
প্রতিবেদক, বিডিজেন

এপ্রিলে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স (প্রবাসী আয়) এসেছে সৌদি আরব থেকে। দেশটি থেকে এসেছে ৪৯ কোটি ১৪ লাখ (ইউএস) ডলার। যা মোট রেমিট্যান্সের ১৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ।
দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি থেকে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৭ কোটি ২১ লাখ ডলার। যা মোট রেমিট্যান্সের ১২ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ।
তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি থেকে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৩ কোটি ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানা গেছে।
বাংলাদেশে এপ্রিলে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২৭৫ কোটি ২০ লাখ ডলার।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল সময়ে রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৪৫৩ কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২৮ শতাংশ বেশি। আগের অর্থবছরে জুলাই-এপ্রিল সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ১ হাজার ৯১১ কোটি ডলার।
আরও পড়ুন

এপ্রিলে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স (প্রবাসী আয়) এসেছে সৌদি আরব থেকে। দেশটি থেকে এসেছে ৪৯ কোটি ১৪ লাখ (ইউএস) ডলার। যা মোট রেমিট্যান্সের ১৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ।
দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি থেকে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৭ কোটি ২১ লাখ ডলার। যা মোট রেমিট্যান্সের ১২ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ।
তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি থেকে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৩ কোটি ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানা গেছে।
বাংলাদেশে এপ্রিলে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২৭৫ কোটি ২০ লাখ ডলার।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল সময়ে রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৪৫৩ কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২৮ শতাংশ বেশি। আগের অর্থবছরে জুলাই-এপ্রিল সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ১ হাজার ৯১১ কোটি ডলার।
আরও পড়ুন
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।