
বিডিজেন ডেস্ক

রাজধানী ঢাকার উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দগ্ধ আরও এক শিশু শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। মৃত শিক্ষার্থীর নাম আব্দুল মুসাব্বির মাকিন (১৩)। মাকিন ওই স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
আজ শুক্রবার (২৫ জুলাই) দুপুর ১টা ৫ মিনিটের দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) মারা যায় শিশুটি। মাকিনের শ্বাসনালীসহ শরীরের ৭০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, এ নিয়ে এ ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা ৩৩ জনে দাঁড়াল।
এর আগে, আজ সকালে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে তাসমিন আফরোজ আয়মান নামে আরও এক শিশু মারা গেছে। তার শরীরের ৪৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। গত বৃহস্পতিবার আরও ২ শিশু প্রাণ হারায়। তারা হলো- মাহিয়া তাসনিম (১৫) ও মাহতাব রহমান (১৫)।
জানা গেছে, সোমবারের বিমান দুর্ঘটনায় রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে বর্তমানে ৫০ জন চিকিৎসাধীন আছে। এর মধ্যে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ৪০ জন, ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ৮ জন, শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১ জন এবং জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে ১ জন রয়েছে।
অন্যদিকে, জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ১৫ জন, ঢাকা সিএমএইচে ১৫ জন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ১ জন, লুবানা জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড কার্ডিয়াক সেন্টারে ১ জন এবং ইউনাইটেড হাসপাতালে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার দুপুরে বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসের একটি ভবনে বিধ্বস্ত হয়। দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এই বিমান দুর্ঘটনায় হতাহতদের বেশির ভাগই শিশু।

রাজধানী ঢাকার উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দগ্ধ আরও এক শিশু শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। মৃত শিক্ষার্থীর নাম আব্দুল মুসাব্বির মাকিন (১৩)। মাকিন ওই স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
আজ শুক্রবার (২৫ জুলাই) দুপুর ১টা ৫ মিনিটের দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) মারা যায় শিশুটি। মাকিনের শ্বাসনালীসহ শরীরের ৭০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, এ নিয়ে এ ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা ৩৩ জনে দাঁড়াল।
এর আগে, আজ সকালে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে তাসমিন আফরোজ আয়মান নামে আরও এক শিশু মারা গেছে। তার শরীরের ৪৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। গত বৃহস্পতিবার আরও ২ শিশু প্রাণ হারায়। তারা হলো- মাহিয়া তাসনিম (১৫) ও মাহতাব রহমান (১৫)।
জানা গেছে, সোমবারের বিমান দুর্ঘটনায় রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে বর্তমানে ৫০ জন চিকিৎসাধীন আছে। এর মধ্যে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ৪০ জন, ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ৮ জন, শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১ জন এবং জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে ১ জন রয়েছে।
অন্যদিকে, জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ১৫ জন, ঢাকা সিএমএইচে ১৫ জন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ১ জন, লুবানা জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড কার্ডিয়াক সেন্টারে ১ জন এবং ইউনাইটেড হাসপাতালে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার দুপুরে বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসের একটি ভবনে বিধ্বস্ত হয়। দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এই বিমান দুর্ঘটনায় হতাহতদের বেশির ভাগই শিশু।
জামাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একইসঙ্গে নামাজ আদায় করেন। তাদের সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, রাজনীতিবিদ ও কূটনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ জামাতে অংশ নেন।
মরদেহ হস্তান্তরকালে মন্ত্রী নিহত মোশাররফ হোসেনের পরিবারকে দাফন কার্য সম্পন্নের জন্য ৫০ হাজার টাকার চেক প্রদান করেন। এ ছাড়া, ওয়েজ আর্নাস কল্যাণ বোর্ডের পক্ষ থেকে ঈদের পর নিহতের পরিবারকে তিন লাখ টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করা হবে বলে তিনি জানান।
হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২৯ বা ৩০ দিনে মাস হয়ে থাকে। ২৯ রমজান শেষে যদি চাঁদ দেখা যায়, তাহলে পরদিন ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হয়। আর চাঁদ দেখা না গেলে ৩০ রমজান শেষে ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হয়।
অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ডেপুটি হাইকমিশনার নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, যুদ্ধপ্রবণ এলাকায় চলাচলকারী জাহাজে কর্মরত বাংলাদেশি নাবিকসহ বিশ্বব্যাপী সমুদ্রকর্মীদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিয়ে বাংলাদেশ উদ্বিগ্ন।