২৫ সালের প্রধম প্রান্তিকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের সূচকে শীর্ষ অবস্থান দখল করেছে সিঙ্গাপুর। দেশটির নাগরিকেরা ভিসা ছাড়া কিংবা অন অ্যারাইভাল ভিসায় বিশ্বের ১৯৫টি গন্তব্যে ভ্রমণ করতে পারেন।
এই সূচকে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে জাপান। দেশটির নাগরিকেরা ১৯৩টি দেশে ভিসা ছাড়া বা অন-অ্যারাইভাল ভিসায় ভ্রমণ করতে পারেন।
এ ছাড়া, তৃতীয় স্থানে যৌথভাবে থাকা ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, দক্ষিণ কোরিয়া ও স্পেনের নাগরিকেরা ১৯২টি দেশে ভিসা ছাড়া বা অন-অ্যারাইভাল ভিসায় প্রবেশ করতে পারেন।
পাসপোর্ট সূচকে একেবারে তলানিতে রয়েছে আফগানিস্তান (১০৬তম)। যুদ্ধবিধ্বস্ত এই দেশটির পাসপোর্টধারীরা মাত্র ২৬টি দেশে ভিসা ছাড়া প্রবেশ করতে পারেন।
বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের ১০ দেশ
১. সিঙ্গাপুর
২. জাপান
৩. ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, দক্ষিণ কোরিয়া ও স্পেন
৪. অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক, আয়ারল্যান্ড, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে ও সুইডেন
৫. বেলজিয়াম, নিউজিল্যান্ড, পর্তুগাল, সুইজারল্যান্ড ও যুক্তরাজ্য
৬. অস্ট্রেলিয়া, গ্রিস
৭. কানাডা, মাল্টা, পোল্যান্ড
৮. চেক প্রজাতন্ত্র ও হাঙ্গেরি
৯. যুক্তরাষ্ট্র, এস্তোনিয়া
১০. লাটভিয়া, লিথুনিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, স্লোভেনিয়া
বিশ্বের সবচেয়ে দুর্বল পাসপোর্টের ১০ দেশ
১. আফগানিস্তান
২. সিরিয়া
৩. ইরাক
৪. ইয়েমেন
৫. পাকিস্তান
৬. সোমালিয়া
৭. নেপাল
৮. ফিলিস্তিন, লিবিয়া, বাংলাদেশ
৯. উত্তর কোরিয়া
১০. ইরিত্রিয়া
সূত্র: হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স

বৈশ্বিক পাসপোর্ট সূচকে ২০২৫ সালের শুরুতে ৩ ধাপ পিছিয়ে বাংলাদেশ এখন ১০০তম অবস্থানে রয়েছে। ২০২৪ সালের সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৯৭তম। এবারের সূচকে বিশ্বের সবচেয়ে দুর্বল পাসপোর্টের তালিকায় ৮ম স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের সঙ্গে একই অবস্থানে রয়েছে লিবিয়া ও ফিলিস্তিন।
বুধবার (৮ জানুয়ারি) যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স শক্তিশালী পাসপোর্ট সূচক প্রকাশ করেছে। এই সূচকে বিশ্বের মোট ১৯৯টি দেশের পাসপোর্ট এবং ২২৭টি ভ্রমণ গন্তব্যের তথ্য বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
কোন দেশের পাসপোর্ট দিয়ে কয়টি দেশে ভিসা ছাড়া বা অন অ্যারাইভাল ভিসায় প্রবেশ করা যায়, এই তথ্যের ভিত্তিতে শক্তিশালী পাসপোর্টের সূচক তৈরি করে দ্য হ্যানলি অ্যান্ড পার্টনার্স। বিশ্বের ১৯৯ দেশের সূচকে কিছু কিছু দেশ যৌথ অবস্থান পাওয়ায় এ বছর হেনলি মোট ১০৬টি অবস্থান নির্ধারণ করেছে।
১৯ বছর ধরে বিশ্বের কোন দেশের পাসপোর্ট কতটা শক্তিশালী তা নিয়ে প্রতি বছর প্রতিষ্ঠানটি র্যাংকিং প্রকাশ করে আসছে। প্রতি তিন মাস অন্তর এই সূচক প্রকাশ করা হয়।
২০২৫ সালের সূচক অনুযায়ী বাংলাদেশের পাসপোর্ট দিয়ে বিশ্বের ২২৭টি গন্তব্যের মধ্যে বর্তমানে ৪০টিতে ভিসা ছাড়া কিংবা অন অ্যারাইভাল ভিসায় ভ্রমণ করা যায়।
বাংলাদেশি পাসপোর্ট ব্যবহার করে আগাম ভিসা ছাড়া ইউরোপের কোনো দেশে ভ্রমণ করা সম্ভব নয়। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে মালদ্বীপের পাসপোর্ট (৫৩তম)। মালদ্বীপের পাসপোর্টধারীরা ভিসা ছাড়াই ৯৪টি দেশে ভ্রমণ করতে পারেন। এরপরই রয়েছে ভারত (৮৫তম), ভুটান (৯০তম) ও শ্রীলঙ্কা (৯৬তম)।
হ্যানলির এই সূচকে ২০২৫ সালের প্রধম প্রান্তিকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের সূচকে শীর্ষ অবস্থান দখল করেছে সিঙ্গাপুর। দেশটির নাগরিকেরা ভিসা ছাড়া কিংবা অন অ্যারাইভাল ভিসায় বিশ্বের ১৯৫টি গন্তব্যে ভ্রমণ করতে পারেন।
এই সূচকে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে জাপান। দেশটির নাগরিকেরা ১৯৩টি দেশে ভিসা ছাড়া বা অন-অ্যারাইভাল ভিসায় ভ্রমণ করতে পারেন।
এ ছাড়া, তৃতীয় স্থানে যৌথভাবে থাকা ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, দক্ষিণ কোরিয়া ও স্পেনের নাগরিকেরা ১৯২টি দেশে ভিসা ছাড়া বা অন-অ্যারাইভাল ভিসায় প্রবেশ করতে পারেন।
পাসপোর্ট সূচকে একেবারে তলানিতে রয়েছে আফগানিস্তান (১০৬তম)। যুদ্ধবিধ্বস্ত এই দেশটির পাসপোর্টধারীরা মাত্র ২৬টি দেশে ভিসা ছাড়া প্রবেশ করতে পারেন।
বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের ১০ দেশ
১. সিঙ্গাপুর
২. জাপান
৩. ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, দক্ষিণ কোরিয়া ও স্পেন
৪. অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক, আয়ারল্যান্ড, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে ও সুইডেন
৫. বেলজিয়াম, নিউজিল্যান্ড, পর্তুগাল, সুইজারল্যান্ড ও যুক্তরাজ্য
৬. অস্ট্রেলিয়া, গ্রিস
৭. কানাডা, মাল্টা, পোল্যান্ড
৮. চেক প্রজাতন্ত্র ও হাঙ্গেরি
৯. যুক্তরাষ্ট্র, এস্তোনিয়া
১০. লাটভিয়া, লিথুনিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, স্লোভেনিয়া
বিশ্বের সবচেয়ে দুর্বল পাসপোর্টের ১০ দেশ
১. আফগানিস্তান
২. সিরিয়া
৩. ইরাক
৪. ইয়েমেন
৫. পাকিস্তান
৬. সোমালিয়া
৭. নেপাল
৮. ফিলিস্তিন, লিবিয়া, বাংলাদেশ
৯. উত্তর কোরিয়া
১০. ইরিত্রিয়া
সূত্র: হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স
জামাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একইসঙ্গে নামাজ আদায় করেন। তাদের সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, রাজনীতিবিদ ও কূটনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ জামাতে অংশ নেন।
মরদেহ হস্তান্তরকালে মন্ত্রী নিহত মোশাররফ হোসেনের পরিবারকে দাফন কার্য সম্পন্নের জন্য ৫০ হাজার টাকার চেক প্রদান করেন। এ ছাড়া, ওয়েজ আর্নাস কল্যাণ বোর্ডের পক্ষ থেকে ঈদের পর নিহতের পরিবারকে তিন লাখ টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করা হবে বলে তিনি জানান।
হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২৯ বা ৩০ দিনে মাস হয়ে থাকে। ২৯ রমজান শেষে যদি চাঁদ দেখা যায়, তাহলে পরদিন ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হয়। আর চাঁদ দেখা না গেলে ৩০ রমজান শেষে ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হয়।
অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ডেপুটি হাইকমিশনার নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, যুদ্ধপ্রবণ এলাকায় চলাচলকারী জাহাজে কর্মরত বাংলাদেশি নাবিকসহ বিশ্বব্যাপী সমুদ্রকর্মীদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিয়ে বাংলাদেশ উদ্বিগ্ন।