
বিডিজেন ডেস্ক

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় ছুরিকাঘাতে এক যুবদল নেতার মৃত্যু হয়েছে। তার নাম নোমান আহমদ (৩৫)। গতকাল শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার বাড্ডা বাজারে তিনি হামলার শিকার হন।
খবর প্রথম আলোর।
নোমান আহমদ বড়লেখা উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নের রাঙ্গিনগর গ্রামের লেচু মিয়ার ছেলে। তিনি উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নোমান আহমদ বাড্ডা বাজারে ছিলেন। হঠাৎ ২ যুবক এসে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরি মেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন নোমানকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে বড়লেখা উপজেলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে নিয়ে যায়। পরে সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে তাকে মৃত ঘোষণা করে কর্তৃব্যরত চিকিৎসকেরা। প্রাথমিকভাবে হামলার কারণ সম্পর্কে জানা যায়নি।
সুজানগর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক সাবুল আহমদ বলেন, নোমান আহমদ সুজানগর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। নোমান দীর্ঘদিন ধরে যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তিনি এই ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার দাবি জানিয়েছেন।
বড়লেখা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম আজ রোববার সকালে প্রথম আলোকে বলেন, প্রাথমিকভাবে যতটুকু জানা গেছে, টাকার লেনদেন নিয়ে এই হামলার ঘটনা ঘটতে পারে। এখনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি। অভিযোগ প্রক্রিয়াধীন আছে। আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
সূত্র: প্রথম আলো

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় ছুরিকাঘাতে এক যুবদল নেতার মৃত্যু হয়েছে। তার নাম নোমান আহমদ (৩৫)। গতকাল শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার বাড্ডা বাজারে তিনি হামলার শিকার হন।
খবর প্রথম আলোর।
নোমান আহমদ বড়লেখা উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নের রাঙ্গিনগর গ্রামের লেচু মিয়ার ছেলে। তিনি উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নোমান আহমদ বাড্ডা বাজারে ছিলেন। হঠাৎ ২ যুবক এসে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরি মেরে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন নোমানকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে বড়লেখা উপজেলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে নিয়ে যায়। পরে সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে তাকে মৃত ঘোষণা করে কর্তৃব্যরত চিকিৎসকেরা। প্রাথমিকভাবে হামলার কারণ সম্পর্কে জানা যায়নি।
সুজানগর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক সাবুল আহমদ বলেন, নোমান আহমদ সুজানগর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। নোমান দীর্ঘদিন ধরে যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তিনি এই ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার দাবি জানিয়েছেন।
বড়লেখা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম আজ রোববার সকালে প্রথম আলোকে বলেন, প্রাথমিকভাবে যতটুকু জানা গেছে, টাকার লেনদেন নিয়ে এই হামলার ঘটনা ঘটতে পারে। এখনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি। অভিযোগ প্রক্রিয়াধীন আছে। আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
সূত্র: প্রথম আলো
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।